1. nwes@w3speace.net : ASIF : ASIF
  2. azahar@gmail.com : azhar395 :
  3. admin@gazipursangbad.com : eleas271614 :
  4. wordpUser4@org.com : GuaUserWa4 :
মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬, ১১:২১ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
গোবিন্দগঞ্জ-সৈদেরগাঁও ইউনিয়নে সহকারী শিক্ষক সমিতির নতুন কমিটি গঠন-গাজীপুর সংবাদ  কৃষকদের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর সহায়তা বিতরণ-গাজীপুর সংবাদ  ছাতকে দুইশত ইয়াবা ট্যাবলেট সহ এক মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার-গাজীপুর সংবাদ  ছাতকে উত্তর খুরমা ইউনিয়নে সহকারী শিক্ষক সমিতির নতুন কমিটি গঠন-গাজীপুর সংবাদ  পবিত্র ঈদুল আষহা র, শুভেচছা জানিয়েছেন ফেঞ্চুগঞ্জের কৃতি সন্তান মোয়াজ্জেম হোসেন সাহেদ-গাজীপুর সংবাদ Beef Casino Review Max 125% up to C$900 + 600 Free Spins *সরকারের রাজস্ব ক্ষতি ২ কোটি টাকা* সুনামগঞ্জে সুরমা নদীতে বালু উত্তোলন-গাজীপুর সংবাদ  সুনামগঞ্জে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম’র ১২৭ তম জন্মবার্ষিকী পালন-গাজীপুর সংবাদ  ছাতকে পিকআপ-সিএনজির মুখোমুখি সংঘর্ষ চালকসহ দুই জন আহত-গাজীপুর সংবাদ  WinPlace Casino: Your Personal Entrance to Top-Tier Online Gaming Distinction

অরবিন্দু ও শাহনাজ-রিনা সিন্ডিকেটের হাতেই ওসমানী হাসপাতালের সকল অপকর্মের নিয়ন্ত্রন-গাজীপুর সংবাদ 

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেটের সময় : মঙ্গলবার, ২৯ এপ্রিল, ২০২৫
  • ৩২১ টাইম ভিউ

বিশেষ প্রতিনিধিঃ

সিলেটের প্রায় কোটি মানুষের সরকারি চিকিৎসা কেন্দ্র সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল। এখানে প্রতিদিন আটশত শয্যার বিপরীতে চিকিৎসা দেওয়া হয় প্রায় ৩ হাজার মানুষকে। বিগত ২০১৫ সাল থেকে এ হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগী ও তাদের স্বজনরা জিম্মি হয়ে আছেন হাসপাতালে কিছু কর্মচারী ও একটি নার্স সিন্ডিকেটের কাছে। এই কয়েকজনের সিন্ডিকেট এতো প্রভাবশালী যে রোগী কিংবা রোগীর স্বজন থেকে শুরু করে হাসপাতালের ডাক্তাররা তাদের কাছে অসহায়। কারো কাছে অভিযোগ দিয়েও মিলেনা প্রতিকার। কারণ হাসপাতালের প্রশাসন এই সিন্ডিকেটের কাছে জিম্মি। দীর্ঘদিন পর গত বছরের ৫ আগষ্ট সেখ হাসিনা সরকার পতন হলে দূর্নীতিবাজ অনেক নার্স, কর্মচারী কয়েকদিন হাসপাতালে আসা বন্ধ করে গাঁ ডাকা দেয়। সে সময় সচেতন মহল মনে করে ছিলেন এবার হয়তো হাসপাতালের ভোগান্তি, দূর্নীতি, অনিয়ম, ওষুধ চুরি, সিট বাণিজ্য, কিছুটা হলেও কমে আসবে। কারণ এর কয়েকদিন আগেই দুদুকের একটি মামলায় হাসপাতালের এই সিন্ডিকেটের অধিপতি নার্স ইসরাইল আলী সাদেক কারাগারে চলে