1. nwes@w3speace.net : ASIF : ASIF
  2. azahar@gmail.com : azhar395 :
  3. admin@gazipursangbad.com : eleas271614 :
  4. wordpUser4@org.com : GuaUserWa4 :
বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬, ১২:২৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
গজারিয়া ইত্তেফাকের সংবাদদাতার শ্বশুর গরীব হোসেন সিকদারের ইন্তেকাল.-গাজীপুর সংবাদ  কাপাসিয়ায় যৌথবাহিনীর ঝটিকা অভিযান: বিদেশি মদ ও মোটরসাইকেলসহ তিন কারবারি আটক-গাজীপুর সংবাদ  ছাতক-দোয়ারাবাজারে মিলন-মিজান ভাই ভাই ধানের শীষের পক্ষে সবাই ঐক্যবদ্ধ-গাজীপুর সংবাদ গজারিয়া কর্তব্যরত গণমাধ্যম কর্মীদের সঙ্গে কামরুজ্জামান রতনের মতবিনিময়।-গাজীপুর সংবাদ  যাদুকাটা নদীতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন, ড্রেজার জব্দ-গাজীপুর সংবাদ  কাপাসিয়ায় সরিষা চাষে বাম্পার ফলন: বারি সরিষা-১৪ এর মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত-গাজীপুর সংবাদ  “সাংবাদিক নিজামের বিরুদ্ধে অপ্রপচার” প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ দায়ের-গাজীপুর সংবাদ  হাটহাজারীতে ট্রাকে মোটরসাইকেল আরোহী যুবকের মর্মান্তিক মৃত্যু-গাজীপুর সংবাদ  চসাস’র দেশবরেণ্য নেত্রী খালেদা জিয়ার স্মরণসভা:গণতন্ত্র গণধিকার দেশ রক্ষায় জীবন ঝুঁকিসত্ত্বেও আপসহীন খালেদা জিয়া-গাজীপুর সংবাদ  গজারিয়া নৈশ প্রহরীকে বেঁধে সংঘবদ্ধ ডাকাতি-গাজীপুর সংবাদ 

ঠাকুরগাঁওয়ে প্রচন্ড ঝড়বৃষ্টিতে ২০ গ্রাম লন্ডভন্ড ৩ জন নিহত-গাজীপুর সংবাদ 

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেটের সময় : শনিবার, ১ জুন, ২০২৪
  • ২১৯ টাইম ভিউ

হুমায়ুন কবির প্রতিনিধিঃ

ঠাকুরগাঁও জেলার বালিয়াডাঙ্গী উপজেলায় ১৫ মিনিটের ঝড়-বৃষ্টিতে ৩ জন নিহত হয়েছে। ঝড়ের কবলে দুই নারী ও বৃষ্টিতে জমে থাকা পানিতে ডুবে আড়াই বছরের এক শিশুর মৃত্যু হয়। শনিবার (১ জুন) ভোর ৫টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন, উপজেলার পাড়িয়া ইউনিয়নের শালডাঙ্গা গ্রামের পইনুল ইসলামের স্ত্রী ফরিদা বেগম, একই গ্রামের দবিরুল ইসলামের স্ত্রী জাহেদা বেগম এবং একই উপজেলার দুওসুও ইউনিয়নের লালাপুর নয়াপাড়া গ্রামের নাজমুল ইসলামের আড়াই বছরের ছেলে নাঈম। এদিকে ঝড়ে দুই ইউনিয়নের ২০টি গ্রাম লন্ডভন্ড হয়ে গেছে। কাঁচা বাড়িঘরের টিনের চালা উড়ে গেছে। গাছ ভেঙে পড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে শতাধিক পরিবার।

