1. azahar@gmail.com : azhar395 :
  2. admin@gazipursangbad.com : eleas271614 :
বৃহস্পতিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১০:২৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
দিনাজপুরে ৭ কোটি ৫৯ লক্ষ ৩৬ হাজার টাকার অবৈধ্য মাদক ধ্বংস-গাজীপুর সংবাদ  রাণীশংকৈলে মহান ২১ শে ফেব্রুয়ারি পালন-গাজীপুর সংবাদ  বড়লেখায় একুশে ফেব্রুয়ারি উপলক্ষে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে জাগরণী ইসলামী তরুণ সংঘ-গাজীপুর সংবাদ  বড়লেখায় গ্লোরিয়াস কিন্ডারগার্টেনে একুশে ফেব্রুয়ারি উপলক্ষে শহীদদের স্মরণে শ্রদ্ধা নিবেদন-গাজীপুর সংবাদ  গজারিয়া জেনেসিস কিন্ডারগার্টেন বার্ষিক প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত-গাজীপুর সংবাদ  গজারিয়া ভাষা শহীদদের স্মরণে আওয়ামী লীগের দোয়া ও আলোচনা সভা-গাজীপুর সংবাদ  বড়লেখায় কুতুবআলী একাডেমিতে একুশে ফেব্রুয়ারি উপলক্ষে র‌্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত-গাজীপুর সংবাদ  শ্রীপুরের মাওনা চৌরাস্তায় (বিডিএস) উদ্যোগে বিনামুল্যে রক্তের গ্রুপ নির্নয়।-গাজীপুর সংবাদ  একুশে ফেব্রুয়ারী আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে দনারাম উচ্চ বিদ্যালয় প্রভাতফেরী ও আলোচনা সভা-গাজীপুর সংবাদ  সিলেটে ভাষা শহীদদের প্রতি বিএমএসএস’র শ্রদ্ধা নিবেদন-গাজীপুর সংবাদ 

সিলেটের গোয়াইনঘাট আটকসীমান্তে লাইনম্যান শ্যামকালা, আল আমিন ও দেলোয়ার হোসেন লনি,সিন্ডিকেটের ইশারায় বেপরোয়া হয়ে উঠেছে চোরাকারবারীরা-গাজীপুর সংবাদ 

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেটের সময় : সোমবার, ২৯ জানুয়ারী, ২০২৪
  • ৩৪ টাইম ভিউ

মোঃ নিজাম উদ্দিন,সিলেট থেকে ক্রাইম প্রতিবেদন:

সিলেটের গোয়াইনঘাট সীমান্তে লাইনম্যান শ্যাম কালা আল আমিন ও দেলোয়ার হোসেন লনি,সিন্ডিকেটের ইশারায় বেপরোয়া হয়ে উঠেছে চোরাকারবারীরা । তাদের ইশারায় যেমন ভারতীয় চোরাই পণ্যের চোরাচালান ব্যবসা অব্যাহত রয়েছে,তেমনি চলমান রয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দমন ও প্রতিরোধ অভিযান। ঘনঘন অভিযান সত্ত্বেও বন্ধ হচ্ছে না চোরাচালান ব্যবসা ।

দিন দিন এ সিন্ডিকেট যেন আরো শক্তিশালী হয়ে উঠছে।

স্থানীয় বিশ্বস্ত সূত্রমতে সিলেটের সীমান্তবর্তী, এলাকায় রয়েছে চোরাকারবারীদের পৃথক পৃথক সিন্ডিকেট চক্র। এগুলোর মধ্যে চোরাকারবারীদের সবচেয়ে শক্তিশালী তথ্যসিন্ডিকেট সিলেটের গোয়াইনঘাট থানা এলাকায়। চোরাচালানীদের এ সব সিন্ডিকেট চক্রের সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন কতিপয় নামধারী টুকাই হলুদ সাংবাদিক । আরো রয়েছে রাজনৈতিক দলের পাতি নেতা, পুলিশের সোর্স ও থানার দালাল গন । প্রশাসনের গতি বিধি নজর দারি করতে এদের পিছনে রয়েছে আরেকটি বাহিনী । এরা সবসময় প্রশাসনের গতি বিধির তথ্য সময়মত চোরাকারবারীদের দিয়ে থাকেন ।

আর এ সব কারণেই চোরাচালান বিরোধী অভিযানে কাঙ্খিত ফলাফল পাচ্ছে না আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। তাইতো গোয়াইনঘাট উজেলার বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে ভারতীয় চোরাই পণ্য স্থল পথে আসছে তবে এসব পণ্য মাঝেমধ্যে ধরা পড়ে পুলিশের হাতে। এ সিন্ডিকেট চক্রের সহযোগিতায় চোরাকারবারীরা বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে ভারতীয় চোরাইপণ্য আমদানী করে গোয়াইনঘাট ও রাধানগর বাজারে নিরাপদে জমা করে। অতপর গাড়ি বোঝাই করে তা সিলেট শহর
সহ অন্যত্র পাচার করে। এই উপজেলা অতিক্রম করতে চোরাকারবারিরা সাহায্য নেয় তাদের নিয়োজিত তথ্যসিন্ডিকেটের ।