যান। কিন্তু তার তৈরী ডালপালা ছিলো ঠিকই স্বপদে বহাল। এখন এই সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রন করছেন বির্তকৃত নার্স অরবিন্দু দাস, তার কথিত প্রেমিকা শাহনাজ, সেবা তত্ত¡াবধায়ক রিনা বেগম, উপসেবা তত্ত¡াবধায়ক ফেরদৌসি বেগম সহ আরো কয়েকজন। নার্স অরবিন্দু দাস ও শাহনাজ বেগম, রিনা বেগম, ফেরদৌসি বেগম পালাতক সিসিক মেয়র আনোয়ারুজ্জামান বলয়ের হাসপাতাল শাখার নেতাকর্মী কর্মী। কিন্তু সরকারের পঠ পরিবর্তন হওয়ার সাথে-সাথে বিগত দিনের এসব সুবিধা ভোগীরা নিজেদের রাজনৈতিক লেবাস বদলের পায়তারা শুরু করে। আড়াল থেকে এই সিন্ডিকেটটিকে সব রকম সহযোগিতা করছেন হাসপাতালের অপরাধ সম্রারাজ্যর অধিপতি ইসরাইল আলী সাদেক ও এক প্রশাসনিক কর্মকর্তা। পুরো সাদেক সম্রারাজ্যের নিয়ন্ত্রন এখন বির্তকৃত স্টাফ নার্স অরবিন্দু চন্দ্র দাস ও ভারপ্রাপ্ত হোস্টেল সুপার নার্স শাহনাজসহ কয়েকজনের হাতে। এই কয়েকজনের কাছেই হাসপাতালের প্রায় ৮শত নার্স, আউট সোসিং কোম্পানি ২৫০ জন কর্মী একরকম জিম্মি অবস্থায় দায়িত্ব পালন করছেন। এই চক্রের বিরুদ্ধে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হলে কর্তৃপক্ষ লোক দেখানো একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে। কিন্তু সেই তদন্ত কমিটির রির্পোট আর কখনো আলোর মুখ দেখেনা। ফলে তদন্ত চলাকালেই এদের শাস্তির বদলে সুবিধাজনক জায়গায় পোস্টিং করা হয়। সরেজমিন হাসপাতাল ঘুরে দেখা গেছে, ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুরো নার্সিং সিষ্টেমটাই এখন নার্স অরবিন্দু তার কথিত প্রেমিকা শাহনাজ বেগম, মেট্টোন রিনা বেগম ও ফেরদৌসী চক্রের হাতে। যার জন্য হাসপাতালের স্বাস্থ্য সেবা দিন দিন বিপর্যস্ত হয়ে পড়ছে। ফলে পরিচালকের শত কষ্ট এখন বিফলতায় রুপ নিচ্ছে। নার্স অরবিন্দুর বিভিন্ন অনিয়ম, দূর্নীতির বিরুদ্ধে গত বছরের ২৪ নভেম্বর একটি তদন্ত কমিটি গঠিত হয়। তদন্তের জন্য সিলেট নার্সিং কলেজের অধ্যক্ষ কুলসুমাকে ৩ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিল করতে নির্দেশদেন কলেজ অব নার্সিং শেরেবাংলা নগর ঢাকার অধ্যক্ষ শাহীনূর বেগম। তিনি পরিচালক (শিক্ষা ও শৃংখলা) অতিরিক্ত দায়িত্ব নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তর। যাহার স্বারক নং ৪৫.০৩.০০০০.০০৭.২৭.৪৭২.২৪.৩২১, তাং ২৪/১১/২০২৪ ইং। কিন্তু সেই তদন্ত রির্পোট আজও দাখিল হয় সংশ্লিষ্ট দপ্তরে। কারণ অরবিন্দু দাস টাকা দিয়ে সেই রির্পোটটি গায়েব করে দিয়েছেন। অরবিন্দু চন্দ্র দাস সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের একজন স্টাফ নার্স (ব্রাদার) মাত্র। কিন্তু বিগত আওয়ামীলীগ সরকারের শাসন আমলে তার ক্ষমতার দাপটে তিনিও তার সহযোগী ইসরাইল আলী সাদেক হয়ে উঠেছিলেন