এ হামিদ সরকার (নিলফামারী) জেলা প্রতিনিধিঃ
নিলফামারী জেলার জলঢাকা উপজেলার কৈমারী এলাকার বাসিন্দা বিয়ের এক মাস পূর্ণ হওয়ার আগেই স্ত্রী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে ব্ল্যাকমেইল করে টাকা নেওয়া এবং কাবিনের টাকা আদায়ের জন্য মামলা দেওয়ার অভিযোগ করেছেন জলঢাকার এক ব্যক্তি।
অভিযোগকারী জানান, সম্প্রতি পারিবারিকভাবে শাহনাজ বেগমের সঙ্গে তার বিয়ে হয়। শাহনাজ বেগমের বাবার বাড়ি জলঢাকা উপজেলার কৈমারী ইউনিয়নের বড়ঘাট, চ্যাংমারির কাছে ১ নম্বর নারিশ কোম্পানির রোড চৌরাস্তা এলাকায় বলে তিনি জানান।
অভিযোগকারীর দাবি, বিয়ের পর তার স্ত্রী সঙ্গে সংসার করার কথা বলে বিভিন্ন সময়ে তার কাছ থেকে টাকা নেন। এ সময় তাদের মধ্যে কোনো পারিবারিক বা ব্যক্তিগত বিরোধ ছিল না বলেও দাবি করেন তিনি।
তবে বিয়ের প্রায় এক মাসের মধ্যেই স্ত্রী শাহনাজ বেগম জলঢাকা থানায় তার বিরুদ্ধে কাবিন-সংক্রান্ত মামলা করেছেন বলে অভিযোগ করেন ওই ব্যক্তি। একইসঙ্গে তার শ্বশুর আহিদুল ইসলাম, শাশুড়ি নুরজাহান বেগম টুললি এবং শ্যালক নুরুজ্জামানের বিরুদ্ধে তার কাছ থেকে ১২ লাখ টাকা মোহরানা আদায়ের জন্য চাপ দেওয়ার অভিযোগও করেন তিনি।
অভিযোগকারী বলেন, “আমি তাকে তালাক দেওয়ার জন্য বিয়ে করিনি। সংসার করার উদ্দেশ্যেই বিয়ে করেছি। কিন্তু এখন আমার কাছে ১২ লাখ টাকা দাবি করা হচ্ছে এবং সম্পর্ক রাখবে না বলে জানানো হচ্ছে।”
তিনি আরও অভিযোগ করেন, কোনো পারিবারিক কলহ ছাড়াই তাকে আইনি ও আর্থিক জটিলতার মধ্যে ফেলার চেষ্টা করা হচ্ছে। এ ঘটনায় নিজের পাশাপাশি পরিবারের অন্য সদস্যরাও হয়রানি ও আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কায় রয়েছেন বলে জানান তিনি।
অভিযোগকারী এ ধরনের ঘটনাকে ‘কাবিনের টাকা আদায়ের ব্যবসা’ হিসেবে উল্লেখ করে তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং দোষী দের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
একইসঙ্গে তিনি নিজের ও পরিবারের সদস্যদের আইনি ও আর্থিক জটিলতা থেকে রক্ষা পেতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা কামনা করেছেন।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে শাহনাজ বেগম ও তার পরিবারের সদস্যদের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। অভিযোগ গুলোর সত্যতা যাচাই এবং মামলার নথি ও সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর বক্তব্যের ভিত্তিতেই প্রকৃত ঘটনা নিশ্চিত হওয়া সম্ভব।।