মোঃ মামুন হোসাইন।স্টাফ রিপোর্টার
বরগুনা জেলার আমতলী উপজেলার হাজির হাট গ্রামের গাজী বাড়ি এলাকায় একটি পাকা ঘর নির্মাণে চাঁদা দিতে অস্বীকার করায় সঙ্ঘবদ্ধ আক্রমণ করে ও বসত ঘর লুটপাটের অভিযোগে থানায় মামলা।
ঘটনাটি ঘটে আমতলী উপজেলার শাখারিয়া, হাজির হাট গ্রামের গাজী বাড়ি এলাকায় -ঘটনা উল্লেখ করে আমতলী বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলি আদালতে, মোসাঃ নুরজাহান (৬১) স্বামী মোঃ এলাচ খলিফা বাদী হয়ে ১৯ জনের নাম উল্লেখ সহ অজ্ঞাত আরও ৪/৫ জনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন,যার মামলা নং ১০৩৯/২০২৬ ইং আমতলী।
তালিকায় উল্লেখিত আসামিরা হলেন ১. মোঃ আল-আমিন (২৪) ২. মোঃ জামাল গাজী (৫০) ৩.মোঃ শানু গাজী (৪৮) ৪. মোঃ আনোয়ার গাজী (৩৮) ৫.দেলোয়ার গাজী (৪২) ৬. রফিক গাজী (৪৮) ৭.শহিদুল গাজী (৩০) ৮. লাল গাজী (৫৫) ৯. আলমগীর খলিফা (৪৯) ১০. ছিদ্দিক গাজী (২৮) ১১. কালাম গাজী (৫৫) ১২.হাবিব গাজী (৪৫) ১৩. হানিফ গাজী (৫০) ১৪.রেজাউল গাজী (২৮) ১৫. রাজ্জাক গাজী (৩৪) ১৬. ছোরাব গাজী (৩০) ১৭.ফারুক মোল্লা (৫০) ১৮. ফারুক গাজী (৫০) ১৯. হেমেলা (৪০) সহ অজ্ঞাত আরো ৪/৫ জন উল্লেখ করে মামলা দায়ের করা হয়।
সূত্র জানায় নুরজাহানের ছেলেরা পাকাবাড়ি নির্মাণ কাজ শুরু করলে উল্লেখিত আসামিগন নুরজাহানের কাছে ৩ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করেন, তিনি চাঁদা দিতে অস্বীকার করেন। এরই ধারাবাহিকতায় গত ২১ শে এপ্রিল ২০২৬ ইং রোজ মঙ্গলবার আনুমানিক সকাল ১১ ঘটিকার সময় উল্লেখিত আসামিগন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র সহ ভুক্তভোগীর বাড়িতে অনুপ্রবেশ করিয়া বাক-বিতণ্ডায় জরিয়ে পরে একপর্যায়ে বেধড়ক মারধর শুরু করলে মারামারি চরম পর্যায়ে পৌঁছায় অতঃপর দায়ের কোপে ভুলবসত আসামি গনের নিজস্ব লোকের হাতে লাগে, এতে প্রচুর পরিমাণ রক্তক্ষরণ হলে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি নিহত হয়েছেন বলে জানা যায়।
এতে উভয় পক্ষ মামলা করেছেন বলে জানা যায়। তবে এসময় ভুক্তভোগী পরিবার দাবি করেন উল্লেখিত আসামিরা ভুক্তভোগী পরিবারের বসত ঘর কুপিয়ে, তাদের ঘরে থাকা নগদ টাকা সহ স্বর্ণালংকার, হাঁস,মুরগি,গরু,ছাগল সব কিছু লুট করে নেয়ার কথা জানায়।
সর্বমোট ২১ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা মূল্যের মালামাল, নগদ অর্থ লুট করার বিবরণী উল্লেখপূর্বক নালিশী দরখাস্ত করেন এবং এর সুবিচার পাওয়ার জন্য দাবি করেন ভুক্তভোগী পরিবার।