স্ত্রী হারা পইনুল ইসলাম বলেন, সকালে ফজরের নামাজ পড়তে গিয়ে মসজিদে থাকা অবস্থায় ঝড় শুরু হয়। বাড়িতে ছুটে এসে স্ত্রীকে খুঁজে না পেয়ে ডাকাডাকি শুরু করি। পরে ঝড়ে উড়ে এসে বারান্দায় পড়া টিন ও ছাউনি সরিয়ে দেখি নিচে চাপা পড়ে আছে স্ত্রী। এ সময় তাকে উদ্ধার করে বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
পাড়িয়া ইউনিয়নের গ্রাম পুলিশের দফাদার আজিজুর রহমান জানান, ঝড়ের সময় বারান্দায় বসে ছিলেন দবিরুল ইসলামের স্ত্রী জাহেদা। মেঘের গর্জন আর বজ্রপাতের ঝলকানিতে বারান্দায়ই মারা যান তিনি। দবিরুল ইসলাম জানান, তার স্ত্রী দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ ছিলেন। ঝড়ের সময় ভয়ে তিনি স্ট্রোক করেছেন বলে ধারণা করছেন তারা।লালাপুর নয়াপাড়া গ্রামের নাজমুল ইসলাম জানান, বাড়ির পাশে গর্তে বৃষ্টির পানি জমে ছিল। খেলতে গিয়ে শিশুটি পড়ে যায়। পরে পরিবারের লোকজনের নজরে এলে তাকে উদ্ধার করে। দুপুরে সরেজমিনে দেখা গেছে, ঝড়ে পাড়িয়া ইউনিয়নের তিলকড়া, শালডাঙ্গা,বঙ্গভিটা, লোহাড়া, বামুনিয়াসহ ১২টি গ্রাম, বড়বাড়ি ইউনিয়নের বেলহাড়া,বেলবাড়ী,বটের হাটসহ আটটি গ্রাম ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।বেশির ভাগ কাঁচা বাড়ির টিনের চালা উড়ে গেছে। গাছ ভেঙে পড়েছে ঘরের ওপর।বড়বাড়ী ইউনিয়নের আধারদীঘি বাজারে ৫টি দোকান ও দুটি হোটেলে গাছ ভেঙে পড়েছে। ঘরের টিন নষ্টসহ সার, কীটনাশক ও সিমেন্ট ব্যবসায়ীদের ৫ লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হয়েছে।আধাদীঘি বাজারের ব্যবসায়ী হাসান আলী জানান, বাজারে শতবর্ষী কিছু আমগাছ ছিল।
১৫ মিনিটের ঝড়ে সেই গাছের বড় ডাল ভেঙে পড়েছে দোকানের ওপর। এতে দোকানগুলোর ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।
প্রধান শিক্ষক ফজলুর রহমান জানান, ঝড়ে তাদের স্কুলের হল রুমের টিনের ছাউনি মাঠে এসে পড়েছে। বৈদ্যুতিক খুঁটির ওপর বিদ্যালয়টির প্রবেশ দ্বারে গাছ ভেঙে পড়েছে। এদিকে বড়বাড়ি ইউনিয়নের আধারদীঘি থেকে হরিণমারী যাওয়ার রাস্তায় গাছ ভেঙে পড়ে যান চলাচল বন্ধ আছে। কয়েকজনকে গাছ কেটে সরিয়ে রাস্তা স্বাভাবিক করতে দেখা গেছে। এছাড়া ঘটনার পর থেকে এলাকাগুলোতে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেছে। পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির বালিয়াডাঙ্গী জোনাল অফিসের সহকারী মহাব্যবস্থাপক কামরুল ইসলাম জানান, ঝড়ে ৪০টিরও বেশি বৈদ্যুতিক খুঁটি উপড়ে ও ভেঙে গেছে। এছাড়া অনেক স্থানে বৈদ্যুতিক তারের ওপর গাছ ভেঙে পড়েছে। বালিয়াডাঙ্গী বাজারে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয়েছে। বাকি সব এলাকায় বিদ্যুৎ বন্ধ। সকাল থেকে আমাদের লোকজন মাঠে কাজ করছে। বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাজ্জাদ হোসেন সোহেল বলেন, ঝড়ে মরিচ, বোরো ধান, পটলসহ বিভিন্ন ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ক্ষতির পরিসংখ্যান সংগ্রহে মাঠ পর্যায়ে খোঁজ-খবর নিচ্ছেন উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তারা। বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আফছানা কাওছার বলেন, ইউপি চেয়ারম্যান এবং আমাদের লোকজন ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোর ক্ষয়ক্ষতি নির্ধারণে কাজ করছেন।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
© All rights reserved © 2025
Developer By insafIT.com.bd
https://writingbachelorthesis.com