
এ হামিদ সরকার, নীলফামারী
নীলফামারী জেলার ডিমলা উপজেলায় ২৭-সেপ্টে/২৫ সড়ক দুর্ঘটনায় প্রখ্যাত আলেমে দ্বীন, শিক্ষাবিদ ও সমাজসেবক মাওলানা রফিকুল ইসলাম (সহ-সুপার, ছাতনাই বালাপাড়া বন্দর খরিবাড়ি দাখিল মাদ্রাসা) সকাল ১১-ঘঃ গায়বাড়ি ইস্কুল এন্ড কলেজের সামনে অবৈধ ট্রাক্টর বালুসহ মোটর সাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষ হলে তিনি গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা লোকজন দ্রুত এসে তাকে উদ্ধার করলে ও চিকিৎসা সেবার কোন সুযোগ হয় নি এমতাবস্থায় তিনি দুনিয়ার মায়া ত্যাগ করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)
মাওলানা রফিকুল ইসলাম উপজেলার খালিশা চাপানী ইউনিয়নের বুড়িরহাট এলাকার সন্তান। তার পিতা মরহুম আমিন উদ্দীন। জানা যায়,রফিকুল ইসলাম দীর্ঘ্য দিন ধরে ছাতনাই বালাপাড়া বন্দর খড়িবাড়ি দাখিল মাদ্রাসায় সহ- সুপার পদে নিয়োজিত থেকে নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। শিক্ষকতার পাশাপাশি তিনি সমাজে ন্যায়পরায়ণতা, শিক্ষার প্রসার এবং মানবকল্যাণে সক্রিয় ভূমিকা রেখেছিলেন।
শিক্ষাক্ষেত্রের বাইরেও তিনি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামি’র একজন নিবেদিত কর্মী ছিলেন। বর্তমানে তিনি ডিমলা উপজেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সেক্রেটারি হিসেবে দায়িত্ব পালন করে অাসছিলেন। ধর্মীয়, সামাজিক ও রাজনৈতিক অঙ্গনে তার অবদান অপ্রতুল।
মৃত্যুকালে তিনি তিন পুত্র, এক কন্যা, স্ত্রী সহ অসংখ্য আত্মীয়স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তার অকাল মৃত্যুতে পরিবার-পরিজন, সহকর্মী শিক্ষক, শিক্ষার্থীরা গভীর শোকাহত হয়ে পুরো ডিমলা উপজেলায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। উপজেলা র জামায়াতে ইসলামীর আমির অধ্যাপক মাওলানা মুজিবুর রহমান, নায়েবে আমির কাজী হাবিবুর রহমান ও উপজেলা সেক্রেটারি কাজী রোকনুজ্জামান (বকুল) তার দুনিয়াবী বিবৃতিতে বলেন,
মাওলানা রফিকুল ইসলাম ছিলেন সংগঠনের জন্য নিবেদিত ও ত্যাগী কর্মী। তিনি শিক্ষকতা, সমাজসেবা ও সংগঠনের প্রতিটি কাজে আন্তরিকভাবে সম্পৃক্ত ছিলেন। তার মৃত্যুতে আমরা এক মহানুভব ব্যক্তিত্বকে হারালাম।
এছাড়া জেলা জামায়াতে র আমির অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুস সাত্তার ও জেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি মনিরুজ্জামান জুয়েল বলেন
মওলানা রফিকুল ইসলাম ছিলেন সংগঠনের সু-পুরুষ। তার জীবন ছিল সততা, অধ্যবসায় ও উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। তার মতো একজন নিষ্ঠাবান মানুষকে হারানো আমাদের জন্য অপূরণীয় ক্ষতি সাধন হয়েছে ।।
Leave a Reply