সৈয়দ মুনিরুল হক নোবেল:
কেন্দ্র ঘোষিত ৭ দফা দাবি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে জামালপুরে জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করেছে বাংলাদেশ দলিল লেখক সমিতি জামালপুর জেলা শাখা।
মঙ্গলবার সকালে সারাদেশের সঙ্গে একযোগে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে বাংলাদেশ দলিল লেখক সমিতি জামালপুর জেলা শাখার সভাপতি ও বাংলাদেশ দলিল লেখক সমিতি কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম মহাসচিব আলহাজ্ব মো. আরজু আকন্দ ও সাধারণ সম্পাদক মো. হানিফ উদ্দিনের নেতৃত্বে জেলা প্রশাসক বরাবর এ স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ দলিল লেখক সমিতি জামালপুর জেলা শাখার সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. আলী আকবর, সহ-সভাপতি মো. ফারুক হোসেন ও মো. ফজলুর রহমান, সহ-সাধারণ সম্পাদক মো. আনোয়ার কাউসার, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. বজলুর রহমান, জামালপুর সদর উপজেলা শাখার সভাপতি মো. মওদুদ আহম্মেদ মধু ও সাধারণ সম্পাদক মো. মোহন আকন্দসহ জেলার বিভিন্ন উপজেলা শাখার সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকবৃন্দ।
স্মারকলিপি প্রদান কর্মসূচিতে জামালপুর সিটি প্রেস ক্লাবের সভাপতি সৈয়দ মুনিরুল হক নোবেল, জামালপুর জেলা প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি ফজলে এলাহী মাকামসহ প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় কর্মরত সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
দলিল লেখক সমিতি সূত্রে জানা যায়, তাদের কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষিত ৭ দফা দাবির মধ্যে রয়েছে—
১. দলিল রেজিস্ট্রেশন পদ্ধতি আধুনিকায়নের নামে দলিল লেখকদের পেশাচ্যুত করা যাবে না।
২. প্রতি দলিলে দলিল লেখকদের সম্মানি ভাতা ৫ হাজার টাকা বাস্তবায়ন করতে হবে।
৩. লাইসেন্সপ্রাপ্ত দলিল লেখক ছাড়া অন্য কেউ দলিল মুসাবিদা করতে পারবেন না এবং দলিল রেজিস্ট্রেশনের জন্য দাখিল দিতে পারবেন না—এ মর্মে প্রজ্ঞাপন জারি করতে হবে।
৪. থানা, জেলা ও কেন্দ্রীয় কমিটির সুপারিশ ছাড়া অনভিজ্ঞদের দলিল লেখার লাইসেন্স প্রদান করা যাবে না—এ মর্মে প্রজ্ঞাপন জারি করতে হবে।
৫. থানা ও জেলা কার্যালয়ে সরকারি খরচে দলিল লেখকদের বসার স্থান ও নামাজের স্থান নির্মাণ করে দিতে হবে।
৬. পক্ষগণের সরবরাহকৃত কাগজপত্রের ভিত্তিতে দলিল লেখা হয় বিধায়, পেশাগত কারণে দলিল লেখক বা মুসাবিদাকারীকে আসামি করা যাবে না।
৭. দলিল লেখক কাউন্সিল গঠনের অনুমতি দিতে হবে।
দলিল লেখক সমিতির নেতৃবৃন্দ বলেন, দীর্ঘদিন ধরে দলিল লেখকরা তাদের পেশাগত বিভিন্ন সমস্যা ও দাবি নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে আসছেন। কেন্দ্র ঘোষিত ৭ দফা দাবি বাস্তবায়ন হলে দলিল লেখকদের পেশাগত নিরাপত্তা নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি ভূমি নিবন্ধন কার্যক্রম আরও সুশৃঙ্খল ও গতিশীল হবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।
তারা অবিলম্বে দাবিগুলো বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর উদ্যোগ কামনা করেন।