1. nwes@w3speace.net : ASIF : ASIF
  2. azahar@gmail.com : azhar395 :
  3. admin@gazipursangbad.com : eleas271614 :
  4. wordpUser4@org.com : GuaUserWa4 :
রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২৬, ০১:০২ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
গলাচিপায় দুস্থদের মাঝে আর্থিক সহায়তার চেক বিতরণ-গাজীপুর সংবাদ  ছাতকে ইয়াবাসহ ৩ জন, সাজাপ্রাপ্ত মামলায় ২ জন ও নিয়মিত মামলায় ২ জনসহ ৭ জন কে গ্রেফতার করেছে থানা পুলিশ-গাজীপুর সংবাদ  গজারিয়ায় মিথ্যা তথ্য দিয়ে সংবাদ প্রকাশের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন, জমি বিরোধ নিয়ে ভুক্তভোগীর বক্তব্য।-গাজীপুর সংবাদ  ছাতকে কেন্দ্রীয় শ্মশানঘাট কালী মন্দির পরিচালনা কমিটির পরিচিতি সভা-গাজীপুর সংবাদ  An honest look at Spinfin Casino: what makes it a top choice for UK গলাচিপায় সিসিটিভি ফুটেজ দেখে চোর শনাক্ত: মালামালসহ ‘পেশাদার চোর’ শাওন ঘরামী গ্রেপ্তার-গাজীপুর সংবাদ  জামালপুরে লাইসেন্সবিহীন বেসরকারি হাসপাতাল-ক্লিনিকের ছড়াছড়ি প্রশাসনের নিরবতায় জনমনে প্রশ্ন-গাজীপুর সংবাদ  Palpites para a Copa do Mundo 2026: tudo sobre as odds e dicas para Pronostic gagnant : analyse des cotes pour Brésil vs Norvège à la Coupe du গণমাধ্যম যতবেশি স্বাধীন ও শক্তিশালী হবে, গণতন্ত্রও তত বেশি সুদৃঢ় হবে- মির্জা ফখরুল-গাজীপুর সংবাদ 

একের পর এক বিতর্ক জন্ম দিচ্ছেন সেই তোফাজ্জল!-গাজীপুর সংবাদ 

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেটের সময় : বুধবার, ৩ জানুয়ারী, ২০২৪
  • ২৪৭ টাইম ভিউ

ঢাকা প্রতিনিধিঃ

বিতর্ক পিছু ছাড়ছে না ঢাকা-১৮ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী এস এম তোফাজ্জল হোসেনের। প্রতিদিন ঘটাচ্ছেন একের পর এক কাণ্ড কারকানা। যোগাচ্ছেন নেটিজেনদের হাস্যরসের খোরাক। তকমা পেয়েছেন ভারসাম্যহীন প্রার্থীর।

দক্ষিণখান ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান থাকা অবস্থায় নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির কারণে ছিলেন ব্যাপক আলোচিত সমালোচিত। ইউনিয়নটি ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনে যুক্ত হওয়ার পর নিজের ৪৮ নং ওয়ার্ডে কাউন্সিলর নির্বাচন করে তৃতীয় হন। ধর্ষণ মামলার আসামি সেই তোফাজ্জল হোসেনও এবার এমপি হওয়ার খায়েশ নিয়ে মাঠে নামলেও পাচ্ছেন না ভোটারদের মন।

এলাকার সাধারণ মানুষ তার এবং তার পরিবারের অত্যাচারে অতিষ্ঠ। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নামে নিজের পরিবারের সদস্যদের জমি দখল, বিচারের নামে অর্থ হাতিয়ে নেওয়া, ইউনিয়ন পরিষদের কার্যালয়ে টর্চার সেল ও জুয়ার আসর বসানোর অভিযোগসহ রয়েছে একাধিক অভিযোগ। বেসরকারি টেলিভিশন ৭১ টিভিতে প্রচারিত একটি অনুসন্ধান মূলক প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে।