অভিযোগ রয়েছে,সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার ১১নং মধ্য জাফলং ইউনিয়নের সিড়ির ঘাট,হাজীপুর,লামা পুঞ্জি,প্রতাপপুর বিজিবি ক্যাম্প, এর সামনের রাস্তা, লামাপুঞ্জি,নকশিয়া পুঞ্জি,জিরো পয়েন্ট,কাটারি রাস্তা ও জাফলং চা বাগান হয়ে মধ্য জাফলং ইউনিয়ন ও পার্শবর্তী ইউনিয়নের প্রায় ২২টি চোরাই পথ । এ সকল পথে আসছে ভারতীয় পণ্য মাদক, দ্রব্য,চিনি, চা পাতা,পান , সুপারি, আলু, টমেটো,পিঁয়াজ,জিরা, গুঁড়া মসলা,কসমেটিকস, কিট, স্মার্ট মোবাইল ফোন, গাজা, ইয়াবা, ফ্রেন্সিডিল, ও অস্ত্র থাকার সম্ভাবনাও রয়েছে। রয়েছে
বিভিন্ন ব্রান্ডের শাড়ি থ্রিপিস লেহেঙ্গা ইত্যাদি । বাংলাদেশ থেকে যাচ্ছে পচা সুপারি ও স্বর্ণের ভাড় সহ বিভিন্ন ধরণের আসবাবপত্র। চোরাই পথে আসা এসকল পণ্যের সরকারি কোন বৈধতা না থাকলেও স্থানীয় থানাপুলিশ নিজেদের সোর্স ও স্থানীয় সরকারদলীয় জনবল নিয়োগ দিয়ে চোরাইপথে আসা ভারতীয় পণ্যের উপর দৈনিক লক্ষ লক্ষ টাকা আদায় করছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে ।

স্থানীয় সুত্র মতে ডিবি পুলিশের লাইনম্যান শ্যামকালা ও আল আমিন, ও দেলোয়ার হোসেন লনি,বর্তমানে থানাপুলিশের নাম করে ভারতীয় চোরাচালান থেকে দৈনিক লক্ষ্য লক্ষ্য টাকা চাঁদা আদায় করার বিষয়টি শিকার করেছেন,। এবং বলেছেন তার সাথে আরও অনেক লোক রয়েছে। ভারতীয় চোরাচালান থেকে স্থানীয় পুলিশ ও জেলা ডিবি পুলিশের নামে চাঁদা আদায় করে আসছি।শুধু আমরা তিনজনের নামে নিউজ করে লাভ কি! নিউজ করতে হলে, যাঁরা আমাদের লাইন দিয়েছেন তাঁদের বিরুদ্ধেও লিখুন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আরেক ব্যক্তি জানান, জেলা ডিবি পুলিশের লাইনম্যান পশ্চিম জাফলং ইউনিয়নের হাতিরখাল গ্ৰামের শ্যামকালা ও গোয়াইনঘাট সদর ইউনিয়ন এলাকার হুয়াউরা গ্ৰামের আল আমিন ও পশ্চিম জাফলং ইউনিয়নের দক্ষিণ প্রতাপপুর গ্ৰামের দেলোয়ার হোসেন লনি, ডিবি ও থানা পুলিশের লাইনম্যান,শ্যামকালা, আল আমিন, ও দেলোয়ার হোসেন লনি, স্থানীয় সরকারের রাজনীতির সাথে জড়িত থাকার সুবাদে প্রশাসনের সাথে তাদের রয়েছে ভালো সম্পর্ক ।
পুলিশের নামে দৈনিক লক্ষ লক্ষ টাকা প্রকাশ্যে চাঁদা আদায় করেও দিনের বেলায় তারাএলাকায় দাপটের সাথে ঘুরে বেড়ায় ।

জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে ডিবি উত্তর জোনের নামে ভারতীয় চোরাচালান থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা চাঁদাবাজি করে আসছিলো ওরা ।

সম্প্রতিক সময়ে গোয়াইনঘাটে অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসে থলের বিড়াল।
জানা যায়, জেলা ডিবি পুলিশের সঙ্গে সমঝোতা করে পরে গোয়াইনঘাট থানাপুলিশের সাথে সমঝোতা হলে
চোরাকারবারীদের নিকট থেকে চাঁদা আদায়ে মাঠে নামেন তারা । এসকল অপরাধের সাথে সরাসরি সম্পৃক্ততা থাকার পর একাধিক সংবাদ প্রকাশ হলেও টনক নড়ছে না তাদের । জেলা ডিবি পুলিশ ও স্থানীয় থানাপুলিশ কিংবা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ রয়েছেন নিরব ভূমিকায়।

চোরাচালান বিষয়ে জানতে সিলেট জেলা গোয়েন্দা শাখার উওর জোনের ডিবির ওসির মোঠুফোনে যোগাযোগ করা হলে ফোন রিসিভ না করায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

চোরাচালান ও পুলিশের নামে উপরোক্ত ব্যক্তিদের চাঁদাবাজির বিষয়ে গোয়াইনঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করা হলে এই বিষয়ে বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করলে তিনি এ প্রতিনিধিকে বলেন আমি থানায় নতুন এসছি একথা বলে কৌশলে এড়িয়ে যান ।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
© All rights reserved © 2023
Developer By Zorex Zira

Design & Developed BY: ServerSold.com

https://writingbachelorthesis.com