
নিজস্ব প্রতিবেদক :
মাদক,চাঁদাবাজি মামলা সহ ১২ মামলার আসামি পেলো পিআইডি কার্ড, এ নিয়ে পেশাদার সাংবাদিক সহ সাধারণ জনমনে ক্ষোভ।
বাকেরগঞ্জ পৌরসভার বাসিন্দা ইয়াবা লিমন ওরফে খোটবাজ সাংবাদিক লিমন। বাকেরগঞ্জ পৌরসভার ৩ নং ওয়ার্ডের শাহাদত খলিফার ছেলে দানিসুর রহমান ওরফে ইয়াবা লিমন নামে পরিচিত এই পিআইডি কার্ডদ্বারী। জানা যায় দীর্ঘ ১৭ বছর আওয়ামী সরকার ক্ষমতার সময় নিজেকে যুবলীগের নেতা দাবী করেন এবং আলোকিত বাকেরগঞ্জ নামে একটি অনলাইন প্রোট্রাল চালিয়ে নিজেকে এলাকায় সাংবাদিক পরিচয় দেন।
এই হলুদ সাংবাদিকতা পরিচয়ে এলাকায় মাদক সম্রাট নামে নিজেকে পরিচিত লাভ করে। সম্প্রতি সময় আওয়ামীলীগ সরকারের সময় যুবলীগ নেতা দাবী করে দক্ষিনভঙ্গের সব যায়গায় মাদক চালান সরবরাহ করতেন এই লিমন। দানিসুর রহমান লিমন পটুয়াখালী পুলিশের হাতে ১৮০ পিচ ইয়াবা সহ গ্রেপ্তার হন। যাহার মামলা নং ৫০১/১৬ অত্র মামলায় বেশ কয়েক মাস জেলহাজতে থাকেন।
এর পরবর্তী সময়ে একাধিক চাঁদাবাজি, চুরি সহ ১২ টি মামলার আসামি হয়। মামলা নাম্বার হলো,জিআর,সিআর,নং ( ৪৩/১৫) (২১/১২) (২৫/১২)( ২৯/১৯) (২৪/১০) (১৮/১০) (৯৭/১৯)(৭৩/০৯)(২৯২/০৮)সহ এই মামলায় বিভিন্ন সময় জেলহাজতে থাকেন।
আওয়ামীলীগ সরকারের ফ্যাসিবাদী সময়ে নিজেকে যুবলীগ নেতা দাবি করে নেতাদের সাথে ছবি তুলে এলাকায় বহু অন্যায় করেছেন।
৫ আগস্ট ২০২৪ জুলাই আন্দোলনের পর এই দোসর নিজেকে সেইব করার জন্য এনসিপি নেতা পরিচয় দেন,এরপর আবার বিএনপি নেতা দাবি করলে। আবার অনকে সময় জামায়াত নেতা দাবি করে।
বাকেরগঞ্জের বিএনপির নেতারা দলের আদর্শ ও ইমেজ নষ্ট হবে বলে,বিএনপির দলীয় পর্যায়ে কোন নেতারা তাকে কোন যায়গায় চান্স দেননি।
এরপর থেকে ইয়াবা লিমন নিজের দোষ ও পুলিশের হাত থেকে বাচার লড়াইয়ে অন্য পথ খুজলেন।
জানা যায় টাকা পয়সা ঘুষ দিয়ে একটা পত্রিকার বাকেরগঞ্জ প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করেন।
জনমনে প্রশ্ন বাকেরগঞ্জর সাংবাদিক সচিবালয়ে কাজ কি তার? এমন প্রশ্নে বেসে ওঠে থলের বিড়াল জানা যায়,ইয়াবা ব্যবসায়ী লিমন পিআইডি কার্ড পাওয়ার এলাকার মানুষের কাছ থেকে টিওবয়েল ও রাস্তাঘাট সচিবালয় থেকে পাশ করিয়ে দিবে বলে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেন।
গারুড়িয়া ইউনিয়নের কালাম, ফাতেমা,জয়নাল তারা জানায় তাদের কাছ থেকে টিওবয়েল দেবার কথা বলে টাকা নেন।
জানা যায় চোরে চোরে হালি, একচোরে বিয়ে করে অন্য চোরের শালি,কবাই ইউনিয়নের পেয়ারপুর বাজার সংলগ্ন জহিরুল হক তুহিন নামের এক লোকোর সাথে সক্ষতা গড়ে পিআইডি কার্ড নেন লিমন। জানা যায় সে কার্ডটি নেওয়া হয়েছে অনিবন্ধদিত একটি ভুয়া অনলাইন পেইজের নাম থেকে।
জহিরুল হক তুহিনের যোগসাজশে ভুয়া অনলাইন প্রোট্রাল এর নাম দিয়ে প্রেস ইনফরমেশন ডিপার্টমেন্ড এর অনুমিত কার্ড পান কিভাবে।
এই প্রতারক দল পিআইডি কার্ড পাওয়ার পর নির্বাচিত সরকারের সদ্য মন্ত্রীদের অফিসে ঘুরে ঘুড়ে ফুলের শুভেচ্ছা জানায়। জানা যায় একদিনে ৫ মন্ত্রী কে ফুলের শুভাচ্ছা জানান।
এবং সচিবালয় মন্ত্রীদের পাশে গা গেশিয়ে ছবি তুলে এলাকায় জানান দেন।
এই মাদক ব্যবসায়ী ও খদ্দর দলের ব্যাপারে অনুসন্ধান করে জানা যায় জহিরুল হক তুহিনের এলাকা থেকে টকা পয়সা হাতিয়ে নেওয়ার জন্য মাদক মামলার আসামী লিমন কে Nan নামে একটা ভুয়া অনলাইন প্রোট্রালের কাগজপত্র জমা দিয়ে পিআইডি থেকে ৯০৪০ সিরিয়ালে একটি কার্ড সংগ্রহ করে এই চক্ররা।
তথ্য গোপন রেখে ভুয়া অনলাইন দিয়ে একজন ইয়াবা মামলার আসামী কিভাবে পিআইডি কার্ড পান। এই বলে সচেতন মহল ও পেশাদার সাংবাদিকরা ফুশলে উঠেন। পেশাদার সাংবাদিকরা জানান আমরা দেশের প্রথম সাড়ির পত্রিকায় কাজ করা সত্ত্বেও পিআইডি কার্ডের জন্য বছরের পর বছর ঘুরতে হয়। কিন্তু একজন ইয়াবা ব্যবসায়ী কিভাবে ভুয়া অনলাইন দিয়ে পিআইডি কার্ড নেয়।
পেশাদার সাংবাদিকদের দাবি পিআইডি প্রধান তথ্য কর্মকর্তা তদন্ত করে এই স্বার্থসিদ্ধ মাদক মামলার আসামীর পিআইডি কার্ড বাতিলের জন্য জোর ব্যবস্হা নিবেন বলে আশা রাখেন।
Leave a Reply