ওই চ্যানেলে প্রচারিত প্রতিবেদন সূত্রে জানা যায়, এলাকায় জমি নিয়ে কোন বিরোধ হলেই তোফাজ্জল চেয়ারম্যানের লোকজন তাদেরকে নিয়ে আসতেন পরিষদে। সমাধান করে দিবেন বলে ঘুরাতেন মাসের পর মাস। প্রতি সপ্তাহের শনিবারে বসতো তার দরবার। বিচারের তারিখ পেলেও দরবারে বিচারের নামে চলত টর্চার। ভয় দেখিয়ে বাদি-বিবাদি উভয় পক্ষ থেকেই টাকাসহ জমিও কেড়ে নিতেন এই চেয়ারম্যান। তোফাজ্জল চেয়ারম্যান ক্ষমতায় থাকাকালীন সময় থেকেই দক্ষিণখানের রাস্তাঘাট রূপ নিয়েছে বড় বড় গর্ত আর খানাখন্দে। তার অবহেলায় মানুষের চলাচলের অযোগ্য ওখানকার রাস্তাঘাট।

তিনি চেয়ারম্যান থাকাকালে দক্ষিণখানে চলাচলকারী হাজারের উপর অটো থেকে মাসে ১৬০০ টাকা করে নিয়েছেন। আপন চাচাতো ভাই নাজিমুদ্দিনের ছেলে কুতুব উদ্দিনদের ৪৮ শতাংশ জমি দখল করে নিয়েছেন। এ বিষয়ে কুতুবুদ্দিন জানান, মোজাম্মেল হক শিক্ষা কমপ্লেক্স এর ভিতরে তাদের জমি ছিল। রাতের আধারে লোকজন নিয়ে তাদের জমিতে বাউন্ডারি করেন তোফাজ্জল। তারা প্রতিবাদ করায় তাদের উপরে হামলা ও নির্যাতন চালায়। মামলার ভয় ভীতি দেখায়। মসজিদের ইমামতির চাকরি থেকে বরখাস্ত করে। অন্যের জমির ভুয়া কাগজ তৈরি করে ব্যাংক থেকে লোন নেওয়ার অভিযোগও রয়েছে তোফাজ্জলের বিরুদ্ধে।

আক্কাস আলী ও আনার আলি নামের দুই ব্যক্তি তার এলাকায় বসবাসের জন্য জমি কিনেন। দশ বছর পর বাড়ি করার সময় ব্যাংকের লোক এসে হাজির হয়। তল্লাসী দিয়ে তারা জানতে পারেন তোফাজ্জল ও তার লোকেরা ভুয়া দলিল বানিয়ে সেই দলিল দিয়ে ব্যাংক থেকে ১৫ লাখ টাকা উঠিয়ে আত্মসাৎ করেন। ঈদগাহ মাঠ বড় করার জন্য বিনা নোটিশে বাড়ি ঘর ভেঙে পরের জমি দখল করেন তোফাজ্জল। বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মোতালিব বাধা দিল তাকে ক্ষতিপূরণের আশ্বাস দিলেও বছরের পর বছর ঘুরেও কোন ক্ষতিপূরণ পাননি এই বীর মুক্তিযোদ্ধা।

২০০৩ সালে উত্তরা থানায় তোফাজ্জলের বিরুদ্ধে মামলা করেন লিপি আক্তার। তার ইটের ভাটা থেকে ইট ও অন্যান্য মালামাল এনে প্রায় তিন কোটি টাকার মতো বাকি করে ফেলেন তোফাজ্জল। লিপি টাকা চাইলেই বিভিন্ন হুমকি ধামকির শিকার হন। মামলা করার অপরাধে লিপিকে ধর্ষণ করা হয়। লিপি বলেন, লম্পট তোফাজ্জল আমাকে ধর্ষণ করে এবং আমার শরীর কামড়ে ছিড়ে ফেলে। এক কাপড়ে স্বামী-স্ত্রী বাড়ি থেকে পালিয়ে হোটেলে আশ্রয় নিলেও তোফাজ্জল আমার স্বামীকে কোর্টে পাঠিয়ে সেখানে ধর্ষণ করে।

