1. nwes@w3speace.net : ASIF : ASIF
  2. azahar@gmail.com : azhar395 :
  3. admin@gazipursangbad.com : eleas271614 :
  4. wordpUser4@org.com : GuaUserWa4 :
বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬, ০৯:০৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
ছাতকে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক সংকটের কারণে, শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত-গাজীপুর সংবাদ  নিচে তথ্যগুলোকে আরও পরিপাটি, পেশাদার ও সংবাদপত্রের ভাষায় সাজানো হলো— Writing জামালপুরে আওয়ামী লীগ নেতার চেম্বারে অভিযানে অস্ত্র, গুলি, ককটেল ও বিদেশি মদ উদ্ধার-গাজীপুর সংবাদ  ঠাকুরগাঁওয়ে ম্যানেজারের চেয়ারে বসে নিজেকে ‘সিইও’ দাবি, ব্যাংকে চাঞ্চল্য-গাজীপুর সংবাদ  জামালপুর পৌর এলাকায় একটি গরু-ছাগলের হাটের অভাবে জনদুর্ভোগ চরমে-গাজীপুর সংবাদ  Odds em destaque: como otimizar suas apostas em Noruega vs Inglaterra ১৪ হাজার কোটি টাকা প্রকল্পে সমন্বয়হীনতা অনিয়ম __ পানিতে ভাসছে চট্টগ্রাম, চরম দুর্ভোগ জনজীবন বিপর্যস্ত-গাজীপুর সংবাদ  Proven strategies for betting on the Spain vs Belgium winner in 2026 ছাতকে জমি জোর দখলের অভিযোগ ইউএনও বরাবর লিখিত আবেদন-গাজীপুর সংবাদ  Unlock secure payments and fast withdrawals at Longfu88 Casino Singapore Slot-Spiele im PawnBet Casino: Top-Titel und hohe Jackpots warten auf Sie

আজ ৬ ডিসেম্বর ছাতক মুক্ত দিবস-গাজীপুর সংবাদ 

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেটের সময় : শনিবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ১১৭ টাইম ভিউ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

১৯৭১ সালের এ দিনে ছাতক শহর শত্রুমুক্ত হয়েছিল। মুক্তিবাহিনীর তীব্র প্রতিরোধের মুখে ওই দিন পাক-হানাদার বাহিনী পিছু হটে ছাতক ছাড়তে বাধ্য হলে হানাদার মুক্ত হয় ছাতক। মুক্তিযোদ্ধাদের দৃঢ মনোবল ও সাহসিকতার কাছে পরাস্থ হয়ে পাক-হানাদার বাহিনী পিছু হটে ঝাওয়া ব্রীজ ও গোবিন্দগঞ্জ এলাকায় চলে গেলে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করে ছাতক শহরকে হানাদার মুক্ত ঘোষণা করেন মুক্তিযোদ্ধারা।

ছাতকের সিমেন্ট কারখানা ও নোয়ারাই এলাকা ছিল পাকসেনাদের দখলে। ১৯৭১ সালে নভেম্বরের প্রথমদিকে নোয়ারাই এলাকায় পাকবাহিনীর সাথে তুমুল যুদ্ধ হয় মুক্তিযোদ্ধাসহ যৌথ বাহিনীর।

যৌথবাহিনীর তীব্র প্রতিরোধের মুখে পিছু হটে পাকসেনারা। এসময় মুক্তিযোদ্ধাদের দখলে চলে আসে নোয়ারাই এলাকা। তবে বেশী সময় নোয়ারাই এলাকায় অবস্থান করতে পারেনি মুক্তিযোদ্ধারা। রণ কৌশলগত কারণে তখন মুক্তিযোদ্ধারা পিছু হঠে। এ সময় পাকবাহিনী ও মুক্তিযোদ্ধাদের তুমুল যুদ্ধে নোয়ারাই গ্রামের অন্তত ৩০ জন মানুষ হতাহত হন।

মুক্তিযুদ্ধের ৫নং (বাঁশতলা) সেক্টর হেডকোয়ার্টারের নেতৃত্বে পরিচালিত যুদ্ধে ডিসেম্বর মাসের প্রথম থেকেই বিজয়ের সু-বাতাস বইতে শুরু হয়। ৫ ডিসেম্বর ছাতকের সুরমা নদীর উত্তর পার জয়নগর এলাকায় মুক্তিযোদ্ধারা শক্তিশালী অবস্থান নেয়।

এ সময় পাক-হানাদার বাহিনীর অবস্থান ছিল নোয়ারাই ও ছাতক সিমেন্ট কারখানা এলাকায়। বিনা প্রতিরোধে ৬ ডিসেম্বর রাত এগারো টার দিকে ছাতক শহর ছেড়ে ঝাওয়া ব্রীজ এলাকায় অবস্থান নেয় হানাদার বাহিনী।

ছাতক-সিলেট সড়কের ঝাওয়া ব্রীজ এলাকায় অবস্থান নিয়ে কিছুটা প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয় পাক-বাহিনী। পরে ঝাওয়া ব্রীজ থেকে গোবিন্দগঞ্জ এলাকায় অন্যান্য পিছু হটা হানাদার বাহিনীর সাথে যোগ দেয় তারা।

ওই দিন বিকেলে মুক্তিবাহিনীর সমর্থনে ভারতীয় মিত্র বাহিনী ছাতক সিমেন্ট কারখানার সুরমা নদীর পারে অবস্থান নেয়। হানাদার মুক্ত হয় ছাতক।

প্রতি বছর ৬ ডিসেম্বর ছাতক মুক্ত দিবস আনুষ্ঠানিকভাবে পালন করে আসছে ছাতক উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ।

উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের উদ্যোগে আজ ছাতক মুক্ত দিবস উপলক্ষে র‌্যালী, আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
© All rights reserved © 2025
Developer By insafIT.com.bd
https://writingbachelorthesis.com