
মোঃ মামুন হোসাইন।স্টাফ রিপোর্টার
দীর্ঘ প্রতীক্ষা, অনিশ্চয়তা আর আইনি জটিলতার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে স্বস্তির খবর এলো গলাচিপা উপজেলার ১নং আমখোলা ইউনিয়নে।
ঢাকা মহামান্য উচ্চ আদালতের রায়ে পুনরায় তার নির্বাচিত চেয়ারম্যান পদ ফিরে পেয়েছেন মোঃ কামরুজ্জামান মনির হাওলাদার। এ রায়ের মধ্য দিয়ে সত্য ও ন্যায়বিচারের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপিত হয়েছে।
জানা যায়, গত ৫ আগস্টের পরবর্তী সময়েও তিনি নিয়ম অনুযায়ী ইউনিয়ন পরিষদের কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছিলেন।
তবে একপর্যায়ে পটুয়াখালীর জেলা প্রশাসক মহোদয় প্রশাসনিক পত্রের মাধ্যমে আমখোলা ইউনিয়ন পরিষদে প্রশাসক নিয়োগ দেন, যা এলাকায় নানা আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দেয়। সেই প্রেক্ষাপটে আইনের দ্বারস্থ হন মনির হাওলাদার।
পরবর্তীতে আদালতের রায় এবং জেলা প্রশাসনের সন্তোষজনক মূল্যায়নের ভিত্তিতে তার পক্ষে চিঠি প্রদান করা হলে, তিনি পুনরায় তার দায়িত্ব পালনের পূর্ণ বৈধতা ফিরে পান।
এই সুখবর ছড়িয়ে পড়তেই পুরো আমখোলা ইউনিয়নজুড়ে আনন্দের ঢেউ বয়ে যায়। সাধারণ মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে তাদের প্রিয় জনপ্রতিনিধিকে স্বাগত জানান। স্থানীয়দের মতে, “আমাদের নির্বাচিত চেয়ারম্যান ফিরে আসায় উন্নয়নের চাকা আবারও ঘুরতে শুরু করবে।”
অনেকেই আশা প্রকাশ করেন, দীর্ঘদিন ধরে স্থগিত থাকা বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়িত হবে এবং ইউনিয়নের সার্বিক অগ্রগতি আরও ত্বরান্বিত হবে।
প্রতিক্রিয়ায় চেয়ারম্যান মনির হাওলাদার বলেন, “আমি সবসময় আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল ছিলাম।
আজ সত্যের জয় হয়েছে। আমি আমার ইউনিয়নের মানুষের কল্যাণে, উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাব।”
স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন, এ ঘটনা শুধু একটি পদ ফিরে পাওয়ার বিষয় নয়; এটি গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং জনগণের ভোটের মর্যাদা রক্ষার এক গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত।
সবশেষে, চেয়ারম্যান মনির হাওলাদার ইউনিয়নবাসীর কাছে দোয়া কামনা করে বলেন
“আপনাদের দোয়ায় আমাকে এগিয়ে নিয়ে যাবে। আপনাদের সেবাই আমার একমাত্র লক্ষ্য।”
Leave a Reply