এদিকে, স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার জন্য জমা দেওয়া এক শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষর জাল থাকার অভিযোগে তোফাজ্জলের প্রার্থিতা বাতিল করে নির্বাচন কমিশন। পরবর্তীতে আপিলের মাধ্যমে প্রার্থিতা ফিরে পেয়ে প্রচার প্রচারণায় নামেন তিনি। প্রচার প্রচারণায় নামার পর থেকে প্রায় প্রতিদিনই নানান ধরনের বিতর্ক জন্ম দিচ্ছেন এক সময়ের দক্ষিণখান ইউনিয়নের বিতর্কিত চেয়ারম্যান তোফাজ্জল। কোনো দিন বহিরাগত ভোটারদের পাছায় লাথি দিয়ে এলাকা ছাড়ার ঘোষণা দিচ্ছেন আবার কোনো দিন মাদকাসক্ত অবস্থায় মঞ্চে দাঁড়িয়ে অসংলগ্ন কথাবার্তা বলছেন। এমনকি নির্বাচনের পরে বিরোধী পক্ষের লোকদের নির্যাতন করারও ঘোষণা দিয়েছেন তিনি। তার এরকম কয়েকটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। এমন কীর্তি কালাপের কারণে তোফাজ্জল হোসেনকে মানসিক ভারসাম্যহীন প্রার্থী বলে মনে করছেন নেটিজেনরা।

এই সমস্ত অভিযোগের বিষয়ে এস এম তোফাজ্জলকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি এসব বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। দাবি করেছেন সকল অভিযোগ মিথ্যা।্একর তোফাজ্জলও এবার এমপি হতে চান!

এস এম তোফাজ্জল হোসেন এক সময়ে ছিলেন দক্ষিণখান ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান। চেয়ারম্যান থাকা অবস্থায় নানা অনিয়মে ব্যাপক আলোচিত সমালোচিত। ইউনিয়নটি ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনে যুক্ত হওয়ার পর নিজের ৪৮ নং ওয়ার্ডে কাউন্সিলর নির্বাচন করে তৃতীয় হন। ধর্ষণ মামলার আসামি সেই তোফাজ্জল হোসেনও এখন এমপি হওয়ার আশা নিয়ে নেমেছেন মাঠে।

মূলতঃ একজন সাবেক চেয়ারম্যান তার নিজ ওয়ার্ডে কাউন্সিলর নির্বাচন করে ফেল করার নেপথ্যে রয়েছে বহুবিধ কারণ। এলাকার সাধারণ মানুষ তার অত্যাচারে অতিষ্ঠ। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নামে নিজের পরিবারের সদস্যদের জমি দখল, বিচারের নামে অর্থ হাতিয়ে নেওয়া, ইউনিয়ন পরিষদের কার্যালয়ে টর্চার সেল ও জুয়ার আসর বসানোর অভিযোগসহ রয়েছে একাধিক অভিযোগ। বেসরকারি টেলিভিশন ৭১ টিভিতে প্রচারিত একটি অনুসন্ধান মূলক প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে।

ওই চ্যানেলে প্রচারিত প্রতিবেদন সূত্রে জানা যায়, এলাকায় জমি নিয়ে কোন বিরোধ হলেই তোফাজ্জল চেয়ারম্যানের লোকজন তাদেরকে নিয়ে আসতেন পরিষদে। সমাধান করে দিবেন বলে ঘুরাতেন মাসের পর মাস। প্রতি সপ্তাহের শনিবারে বসতো তার দরবার। বিচারের তারিখ পেলেও দরবারে বিচারের নামে চলত টর্চার। ভয় দেখিয়ে বাদি-বিবাদি উভয় পক্ষ থেকেই টাকাসহ জমিও কেড়ে নিতেন এই চেয়ারম্যান। তোফাজ্জল চেয়ারম্যান ক্ষমতায় থাকাকালীন সময় থেকেই দক্ষিণখানের রাস্তাঘাট রূপ নিয়েছে বড় বড় গর্ত আর খানাখন্দে। তার অবহেলায় মানুষের চলাচলের অযোগ্য ওখানকার রাস্তাঘাট।

তিনি চেয়ারম্যান থাকাকালে দক্ষিণখানে চলাচলকারী হাজারের উপর অটো থেকে।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
© All rights reserved © 2025
Developer By insafIT.com.bd
https://writingbachelorthesis.com