অপ্রতিরোধ্য এক ক্ষমতাধর। তাদের সহযোগী ছিলেন নার্স শাহনাজ বেগম ও সেবা তত্ত্বাবধায়ক রিনা বেগম। এক কথায় তাদের নের্তৃত্বেই হাসপাতালে চলতো নার্সদের পদন্নোতি, বদলী, রোস্টার বাণিজ্য, এ্যাম্বুলেন্স বাণিজ্য, হাসপাতালের অভ্যন্তরে অবৈধ স্ট্যান্ড বাণিজ্য, হাসপাতালের স্টোরের সরকারি ঔষধ বাণিজ্য। ইসরাইল আলী সাদেককে সামনে রেখে সব কাজ করে নিতেন নার্স অরবিন্দু, শাহনাজ, রিনা বেগম। তাদের অপকর্মের দলনেতা ব্রাদার ইসরাইল আলী সাদেক কারাগারে গেলে, সেই সিন্ডিকেটের হাল ধরেন নার্স অরবিন্দু দাস, নার্স শাহনাজ বেগম, মেট্টোন রিনা বেগম, সহকারী মেট্টোন ফেরদৌসী বেগম। তবে সাদেক গ্রেফতার হলে নার্স অরবিন্দু দাস কিছুদিন নিজে গা-ঢাকা দেন। তখন এই সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রনের দায়িত্ব পান অরবিন্দু দাসের কথিত প্রেমিকা নার্স শাহনাজ বেগম ও সেবা তত্বাবধায়ন রিনা বেগম ও সহকারী সেবা তত্ত্ববধায়ক ফেরদোসী বেগম। পরিস্তিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলে অরবিন্দু দাস হাসপাতালে হাজির হয়ে সাদেক সিন্ডিকেট নিজেই নিয়ন্ত্রন করতে শুরু করেন। সিন্ডিকেট ধরে রাখার জন্য কথিত প্রেমিকা শাহনাজ বেগমকে ভারপ্রাপ্ত হোস্টেল সুপারের দায়িত্ব দেন অরবিন্দুগংরা।শতাধিক নার্স জানান, ওসমানী হাসপাতালে এখন ইসরাইল আলী সাদেক সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ করছেন (ব্রাদার) নার্স অরবিন্দু দাস ও নার্স শাহনাজ বেগম, রিনা বেগম। অরবিন্দুকে এমন অবস্থানে ধরে রাখতে নেপথ্যে কাজ করছেন হাসপাতালটির সেবা তত্ত¡াবধায়ক রিনা বেগম ও সহকারীর সেবা তত্ত্বাবধায়ক ফেরদৌসী বেগম ও হাসপাতালের এক প্রশাসনিক কর্মকর্তা। হাসপাতালে রিনা বেগম আরেক দূর্নীতিবাজ কর্মকর্তা। তিনি হাসপাতালের সেবা তত্ত্বাবধায়ক পদে কর্মরত। হাসপাতাল থেকে কোন নার্সকে কোথায়ও ট্রেনিংয়ে পাঠাতে হলে রিনা বেগমই তাদের মনোনয়ন করে থাকেন। তবে সেই নার্স অরবিন্দু আর শাহনাজের পছন্দের হতে হবে। গত কয়েক মাস আগে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ১৬ নার্সের বিরুদ্ধে কর্মস্থলে অনুপস্থিত থেকেও নিয়মিত বেতন-ভাতা উত্তোলন করার সত্যতা পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন-দুদক। পরে এই ১৬ নার্সকে বেতন ভাতার সকল টাকা রাষ্ট্রি কোষাগারে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেয় কর্তৃপক্ষ। দুদক সিলেটের উপ-পরিচালক রাফী মো.নাজমুস সাদাত জানান তদন্তকালে সব ধরনের সহযোগিতা করেন সিলেট এম.এ.জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ওমর রাশেদ মুনীর।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
© All rights reserved © 2025
Developer By insafIT.com.bd
https://writingbachelorthesis.com