
মিঠুন পাল পটুয়াখালী জেলা প্রতিনিধি:
পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার চর কাজল ইউনিয়নের ছোট কাজল হোসাইনিয়া দাখিল মাদ্রাসার সুপার আবু জাফর মো. ছালেহের বিরুদ্ধে জাল নিবন্ধন, তথ্য গোপন, নিয়োগ বাণিজ্য, অর্থ আত্মসাৎ, মাদ্রাসায় নিয়মিত উপস্থিত না থাকা, সরকারি গেজেট লঙ্ঘন, খাস জমি দখল, ভুয়া মামলা দিয়ে হয়রানি এবং ম্যানেজিং কমিটি সংক্রান্ত নানা অনিয়মসহ একাধিক গুরুতর অভিযোগ উঠলেও এখনো স্বপদে বহাল রয়েছেন তিনি।
এমনকি গত ১১ মাসে চার দফা তদন্ত হওয়া সত্ত্বেও কোনো কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে। সর্বশেষ ৩১ জুলাই ২০২৫ তারিখে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক (প্রশাসন) মো. আরিফুর রহমান মজুমদার এবং পরিদর্শক মো. আসাদুজ্জামান (ঢাকা ও সিলেট বিভাগ) সরেজমিন তদন্ত করেন।
তবে অভিযোগকারীদের দাবি, তদন্তে স্বচ্ছতা ছিল না। তাদের অভিযোগ, ১৮৬ পাতার ডকুমেন্টে থাকা ১৩টি অভিযোগের মধ্যে মাত্র ৫টি অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত কর্মকর্তা আলোচনা করেছেন, বাকিগুলোর বিষয়ে কোন তদন্ত হয়নি।
এ বিষয়ে অভিযোগকারীরা জানান, তদন্ত প্রক্রিয়া নিয়ে তাদের গভীর সন্দেহ রয়েছে এবং বিষয়টি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হবে। প্রয়োজনে শিক্ষা উপদেষ্টার কাছে লিখিত অভিযোগ জানাবেন বলেও জানান তারা।
শিক্ষা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক (প্রশাসন) ও তদন্ত কর্মকর্তা মো. আরিফুর রহমান মজুমদার বলেন, শিক্ষার্থীর অভিযোগের ভিত্তিতে মাদ্রাসা শিক্ষকের বিরুদ্ধে আনিতো অভিযোগের তথ্য প্রমান সংগ্রহ করি এবং অভিযুক্ত ও অভিযোগকারী দুই পক্ষের সাথেই কথা বলেছি।
এবিষয়ে মাদ্রাসা সুপার আবু জাফর নিজেকে নির্দোষ দাবী করে সকল অভিযোগ অস্বীকার করেন।
উল্লেখ্য, মাদ্রাসা সুপারের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে একাধিকবার তদন্ত শেষেও এখনো কোন ব্যবস্থা না নেয়ার কারণে মাদ্রাসার শিক্ষার পরিবেশ ও ন্যায্যতা প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে।
Leave a Reply