কাপাসিয়া (গাজীপুর) প্রতিনিধি:
গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলার টোক ইউনিয়নের বীর উজলী গ্রামে পূর্ব শত্রুতার জেরে একটি পরিবারের ওপর অতর্কিত হামলা ও রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে নজরুল ইসলাম (৫৫) ও তাঁর স্ত্রী-কন্যাসহ অন্তত তিনজন গুরুতর আহত হয়েছেন। বর্তমানে তাঁরা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
স্থানীয় ও ভুক্তভোগী সূত্রে জানা যায়, গতকাল মঙ্গলবার সকালে আনুমানিক এগারোটার দিকে বীর উজলী গ্রামের মৃত আ: রহমানের ছেলে মো: নজরুল ইসলামের পরিবারের ওপর একই এলাকার খাইরুল ইসলাম আপন (৩০) ও শুভর নেতৃত্বে ১০-১২ জনের একটি দল দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে হামলা চালায়। ১ নং বিবাদী খাইরুল ইসলাম আপন ও মাহিন লোহার রড দিয়ে নজরুল ইসলামের মাথায় সজোরে আঘাত করলে তাঁর মাথা ফেটে যায়। এছাড়া তাঁর ডান পায়ে পিটিয়ে গুরুতর জখম করা হয়। হামলায় নজরুল ইসলামের স্ত্রী হামিদা খাতুন এবং কন্যা রুনা আক্তারও (৩০) রেহাই পাননি।

তাঁদের শরীরের বিভিন্ন স্থানে রড দিয়ে পিটিয়ে রক্তাক্ত ও নীলাফুলা জখম করা হয়েছে। আহতদের উদ্ধার করে দ্রুত স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ভুক্তভোগী পরিবারটি জানায়, হামলাকারীরা বর্তমানে তাঁদের প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে, যার ফলে তাঁরা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। এ বিষয়ে প্রধান অভিযুক্ত খাইরুল ইসলাম আপন মুঠোফোনে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, ভুক্তভোগী নজরুল ইসলাম সম্পর্কে তাঁর মামা হন। পরিবারের সঙ্গে কথা কাটাকাটির জেরে এই মারপিটের ঘটনা ঘটেছে বলে তিনি স্বীকারোক্তি দেন।
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন নজরুল ইসলাম জানান, চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে তিনি সশরীরে থানায় উপস্থিত হয়ে মামলা দায়ের করবেন এবং আইনি প্রতিকার চাইবেন।