
বাকেরগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
বাকেরগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণ সাদিশ গ্রামটি কলসকাঠী ইউনিয়নের সর্ব দক্ষিণ পাণ্ডব-পায়রা নদী তীরবর্তী একটি গ্রাম। কয়েক বছর যাবত নদী তীরবর্তী পাণ্ডবের তীরবর্তী কৃষিজমি, সরকারি রাস্তা, সরকারি স্কুলের মাঠ, ঘরের পোতা, কবরস্থান এর মাটি রাতে অস্ত্রধারী দস্যুদের পাহারায় ভেকু, খোন্তা, কোদাল দিয়ে কেটে ইউনিয়নে বৈধ, অবৈধভাবে গড়ে উঠা অর্ধশত ইটভাটায় বিক্রি করে আসছে। প্রতিদিন প্রায় দেড় লক্ষাধিক টাকার মাটি কেটে নগদ টাকায় বিক্রি করে আসছে একটি সিন্ডিকেট যার সাথে এলাকার জনপ্রতিনিধিসহ একাধিক ব্যক্তি জড়িত। সরাসরি শামীম শরীফের নেতৃত্বে দেশীয় অস্ত্রধারীদের রাতের আবাসস্থল ছিলো এই টং ঘর। এলাকাবাসী নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানায় তার বর্তমান বাড়ি এখান থেকে দেড় কিলোমিটার দূরে ক্ষুদ্রকাঠী হাই স্কুলের পাশে । সেখানে তার পরিবার পরিজন নিয়ে দ্বিতীয় স্ত্রী নিয়ে বসবাস করে। এর আগে দক্ষিণ সাদিশ গ্রামের মকবুল মৃধার মেয়ের সাধে তার সম্পর্ক নিয়ে আদালত পর্যন্ত গড়ায় এবং ছাড়াছাড়ি হয়ে যায়। এর পরে সে নদীতীরবর্তী একটি ঘেড়ে আগুন দিয়ে আসামী হয়। পরবর্তীতে নদীতীরে টং ঘর উঠিয়ে চরের বালু উত্তোলন শুরু করে। দুমকী থানা পুলিশের অভিযানে ট্রলারসহ আসামী গ্রেপ্তার হলে তারা শামীম শরিফের নির্দেশে বালু,মাটি কাটছে বলে জানায়। পরবর্তীতে নৌ পুলিশসহ ৪/৫ বার অভিযানে প্রত্যেকবার শামীম শরীফ আসামী হয় এবং কোর্ট থেকে জামিন নিয়ে আসে। এরপরে চর কাটাসহ শুরু করে পাণ্ডব তীরবর্তী কৃষিজমি কাটা। সম্পৃতি ইউএনও মহোদয় মাটি-কাটা বন্ধে সাইনবোর্ড টানানোর নির্দেশ দেয় চেয়ারম্যানকে। এই সাইনবোর্ড টানানোর পরেই সে তার টং ঘরে আগুন দিয়ে মাটি কাটার বিপক্ষে অবস্থানকারীদের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দাখিল করে। বর্তমানে বিষয়টি তদন্তনাধীন আছে। সদ্য আগুনে পোড়া টং ঘরে শামীম শরীফ কী করতো?
নদী তীরবর্তী টং ঘরে থেকে সে কৃষিকাজ কিংবা মাছ ধরতো না তাহলে টং কেন?
তার টং ঘরে দিনে থাকতো সাতক্ষীরা থেকে মাটি কাটার কীছু শ্রমিক যারা বার বার পুলিশের অভিযানে স্পটে ধৃত আসামী হয়েছে এবং কোর্ট থেকে ছাড়া পেয়েছে।
প্রতি রাতেই শামীম শরীফ তার একাধিক রক্ষিতাদের নিয়ে এখানে ফুর্তি করতো।
তার সাথে কিছু যুবক মাটি কাটার শ্রমিকদের রাতে দেশীয় অস্ত্রসহ পাহারা দিতো তাদের নিয়ে সে মাদক সেবন করতো এই টং ঘরে।
ঘর পোড়ার আগের দিন সে বেড়া খুলে নিয়েছে যা সোশ্যাল মিডিয়ায় এসেছে।
ঘড় পোড়ার পরে তাহার পাশে একটি গেরাফি দেখা যাচ্ছে। টং ঘরে গেরাফি কেন?
নিরীহ গ্রামবাসী যারা বছরের পর বছর ভূমিদস্যু শামীমের অত্যাচারে অতিষ্ঠ তারা আশাকরে পুলিশের তদন্তে প্রকৃত তথ্য বেরিয়ে আসবে এবং মাটি-কাটা বন্ধ হবে।
Leave a Reply