
সেলিম মাহবুব,ছাতক,
ছাতক উপজেলার জাউয়াবাজার ইউনিয়নের পাইগাঁও এবং চরমহল্লা ইউনিয়নের জালালীচর গ্রামবাসীর মধ্যে দফায়-দফায় সংঘর্ষ হয়েছে। প্রায় ঘন্টাব্যাপী সংঘর্ষে দুই গ্রামের অর্ধশতাধিক লোকসহ পথচারী ও সালিশকারী আহত হয়েছেন।
থানা পুলিশ ও জাউয়াবাজার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে এলাকার গণ্যমান্য লোকজন নিয়ে সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম হন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে ৩ রাউন্ড টিয়ার সেল নিক্ষেপ করা হয়েছে বলে জানান, অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কামাল হোসেন (পিপিএম)।
পুলিশ ও এলাকা সুত্রে জানা গেছে, গত মঙ্গলবার চরমহল্লা ইউনিয়নের নানকার গ্রামের মাঠে পাইগাঁও ও জালালীচর গ্রামের মধ্যকার ফুটবল খেলা নিয়ে মাঠে কথা কাটাকাটিও হাতাহাতি ঘটনা ঘটে। এ নিয়ে দূইগ্রামের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজমান ছিল। ঐ রাতেই উভয় পক্ষের লোকজন উপস্থিত হয়ে স্থানীয় মুরব্বিদের মাধ্যমে সাংঘর্ষিক এই পরিস্থিতির বিষয়টি আপোষ মীমাংসা করা হয়।
আজ বুধবার ওই বিষয়কে কেন্দ্র করে আবারো দূই গ্রামের মধ্যে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। এক পর্যায়ে উভয় গ্রামের লোক জন সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। দেশীয় অস্ত্র – সস্র ও ইঠ পাটকেল ব্যবহার করেছে উভয় গ্রামের লোকজন।এ সংঘর্ষের ঘটনায় অর্ধশতাধিক লোক আহত হয়েছে।
ছাতক সার্কেলের এএসপি, ছাতক থানার অফিসার্স ইনচার্জ (ওসি), জাউয়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ ও এলাকার জনগণকে সাথে নিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন।

জাউয়াবাজার-ছাতক সড়কের রাঙ্গা ডিঙ্গা নামকস্থানে উভয় গ্রামবাসীর সংঘর্ষে আহত সোনা মিয়া(৪৫), আশাকাছর, তারেক(১৬) কাইল্যারচর, মিজান(২২), তালহা(১৭), আল আমিন(৩৫), নুর হোসেন(৪০) আশক আলী (৪৫) সানোয়ার (২৪), বকুল(২৬), রাজু (২১), আনহার আলী (৩৭), নুরুল হোসেন(৫২), নাইম(১৭), আব্দুল কাদির(২৩), মিনহাজ(১৮), ইমন(১৮), মারজান(১৯), ছালিক মিয়া(৩১), সাজ্জাদুল ইসলাম (২৯), জুনাইদ(২১), মোহাম্মদ আলী(৪০), রামিজ(১৬), রিপন(২৬), ইমামুল হোসেন(২২), হাবিবুর রহমান(২৬) ছালিক মিয়া(৩৫), জাফর মিয়া(২৮), সাইফুর রহমান(২৮), হানিফ(৩০), একলাছ উদ্দিন(৪৫), মাহমুদ আলী(৪২), আজমীর(৩০), মানিক মিয়া(২৬), আলমগীর(৩০), আইয়ুব আলী(৩৫), হেলাল উদ্দিন(৩৫) সহ অর্ধশতাধিক লোক সিলেট, ছাতক ও কৈতক হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন।
এলাকার পরিস্থিতি বর্তমানে শান্ত রয়েছে বলে জানিয়েছেন, ছাতক থানার অফিসার ইনচার্জ কামাল হোসেন (পিপিএম)।
Leave a Reply