সৈয়দ মুনিরুল হক নোবেলঃ
জামালপুর সিংহজানী এলএসডি (গ্রেড-১) এর সংরক্ষণ ও চলাচল কর্মকর্তা ইসরাত আহমেদ পাপেলকে নিয়ে পরিকল্পিতভাবে মিথ্যাচার, বিভ্রান্তিকর তথ্য ও গুজব ছড়ানোর অভিযোগ উঠেছে একটি স্বার্থান্বেষী মহলের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় খাদ্যগুদামের কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ জেলার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। সংশ্লিষ্ট মহল এসব অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে অনৈতিক প্রস্তাব ও অযৌক্তিক চাপের কাছে নতি স্বীকার না করায় একটি সুবিধাভোগী ও স্বার্থান্বেষী মহল সিংহজানী এলএসডি(গ্রেড-১) এর সংরক্ষণ ও চলাচল কর্মকর্তা ইসরাত আহমেদ পাপেলের বিরুদ্ধে নানা ধরনের অপপ্রচার শুরু করেছে বলে অভিযোগ রয়েছে। উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তার ব্যক্তিগত ও পেশাগত ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার পাশাপাশি তাকে চাপে রেখে নিজেদের স্বার্থ হাসিলের চেষ্টা করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।
অভিযোগ রয়েছে, ওই মহলটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ বিভিন্ন মাধ্যমে বিভ্রান্তিকর ও অসত্য তথ্য প্রচার করছে। পাশাপাশি কিছু অসাধু ব্যক্তি ও তথাকথিত সংবাদকর্মীকে ব্যবহার করে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারণা চালানোরও অভিযোগ করা হয়েছে।
এ ধরনের মিথ্যাচার ও অপপ্রচারের ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন ইশরাত আহমেদ পাপেল। একই সঙ্গে জামালপুর সিংহজানী এলএাডি ( গ্রেড-১) এর অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও এ অপপ্রচারকে ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করে এর প্রতিবাদ জানিয়েছেন।
তাদের বক্তব্য, একজন সরকারি কর্মকর্তা দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে সততা, নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্ব বজায় রেখে কাজ করলে অনেক সময় অসাধু ও সুবিধাভোগী মহলের স্বার্থে আঘাত লাগে। আর সেই স্বার্থে আঘাত লাগলেই সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে হেয়প্রতিপন্ন করতে নানা ধরনের অপপ্রচার ও বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করা হয়। আমাদের ইসরাত স্যারের ক্ষেত্রেও তাই ঘটেছে।
জামালপুরের সচেতন মহল মনে করছে, কোনো ব্যক্তি বা সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে তা যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে সুনির্দিষ্ট তথ্য-প্রমাণসহ উপস্থাপন করা উচিত। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম কিংবা অন্য কোনো প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে যাচাই-বাছাই ছাড়া মিথ্যা, বিভ্রান্তিকর ও মানহানিকর তথ্য প্রচার কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।
সচেতন মহলের দাবি, ইসরাত আহমেদ পাপেলকে নিয়ে ছড়ানো অভিযোগ ও অপপ্রচারের বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে যাচাই করা হোক এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে কোনো সরকারি কর্মকর্তার সম্মানহানি করা হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।
এদিকে, এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন মহলে প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে। কর্মকর্তা-কর্মচারী ও সুধীজনরা দ্রুত এসব মিথ্যাচার ও গুজব বন্ধের আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, সত্যকে আড়াল করে অপপ্রচারের মাধ্যমে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের সুনাম ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টা কোন অবস্থাতেই গ্রহণযোগ্য নয়।