
নীলফামারী(জেলা)প্রতিনিধি :
নীলফামারীর ডিমলা উপজেলায় বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোর ল্যাব রিপোর্ট নিয়ে আবারও প্রশ্ন উঠেছে। সাম্প্রতিক দুটি ঘটনায় ভুল ও পরস্পর বিরোধী রিপোর্টের অভিযোগে সাধারণ মানুষের মধ্যে চরম উদ্বেগ তৈরি এবং স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থার মান নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু।
প্রথম ঘটনাটি গত ১৪ এপ্রিল/ ২৬। ৭-বছর বয়সী শিশু সোহান এর জ্বর, সর্দি-কাশি দেখা দিলে স্থানীয় চিকিৎসকের পরামর্শে স্কোয়ার ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে পরীক্ষা করানো হয়। সেখানে শিশুটির রক্তে আরবিএস ১২.৬ এবং ইউরিন সুগার +++ দেখিয়ে ডায়াবেটিস পজেটিভ রিপোর্ট দেওয়া হয়। এমন রিপোর্ট হাতে পেয়ে শিশুটির পিতা মাতা চরম আতঙ্কে পড়ে এবং দ্রুত উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুরে নিয়ে যায়।
১৬ এপ্রিল/২৬ রংপুরের স্বনামধন্য পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারে পুনরায় পরীক্ষা করলে সম্পূর্ণ ভিন্ন ফলাফল পাওয়া যায়। সেখানে খালি পেটে রক্তে সুগার ৩.৭০ এবং খাবারের দুই ঘণ্টা পর ৪.২৮ ধরা পড়ে, যা স্বাভাবিক মাত্রার মধ্যে। ইউরিন পরীক্ষাতেও ডায়াবেটিস নেগেটিভ । এতে প্রাথমিক রিপোর্টটি ভুল বলে প্রমাণিত।
শিশুটির পিতা আহিনুর রহমান স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মচারী। তিনি ছুটিতে এসে শিশু সোহানের স্বাস্থ্য পরীক্ষা নিরীক্ষা করতে গিয়ে রিপোর্ট নিয়ে বিভ্রান্তিতে পড়েন। ভুল রিপোর্টের কারণে তিনি অতিরিক্ত ১০-১২ হাজার টাকা ব্যয় করেন এবং মানসিকভাবে চরম ভোগান্তির শিকার।
অন্যদিকে, জন্ডিস রোগ নির্ণয় কেন্দ্র করে আরেকটি বিভ্রান্তিকর ঘটনা । ভুক্তভোগী রোগী জাহাঙ্গীর নামের এক ব্যক্তি, যিনি দীর্ঘদিন ধরে জন্ডিসে ভুগছিলেন, ১৫ এপ্রিল/২৬ একই দিনে ডিমলা মেডিকেল মোড় এলাকার সোহেল ডায়াগনস্টিক সেন্টার, স্কোয়ার ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার এবং ডিমলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রক্ত পরীক্ষা করেন। মাত্র ৭ থেকে ১০ মিনিটের ব্যবধানে করা তিনটি পরীক্ষায় তিন রকম ফলাফল আসে। স্কোয়ার ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে বিলিরুবিন ২৬.২, সোহেল ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ১০.৫ এবং ডিমলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১২.৫ রিপোর্ট পাওয়া যায় । ফলে
এত বড় পার্থক্য রোগীর স্বজনদের মধ্যে চরম অনিশ্চয়তা সৃষ্টি করে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ল্যাব টেকনোলজিস্ট কবীর হোসেন জানান,
Leave a Reply