1. nwes@w3speace.net : ASIF : ASIF
  2. azahar@gmail.com : azhar395 :
  3. admin@gazipursangbad.com : eleas271614 :
  4. wordpUser4@org.com : GuaUserWa4 :
রবিবার, ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:০৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
পোস্টাল ভোটিং এ ব্যালট বক্স প্রস্তুত ও লক কার্যক্রম সম্পন্ন: চট্টগ্রাম রিটার্নিং কর্মকর্তা-গাজীপুর সংবাদ  একাত্তরের জন্য ক্ষমা না চেয়ে জামায়াত ভোট চায় কীভাবে—প্রশ্ন মির্জা ফখরুলের-গাজীপুর সংবাদ  হিন্দুদের নিরাপত্তায় আমিই হবো প্রথম শহীদ: ঠাকুরগাঁওয়ে নির্বাচনী প্রচারণায়- মির্জা ফখরুল-গাজীপুর সংবাদ  পালানোর আগে আড়াই কোটি টাকার খাবার বিল বাকী শেখ হাসিনার : পরিশোধে নারাজ অন্তবর্তী কালীন সরকার-গাজীপুর সংবাদ  ৯ বছর কারাভোগেও দল ছাড়িনি আসলাম চৌধুরী: উঠান বৈঠক ও মিছিল-গাজীপুর সংবাদ  তাহিরপুরে ধানের শীষের প্রার্থীর পক্ষে গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ করেন সালমা নজির-গাজীপুর সংবাদ  Migliori casino online non aams per un’esperienza di gioco immersiva ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করতে তাহিরপুরের প্রতিটি ইউনিয়নে গণজোয়ারের মিছিল-গাজীপুর সংবাদ  রাণীশংকৈলে ব্যাপক সরিষার আবাদ; হলুদে মোড়া গোটা উপজেলা, স্বপ্ন বুনছেন কৃষকেরা-গাজীপুর সংবাদ  গজারিয়ায় উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিবসহ ২২ নেতাকর্মী’র পদত্যাগ-গাজীপুর সংবাদ 

পালানোর আগে আড়াই কোটি টাকার খাবার বিল বাকী শেখ হাসিনার : পরিশোধে নারাজ অন্তবর্তী কালীন সরকার-গাজীপুর সংবাদ 

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেটের সময় : শনিবার, ৩১ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ১০ টাইম ভিউ

নিজস্ব প্রতিবেদক

জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনার বিগত আমলের নানা কর্মকাণ্ডে কারণে হয়েছে শীর্ষ সমালোচিত। পালানোর আগে আড়াই কোটি টাকার খাবার বিল বাকী ক্ষমতা আছে তো শেখ হাসিনার। বকেয়া আদায়ে অনিশ্চয়তায় বাকী বিলের দায় নিতে রাজি নয় অন্তবর্তী কালীন সরকার।

দেশ থেকে পালিয়ে যাওয়া আওয়ামী নেত্রী ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারি কার্যালয় ও বাসভবন গণভবনে খাবার সরবরাহ বাবদ প্রায় আড়াই কোটি টাকার বকেয়া পাচ্ছে না সরকারি প্রতিষ্ঠান হোটেল অবকাশ। বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারও এই বকেয়ার দায় নিচ্ছে না। ফলে বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের (বাপক) এ বকেয়া আদায় নিয়ে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা।

জানা যায়, সাবেক প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও বাসভবনে চাহিদা অনুযায়ী নিয়মিত খাবার সরবরাহ করত হোটেল অবকাশ। এ বিষয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে চুক্তিও ছিল। সেই চুক্তির আওতায় খাবার সরবরাহ করা হলেও বিল আংশিক পরিশোধ হতো, কিছু বকেয়া থেকে যেত। ২০২৪ সালের আগস্টে ছাত্র–জনতার অভ্যুত্থানের পর শেখ হাসিনা সরকার ক্ষমতাচ্যুত হলে ওই বকেয়া বিল আর পায়নি প্রতিষ্ঠানটি। বকেয়া আদায়ে কয়েক দফা প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে চিঠি দিলেও গত দেড় বছরে কোনো অর্থ পায়নি হোটেল অবকাশ।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে পর্যটন করপোরেশনের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, বকেয়া আদায়ের জন্য প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে একাধিকবার চিঠি দেওয়া হয়েছে। তবে বর্তমান সরকার বিগত সরকারের বকেয়া পরিশোধে অপারগতা প্রকাশ করছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সাবেক প্রধানমন্ত্রীর মতো বর্তমান প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় ও বাসভবনেও চাহিদা অনুযায়ী খাবার সরবরাহ করছে হোটেল অবকাশ। এ খাতে প্রায় ৩৫ লাখ টাকার বকেয়া রয়েছে।

প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের প্রশাসন বিভাগের মহাপরিচালক মোহাম্মদ আব্দুল ওয়াদুদ চৌধুরী বলেন, “বিষয়টি নিয়ে পর্যটন করপোরেশন বা হোটেল অবকাশের সঙ্গে কথা বললে ভালো হয়। আমরা সবসময় এ ধরনের বিল পরিশোধ করি। হয়ত কিছু রানিং (চলমান) বিল বাকি আছে। এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া।” পর্যটন করপোরেশনের চিঠিতে বলা হয়েছে, ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনা সরকার এবং বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের সময়কালে খাবার সরবরাহ বাবদ মোট অপরিশোধিত পাওনা প্রায় ২ কোটি ৮৯ লাখ ২০ হাজার টাকা। এর মধ্যে সাবেক প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের বিল ছিল প্রায় ২ কোটি ৫৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা। ২০২৪ সালের আগস্ট থেকে ২০২৫ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় ও বাসভবন যমুনায় প্রায় ৩৪ লাখ ৭৩ হাজার টাকার খাবার ও সামগ্রী সরবরাহ করা হয়েছে। এসব বিল দাখিল করা হলেও অর্থ পরিশোধ হয়নি।

বকেয়া থাকার পরও ২০২৫ সালে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের সঙ্গে নতুন করে চুক্তি করেছে বাপক। চুক্তি অনুযায়ী আগস্ট থেকে এক বছরের জন্য প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় ও বাসভবন যমুনায় আপ্যায়ন ও রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে খাবার সরবরাহ করছে হোটেল অবকাশ। চুক্তিপত্র অনুযায়ী, হোটেল অবকাশ ৪৬০ ধরনের খাবার ও সামগ্রী সরবরাহ করে। এর মধ্যে রয়েছে ড্রাইকেক, বেকারি বিস্কুট, কমলা, মান্দারিন কমলা, জামরুল, লটকন, আমড়া, কাঁচা ছানা, চমচম, রসমালাই, দই, লাড্ডু, রসগোল্লা, বাকলাভা, বিভিন্ন মসলা, ঘি ও ডালসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য।

হোটেল অবকাশের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, প্রতিবছরই চুক্তি নবায়ন হয়। সাবেক প্রধানমন্ত্রীর সময় ১৭৩ ধরনের খাবার সরবরাহ করা হতো, বর্তমানে প্রধান উপদেষ্টার জন্য ৪৬০টি আইটেম নির্ধারিত মূল্যে সরবরাহ করা হচ্ছে। এসব সরবরাহে নিজেদের তহবিলের অর্থ ব্যয় করতে হয়। তিন মাস পরপর বিল জমা দেওয়া হয়, এরপর ধাপে ধাপে বকেয়া পরিশোধ করা হয়।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
© All rights reserved © 2025
Developer By insafIT.com.bd
https://writingbachelorthesis.com