1. nwes@w3speace.net : ASIF : ASIF
  2. azahar@gmail.com : azhar395 :
  3. admin@gazipursangbad.com : eleas271614 :
  4. wordpUser4@org.com : GuaUserWa4 :
রবিবার, ২৪ মে ২০২৬, ০১:০২ পূর্বাহ্ন

একজন তলিয়ে গেল পুকুরের জলে, আরেকজন ছিটকে পড়ল মৃত্যুর পথে; ঠাকুরগাঁওয়ে দুই পরিবারে শোকের কান্না-গাজীপুর সংবাদ 

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেটের সময় : শনিবার, ২৩ মে, ২০২৬
  • ৮ টাইম ভিউ

হুমায়ুন কবির, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:

ঠাকুরগাঁওয়ে পৃথক দুটি মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় ঝরে গেল দুটি তরতাজা প্রাণ। একদিকে বন্ধুদের সঙ্গে গোসল করতে নেমে পুকুরের পানিতে তলিয়ে মৃত্যু হলো এক শিশুর, অন্যদিকে চলন্ত মাহেন্দ্র ট্রাক্টর থেকে ছিটকে পড়ে প্রাণ হারালেন এক তরুণ হেলপার। একদিনেই দুই পরিবারের স্বপ্নভঙ্গের এই ঘটনায় এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া।গত শুক্রবার (২২ মে) জেলার রুহিয়া ও সদর থানা এলাকায় পৃথক সময়ে এ দুটি দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন, রুহিয়া থানার আরাজি দক্ষিণ বাটিনা গ্রামের শামীম আলীর ছেলে সাইফুল ইসলাম (১২) এবং সদর উপজেলার পূর্ব পারপুগী গ্রামের নুর আলমের ছেলে রিপন (২২)। রিপন পেশায় মাহেন্দ্র ট্রাক্টরের চালকের সহকারী (হেলপার) ছিলেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার দুপুরে বাড়ির পাশের একটি পুকুরে বন্ধুদের সঙ্গে গোসল করতে যায় শিশু সাইফুল। খেলাধুলা আর হাসি-আনন্দের মধ্যেই হঠাৎ ঘটে যায় হৃদয়বিদারক দুর্ঘটনা। সাঁতার না জানায় একপর্যায়ে সে গভীর পানিতে তলিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে ঠাকুরগাঁও জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
জানা গেছে, নিহত সাইফুলের বাবা-মা দুজনেই গাজীপুরে পোশাক কারখানায় চাকরি করেন। জীবিকার তাগিদে দূরে থাকা মা-বাবার বুক খালি করে চিরবিদায় নিল ছোট্ট সাইফুল। গ্রামের বাড়িতে এখন শুধুই আহাজারি আর নিস্তব্ধতা।অন্যদিকে, একই দিন বিকেলে শিবগঞ্জ-ফেরসাডাঙ্গী সড়কের শারালী গ্রামের দুন্দুর মোড় এলাকায় বালুবাহী একটি চলন্ত মাহেন্দ্র ট্রাক্টরে কর্মরত ছিলেন রিপন। হঠাৎ নিয়ন্ত্রণহীন অবস্থায় চলন্ত ট্রাক্টর থেকে ছিটকে পাকা রাস্তার ওপর পড়ে গুরুতর আহত হন তিনি। স্থানীয়রা দ্রুত উদ্ধার করে ঠাকুরগাঁও জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বিকেলে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন এই তরুণ। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম সন্তানের মৃত্যুতে রিপনের পরিবারে নেমে এসেছে অসহনীয় শোক। স্বজনদের কান্নায় হাসপাতাল ও গ্রামের পরিবেশ ভারী হয়ে ওঠে।
রুহিয়া ও সদর থানার ওসিরা জানান, ঘটনায় কোনো অভিযোগ না থাকায় আইনি প্রক্রিয়া শেষে ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ দুটি পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।একটি দুর্ঘটনা কেড়ে নিল শৈশব, আরেকটি থামিয়ে দিল সংগ্রামী এক তরুণের জীবনযুদ্ধ। একই দিনে দুটি মৃত্যুর এই বেদনাদায়ক ঘটনা আবারও মনে করিয়ে দিল,এক মুহূর্তের অসতর্কতাই কেড়ে নিতে পারে একটি পুরো জীবনের স্বপ্ন।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
© All rights reserved © 2025
Developer By insafIT.com.bd
https://writingbachelorthesis.com