
বিশেষ প্রতিনিধি
সিএমপি খুলশী থানা পুলিশ কর্তৃক চৌকস সক্রিয় অভিযানে ১৬মামলার পলাতক আসামী ১৮বছর পর গ্রেফতার।
চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন আদালতে পাওনাদাররা পাওনা টাকা প্রাপ্তির জন্য আসামী মোঃ ইলিয়াছ মিয়া’র বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে। উক্ত মামলা সমুহের মধ্যে ০৯টি মামলার বিভিন্ন মেয়াদে সাজা আরো ০৭টি মামলা বিচারাধীন আছে। আসামী মামলা দায়েরে পর হইতে দীর্ঘ ১৮ বছর যাবৎ দেশ ও বিদেশের বিভিন্ন স্থানে আত্মগোপনে পর আটক।
১০জুলাই,নাটোর জেলার নাটোর সদর থানাধীন বড় হরিশপুর বাইপাস এলাকা হইতে আসামীকে আটক করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামীর পরিচয় মোঃ ইলিয়াছ মিয়া, পিতা- মৃত হাজী রনজু প্রকাশ রমজু প্রকাশ রঞ্জু সওদাগর,মাতা- হাজী রওশন আরা বেগম,সাং-২৭৭,রুপসা হাউজ,তুলা পুকুর পাড়,হাই লেভেল রোড,লালখান বাজার,থানা-খুলশী, জেলা-চট্টগ্রাম।
আসামী মামলা দায়েরে পর হইতে দীর্ঘ ১৮ বছর যাবৎ দেশ ও বিদেশের বিভিন্ন স্থানে আত্মগোপনে ছিলেন।
খুলশী থানার এএসআই (নিঃ)/সোহেল আহমেদ, এএসআই(নিঃ)/রাজীব দে, এএসআই (নিঃ)/মোঃ জহির উদ্দিন ও কং/২৬৮৫ বিপ্লব দাশ তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় আসামী আবস্থান সনাক্ত করে নাটোর জেলার নাটোর সদর থানাধীন বড় হরিশপুর বাইপাস এলাকায় অভিযানে আসামী মোঃ ইলিয়াছ মিয়া’কে সর্ব খুলশী থানা টিম কর্তৃক আটক করা হয়।
ঘটনার বিবরণে আসামী মোঃ ইলিয়াছ মিয়া কোতোয়ালী থানাধীন বিআরটিসি ফলমন্ডি,স্টেশন রোড,রিয়াজ উদ্দিন বাজার,খাতুনগঞ্জ এলাকায় বিভিন্ন প্রকার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালিক হইয়া বিভিন্ন লোক জনের নিকট হইতে চেকের মাধ্যমে লোন নিয়া প্রতারণা করতঃ লোনের টাকা পরিশোধ না করিয়া আত্নগোপন করে। পরবর্তীতে পাওনাদাররা চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন আদালতে পাওনা টাকা প্রাপ্তির জন্য আসামী মোঃ ইলিয়াছ মিয়া’র বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে। উক্ত মামলা সমুহের মধ্যে ০৯টি মামলার দীর্ঘ
বিচারিক কার্যক্রম শেষে বিজ্ঞ আদালত আসামীকে দোষী সাব্যস্থ করে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা প্রদান করেন। এছাড়াও আসামী মোঃ ইলিয়াছ মিয়া এর বিরুদ্ধে চট্টগ্রাম,জয়পুরহাট এবং সাতক্ষীরা’র বিভিন্ন আদালতে আরো ০৭টি মামলা বিচারাধীন আছে। নাটোর জেলার নাটোর সদর থানা এলাকায় আবস্থান কালে আসামী নিজের নাম-পরিচয় গোপন করে সে নিজেকে তাহার নাম মিয়া সাহেব (2) তুফান বলে পরিচয় দিয়ে তথায় অবস্থান করেন। আসামীকে বিধি মোতাবেক বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হইয়াছে।
Leave a Reply