1. nwes@w3speace.net : ASIF : ASIF
  2. azahar@gmail.com : azhar395 :
  3. admin@gazipursangbad.com : eleas271614 :
  4. wordpUser4@org.com : GuaUserWa4 :
সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:১০ পূর্বাহ্ন

গোয়াইনঘাটের ২ নং পশ্চিম জাফলং বিট অফিসারকে ম্যানেজ করে শ্যাম কালার বেপরোয়া চোরাচালান!-গাজীপুর সংবাদ 

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেটের সময় : রবিবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২৬
  • ০ টাইম ভিউ

বিশেষ প্রতিনিধি

সিলেটের গোয়াইনঘাটের ২ নং পশ্চিম জাফলং এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে বেপরোয়া চোরাচালান ও অবৈধ বালু উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, প্রভাবশালী শ্যাম কালা চক্র প্রশাসনের চোখের সামনেই এসব কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।

অভিযোগ রয়েছে, শ্যাম কালার সহযোগী হিসেবে এলাকায় একাধিক চোরাকারবারি সিন্ডিকেট সক্রিয় রয়েছে এবং তারা স্থানীয় প্রশাসনের বিট অফিসার এস আই তানজিলকে প্রভাবিত করে নিজেদের কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে। এতে সীমান্ত এলাকায় বেড়েছে চোরাচালান, পাশাপাশি অবৈধ বালু উত্তোলন ও পরিবেশ ধ্বংসের ঝুঁকি।স্থানীয়দের অভিযোগ, ওপর আরও একটা সিন্ডিকেট বিট অফিসারকে ম্যানেজ করে বৈধ ইজারা ছাড়াই দিনের পর দিন বালু উত্তোলন চললেও সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে দৃশ্যমান কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। এতে সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছে।

এলাকাবাসী দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্ত, জড়িতদের চিহ্নিতকরণ এবং কঠোর আইনগত পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন।

শ্যাম কালা বছর দশেক আগেও তিনি ছিলেন পাথর শ্রমিক। আর বাবা মোশাহিদ আলী ছিলেন একজন দিনমজুর।

তবে দিন পাল্টে গেছে। বারকী শ্রমিক কালা মিয়া এখন সিলেটের শীর্ষ চোরাকারবারি। প্রতিদিন হাতে আসছে কাড়ি কাড়ি টাকা। সেই টাকায় এখন গোয়াইনঘাটের শীর্ষ ধনাঢ্যদের একজন তিনি।

তিনি গোয়াইনঘাট উপজেলার পশ্চিম জাফলং ইউনিয়নের হাতির খাল গ্রামের দিনমজুর মোশাহিদ আলীর ছেলে।পাঁচ ভাই দুই বোনের মধ্যে কালা দ্বিতীয়।

জন্মসূত্রে দারিদ্রতার করাঘাতে বেড়ে উঠা কালা মিয়া এখন কলকাঠি নাড়েন সর্বত্র।পশ্চিম জাফলং একটি সীমান্তবর্তী এলাকা। যেখানে বারকী শ্রমিক হিসেবে কাজ করার সুবাধে কালা মিয়ার সখ্যতা গড়ে উঠে ছিচকে চোরাকারবারিদের সাথে। এই সখ্যতাই জীবনে পাল্টে দেয় কালা মিয়ার। ঘুরতে থাকে ভাগ্যের চাকা।

সহযোগী করেছেন স্থানীয় প্রশাসনের এস আই তানজিলকে বানিয়ে কাজ চালাচ্ছেন কালা মিয়া।বর্তমানে নিজেকে আড়ালে রেখে তার সহযোগীদের দিয়ে চালিয়ে যাচ্ছে রামরাজত্ব।

কালা মিয়া যে ঘরে আগে নুন আনতে পান্তা ফুরাতো সেই ঘরে এখন আলীশান অবস্থা। বিগত ৫ বছরে কালা মিয়া ওরফে শ্যাম কালা’র আঙ্গুল ফুলে রাতারাতি কলাগাছ হয়ে গেছে। ৫ বছরের মধ্যে কয়েক কোটি টাকার মালিক এখন কালা মিয়া।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগের সূত্রে জানা যায় চোরাকারবারিদের মালামাল পরিবহনের পর কালা নিজেই পুলিশের লাইনম্যান হয়ে গড়ে তোলে তার এক বিশাল চোরাকারবারি সিন্ডিকেট ও নিজস্ব লাঠিয়াল বাহিনী। স্থানীয় প্রশাসন ও এস আই তানজিলকে ম্যানেজ করে অবাধে চালিয়ে যাচ্ছে তার চোরাচালান বাণিজ্য।

এহেন কোন ভারতীয় পণ্য নেই যা অবৈধভাবে পাচার করে না কালা সিন্ডিকেটের সদস্যরা।

ভারতীয়শাড়ি,কসমেটিক্স,মোটরসাইকেল,ইয়াবা,ফেন্সিডিল,মদ,যৌন উত্তেজক ট্যাবলেটসহ ভারতীয় সবকিছুই পাঁচারের সাথে জড়িত কালা মিয়া ওরফে শ্যাম কালা সিন্ডিকেট।

এলাকাবাসীর অভিযোগ এ ধরনের অপকর্মের সঙ্গেও জড়িত কালা মিয়া সিন্ডিকেটের একাধিক সদস্য। সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার পশ্চিম জাফলংএর সোনারহাঁট সীমান্তকে চোরাচালানের স্বর্গরাজ্যে পরিণত করেছে।

এব্যাপারে জানতে গোয়াইনঘাট থানার অফিসার ইনচার্জ ওসির মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে পাওয়া যায়নি।

একিই ব্যাপারে জানতে বিট অফিসার এস আই তানজিলের মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেন নি।

শ্যাম কালার মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি এসব বিষয়ে অস্বীকার করে বলেন,আমি এখন লাইনে নাই।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
© All rights reserved © 2025
Developer By insafIT.com.bd
https://writingbachelorthesis.com