মোঃ মামুন হোসাইন।স্টাফ রিপোর্টার
পটুয়াখালী সদর উপজেলার বদরপুর ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডে জমিজমা নিয়ে মেম্বার ও সকল শালিসদের উপস্থিতিতে বসত ঘর ভাংচুর দ্রুতবিচার আইনে মামলা। এ হামলায় হাসেম খাঁর ছেলে আলতাফ খাঁন (৫০) তার মা সূর্য ভানু (৭০) স্ত্রী তহমীনা ও ভাই সোনামিয়াসহ একাধিক লোক, গুরুতর আহত হয়েছে। এসময় তাদের ঘর ভাংচুর করা হয়। ২৫/৪ বৃহস্পতিবার আনুমানিক বেলা ১১/৩০ ঘটিকায় শিয়ালী এলাকায় আলতাফ খানের নিজ বাড়িতে হামলার ঘটনা ঘটে। স্থানীয় মেম্বার লালমিয়া ও আজাদ সরদার এর নেতৃৃত্বে শালিস বৈঠক চলার সময় পরিকল্পিত ভাবে হামলা চালায় একই এলাকার মৃত্যু কাসেম হাওলাদারের ছেলে ফারুক হাওলাদার, খবির হাওলাদার, হাবিব হাওলাদার, ও ফারুক হাওলাদারের ছেলে কাওছার ও তার মা সহ অজ্ঞাত ৫/৭জন সন্ত্রাসী কর্মকান্ড চালায় বলে জানান এবং আহতদেরকে স্থানীয় ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়। ভুক্তভোগী আলতাফ খাঁন বলেন দীর্ঘদিন যাবত আমাদের সাথে জমিজমা নিয়ে ফারুক হাওলাদারদের সাথে বিরোধ চলে আসছে এরই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার ২৫ এপ্রিল এই বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় ভাবে আমার বাড়িতে শালিস বৈঠকের আয়োজন করে। সেখানে মেম্বার ও শালিসদের উপস্থিতিতে আমাদেরকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে।

এসময় আমার স্ত্রীর গলায় থাকা ১২ আনা ওজনের স্বর্ণের চেইন, এবং আসবাবপত্র ভাংচুর করে প্রায় ৩০ হাজার টাকা ক্ষতি সাধন করে ও আমি গরুর ব্যবসা করি ঘরে দুই লাখ টাকা ছিলো তাও নিয়ে গেছে ,এসময় আমার ঘরটি ভাংচুর করে আমাদেরকে ভিটাছাড়া করেছে। এব্যাপারে হামলাকারী ফারুক গংদের কাছে জানতে চাইলে তারা জানান আমরা কিছু করিনাই একটু কথা কাটাকাটি হয়েছে ।স্থানীয় মেম্বার লালমিয়া জানান, দুই গ্রুপের মধ্যে জমাজমি নিয়ে দীর্ঘ দিন যাবৎ বিরোধ চলমান এরা শালিস বৈঠকে দুই গ্রুপের মধ্যে হাতাহাতি হয়। কোন ভাংচুর হয়নি। এবিষয় আজ মঙ্গলবার ৩০/৪/২০২৪ ইং পটুয়াখালী বিজ্ঞ আইন শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী দ্রুত বিচার আদালতে,৪/৫ ধারায় দ্রুতবিচার আইনে মামলা দায়ের করেন ও বিচারের দাবি জানান।