মোঃ ফেরদৌস মোল্লাহ্ পিরোজপুর জেলা প্রতিনিধি।
পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়ায় দুই সন্তানের এক জনকের শ্বশুরবাড়িতে বসে রহ'স্যজ'নক মৃ'ত্যুর খবর পাওয়া গেছে।
মঙ্গলবার (১৬ জুন) সকাল ১০টার দিকে জেলার ভাণ্ডারিয়া পৌরসভার কানুয়া গ্রামের শ্বশুরবাড়ি থেকে তার মৃ'তদে'হ উ'দ্ধার করে ভাণ্ডারিয়া থা'না পু'লিশ।
নি'হ'ত বাপ্পি উপজেলার ১ নং ভিটাবাড়িয়া ইউনিয়নের উত্তর শিয়ালকাঠী গ্রামের শহিদ হাওলাদারের ছেলে। সে আহাদ হাওলাদার মুরসালিন (৬) এবং মুসফিকা নামের
সাড়ে ৩ বছর বয়সের দুটি সন্তানের জনক। স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, নি'হ'ত বাপ্পির টিকটকার হাফিজা আক্তার মীম গার্মেন্টসের কাজের জন্য জর্ডানে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। কিন্তু স্বামী বাপ্পি ও তার পরিবার এতে রাজি ছিলেন না। অ'ভিযো'গ রয়েছে, বিদেশ যাওয়ার কাগজপত্র তৈরির অজুহাতে মীম প্রায়ই ঢাকায় যাতায়াত করতেন এবং বিভিন্ন হোটেলে অবস্থান করতেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যকার দ্বন্দ্ব চর'ম প'র্যায়ে পৌঁ'ছায়।
গত ১৪ জুন মীম ঢাকা থেকে কানুয়ায় তার বাবার বাড়িতে ফিরে আসেন এবং মোবাইল ফোনে স্বামী বাপ্পিকে সেখানে ডেকে নেন।
নি'হতে'র স্ত্রী হাফিজা আক্তার মীম জানান, গতকাল ১৫ জুন (সোমবার) দিবাগত রাতে খাবার শেষ করে তাদের মধ্যে বরাবরের মতোই কথাকা'টাকা'টি হয়। এরপর রাত ১টার দিকে তারা ঘুমিয়ে পড়েন। রাত ২টার দিকে মীমের ঘুম ভাঙলে তিনি স্বামী বাপ্পিকে খাটে না দেখে খুঁজতে শুরু করেন। একপর্যায়ে ঘরের আড়ার সাথে ওড়না পেঁ'চানো অবস্থায় বাপ্পিকে ঝু'লতে দেখতে পেয়ে তিনি একাই ওড়না কে'টে বাপ্পির দে'হ নিচে নামিয়ে খাটে রাখেন এবং পরে বাপ্পির পরিবারকে খবর দেন। তবে বাপ্পির মা রুবী বেগম এই ঘটনাকে পরি'কল্পি'ত হ'ত্যাকা'ণ্ডবলে দাবি করেছেন।
ভাণ্ডারিয়া থা'নার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদ'ন্ত) রত্নেশ্বর কুমার মন্ডল জানান, মৃ'তদে'হ উ'দ্ধার করে ময়'নাতদ'ন্তের জন্য পিরোজপুর জেলা হাসপাতাল ম'র্গে প্রেরণের করা হয়েছে । পরবর্তীতে পো'স্টম'র্টেম রিপোর্ট এবং তদন্ত সাপেক্ষে আ'ইনগ'ত ব্য'বস্থা গ্র'হণ করা হবে।