
কাপাসিয়া (গাজীপুর) প্রতিনিধি:
গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার রমিতা ইসলামের বিরুদ্ধে সম্প্রতি প্রচারিত অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগসংবলিত সংবাদকে পুরোপুরি ভিত্তিহীন, মনগড়া ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন স্থানীয় শিক্ষকমহল ও সচেতন নাগরিকবৃন্দ। তাঁদের মতে, উপজেলায় শিক্ষা ব্যবস্থার সার্বিক গুণগত মানোন্নয়ন এবং দৃশ্যমান ইতিবাচক পরিবর্তনকে বাধাগ্রস্ত করতেই একশ্রেণির স্বার্থান্বেষী মহল এ ধরনের বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়াচ্ছে।
অনুসন্ধানে ও মাঠপর্যায়ের তথ্যে জানা যায়, কাপাসিয়ায় যোগদানের পর থেকেই শিক্ষা অফিসার রমিতা ইসলাম অত্যন্ত সততা ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। প্রথাগত দাপ্তরিক কাজের বাইরে গিয়ে প্রতিনিয়ত দূরবর্তী ও প্রত্যন্ত অঞ্চলের প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলো সরেজমিনে পরিদর্শন, শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি নিশ্চিতকরণ এবং ঝরে পড়া রোধে তিনি প্রশংসনীয় ভূমিকা রেখেছেন। তাঁর সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা ও নিবিড় তদারকিতে বিদ্যালয়গুলোতে তৈরি হয়েছে আনন্দঘন ও শিশুবান্ধব শিক্ষার পরিবেশ।
স্থানীয় শিক্ষক প্রতিনিধি ও অভিভাবকদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, রমিতা ইসলামের ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি ও দূরদর্শী নেতৃত্বের কারণে উপজেলার শিক্ষা কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ফিরে এসেছে। ডিজিটাল ক্লাসরুমের ব্যবহার বৃদ্ধি, পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিতকরণ এবং পাঠদানের মান বৃদ্ধির মতো আমূল পরিবর্তন সাধিত হয়েছে তাঁর হাত ধরেই।
শিক্ষকদের অভিযোগ, সততা ও নিষ্ঠার সাথে কাজ করার পরও সম্প্রতি তাঁর বিরুদ্ধে যে অনিয়মের সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে, তা বাস্তবতার সম্পূর্ণ বিপরীত। এতে একজন সৎ ও কর্মঠ কর্মকর্তার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার পাশাপাশি কাপাসিয়ার সামগ্রিক শিক্ষাব্যবস্থার ইতিবাচক অগ্রগতিকে ম্লান করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে।
এ বিষয়ে এলাকার সচেতন মহল ও শিক্ষকসমাজ মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর অপপ্রচারে কান না দেওয়ার আহ্বান জানান এবং শিক্ষা অফিসার রমিতা ইসলামের শিক্ষাবান্ধব উদ্যোগগুলোর প্রতি পূর্ণ সমর্থন ও আস্থা ব্যক্ত করেন।
Leave a Reply