
মোঃ মামুন হোসাইন।স্টাফ রিপোর্টার
পটুয়াখালী জেলার গলাচিপা উপজেলার গোলখালী ইউনিয়নের নলুয়া বাগি ৯নং ওয়ার্ড সংলগ্ন এলাকায় সরকারি কালভার্ট থাকায় কৃষকের অভিযোগ রাস্তার উপর দিয়ে যে,কালভার্ট আছে সেখান থেকে খালের পানি উঠে তাদের ফসলি জমির বীজ নষ্ট হয়ে যায়।তাছাড়া ঐখালের পানি শুধু উঠতে পারে কিন্তু নামার কোন উপায় নেই, পানির কারনে তাদের বসত ঘর বাড়ি গুলো জলাবদ্ধতায় আটকে যায় এবং তারা দুর্ভোগের শিকার হয়ে কষ্টে তাদের দিন যাপন করতে হয় বলে জানান এলাকার কৃষকরা। তাই এই কালভার্ট নিয়ে এলাকাবাসীর মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ বিরাজ করছে।
সরেজমিনে গেলে এলাকার স্থানীয় কয়েকজন বয়স্ক বৃদ্বা বাসিন্দা অভিযোগ করে বলেন যে,আজ থেকে প্রায়১৯৮৯ কি ১৯৯০ সালে এই কালভার্ট করা হয়েছিল,তাও এখানে ছিল না, আরো ১০০ ফুট দুরে দক্ষিণে ছিল,তাও শুধু রাস্তার ভিতর দিয়ে একটা পাইপ বসানো ছিল,এরপর যখন এই কালভার্ট পাশ হয়ে আসে তখন ফিরোজ মৃধার রেকর্ডীয় সম্পত্তির উপর এই কালভার্ট করা হয়েছিল সেই ১৯৯০ সালে।
তবে এখন এই কালভার্ট তাদের ভোগান্তির স্বীকার কারন চারিদিকে এখন অনেক বসত ঘর বাড়ি উঠায়,খাল থেকে কালভার্টের ভিতর দিয়ে যে পানি আসে তা বের হবার মতো কোন উপায় নেই। তাই স্থানীয় ইউপি সদস্য মোঃ শহিদুল প্যাদা এবং এলাকাবাসীর সবার সহযোগিতায়
আমরা ভিতর থেকে এই কালভার্টের এক পাশে কিছুটা বন্ধ করে দেই ।

তবে আমরা এখন শুনতে পেলাম স্থানীয় কিছু কুচক্রী মহলের সাথে ফিরোজ মৃধার জমি জমা নিয়ে অনেক আগে থেকে মামলা ও বিরোধ থাকার কারনে,তারা নাকি ফিরোজ মৃধার নামে মিথ্যা বদনাম ও নিউজ ছরাচ্ছে,আমরা এলাকাবাসী এর তীব্র প্রতিবাদ জানাই ।
স্থানীয় জনপ্রতিনিধি-মেম্বার ও চেয়ারম্যানের সাক্ষাৎকার নিতে গেলে তারা ঐএকই কথা বলেন এবং তারা আরও বলেন যে এব্যপারে গলাচিপা উপজেলা নির্বাহী অফিসার অবগত হয়েছেন,এবং আমাদের সরেজমিনে গিয়ে দেখার জন্য বলে দিয়েছেন, আমরা সেখানে গিয়ে দেখে এসেছি,ও তার কাছে রিপোর্ট দিয়েছি।
আসলে এই কালভার্টের বাঁধের বিষয়টি সম্পূর্ণ মিথ্যা ফিরোজ মৃধার নামে ছড়িয়ে অপ্রচার করেছে,আমরা জনপ্রতিনিধিরা ও এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।
এলাকাবাসীর দাবি,কালভার্টের ভিতর দিয়ে পানি চলাচল হলে,বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা তৈরি হবে এবং ভোগান্তি আরও বাড়বে।এলাকাবাসী দ্রুত এ বিষয়ে উপজেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন।
Leave a Reply