
মোঃ নিজাম উদ্দিন সিলেট থেকে:
সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার সীমান্ত গুলোতে চলছে বেপরোয়া চোরাচালান ব্যবসা । সীমান্ত এলাকাগুলো দিয়ে দিন রাতে প্রকাশ্যে কোটি কোটি টাকার ভারতীয় পণ্য বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে অবৈধ পথে। এসবের নেতৃত্বে রয়েছে পশ্চিম জাফলং ইউনিয়নের শ্যাম কালা ও রাধানগর বাজার এলাকার আল আমিন সিলেট জেলা গোয়েন্দা বিভাগের উওর ডিবি ওসির নাম ভাঙ্গিয়ে চোরাকারবারীদের কাছ থেকে,দৈনিক লক্ষ্য লক্ষ্য টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে একটি কুচক্রী মহল। চোরাকারবারীদের গডফাদার হিসেবে পরিচিত সেমকালা ও আলামিন । এলাকায় বেপরোয়া গতিতে ছুটছেন এরা ধরাচোয়ার আড়ালে থেকে চালিয়ে যাচ্ছে ভারতীয় অবৈধ পণ্য সামগ্রী । ভারতীয় পণ্য সামগ্রী বাংলাদেশে প্রবেশ করতে সকল ধরনের সহযোগিতা করেন আন্ডারগ্রাউন্ডে থাকা শ্যামকালা ও আল আমিন। তাদের রয়েছে বিশাল লাঠিয়াল বাহিনী তাদের ভয়ে কেউ মুখ খুলতে নারাজ সাধারণ মানুষ । এলাকার সচেতন মহল জানান দিনে রাতে প্রকাশ্যে কোটি কোটি টাকার ভারতীয় পণ্য সামগ্রী রাধানগর বাজারে নিরাপদে আসছে তাতে আতংকে আছে এলাকার মানুষ,। বিমান গতিতে চালান ডি আই পিকআপ কাভার্ডভ্যান ড্রাইবার’রা । যে কোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটার শঙ্কায় সীমান্তবর্তী এলাকার সাধারণ মানুষ। সীমান্তের বিভিন্ন পয়েন্ট দিয়ে ভারত থেকে অবৈধ পথে আসা পণ্য গুলো হচ্ছে, গরু, মহিষ, চিনি, চা পাতা, কসমেটিক, স্মার্টফোন, পান, সুপারি, আলু, টমেটো, শাড়ি, থ্রিপিস, লেহেঙ্গা , মাদক দ্রব্য সহ বিভিন্ন পণ্য সামগ্রী । এসব পণ্য সামগ্রী বাংলাদেশে প্রবেশ করতে নেই কোনো বাধা। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নাকের ডগায়এ সব ব্যবসা চললেও অদৃশ্য ইশারায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী রয়েছেন নিরব ভূমিকায়। শ্যাম কালা ও আল আমিন এর নেতৃত্বে ভারত বাংলাদেশ চোরাচালান ব্যবসা করতে কোনো সমস্যা নেই তাই আরাম আয়েশের সাথে চোরাচালান ব্যবসায়ীদের সঙ্গে সমঝোতা করে থাকেন তারা ।
গোয়াইনঘাট সীমান্ত গুলো দিয়ে প্রতিদিন কোটি কোটি টাকার ভারতীয় মালামাল প্রাচার হচ্ছে দেশের বিভিন্ন স্থানে তাতে বাংলাদেশ সরকার হারাচ্ছেন লক্ষ্য লক্ষ্য টাকার রাজস্ব আদায়। লাভবান হচ্ছেন একটি চক্র লাইনম্যান পরিচয় দানকারী শ্যামকালা ও আল আমিন। এরা আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ বনে গেছেন।
এবিষয়ে জানতে শ্যামকালার মোঠুফোনে ফোন যোগাযোগ করলে তিনি জানান নিউজ করে কি হবে। যত পারো নিউজ করো কোনো সমস্যা নেই আমি প্রশাসনের সঙ্গে লিয়াজু করে করতেছি এসব।
এবিষয়ে জানতে আল আমিনের মোঠুফোনে কয়েক বার ফোন দিলে ফোন রিসিভ করেননি তাই বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
সিলেটের গোয়েন্দা বিভাগের উওর ডিবি ওসির মোঠুফোনে ফোন দিলে ফোন রিসিভ করেন নি তাই বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
Leave a Reply