1. nwes@w3speace.net : ASIF : ASIF
  2. azahar@gmail.com : azhar395 :
  3. admin@gazipursangbad.com : eleas271614 :
  4. wordpUser4@org.com : GuaUserWa4 :
মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৫৪ অপরাহ্ন

ইতালি পাঠানোর নামে জাল ভিসায় মালয়েশিয়া পাচার: গাজীপুর ও নরসিংদী থেকে গ্রেফতার ২-গাজীপুর সংবাদ

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেটের সময় : মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৬
  • ১ টাইম ভিউ

সাইফুল ইসলাম রুদ্র নরসিংদী জেলা প্রতিনিধি

ইউরোপের দেশ ইতালি পাঠানোর প্রলোভন দেখিয়ে জাল ভিসায় মালয়েশিয়ায় পাচার এবং প্রায় ২২ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে মানব পাচারকারী চক্রের মূল হোতাসহ দুই সদস্যকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই), নরসিংদী। মঙ্গলবার (০৬ অক্টোবর) রাতে পিবিআই নরসিংদী জেলা কার্যালয়ের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।

​এর আগে এক অভিযানে গাজীপুর ও নরসিংদীর বিভিন্ন এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

​গ্রেফতারকৃত আসামিরা হলো—গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন এর ২৮ নং ওয়ার্ডের তিতারকুল এলাকার নিখিল চন্দ্র দাসের ছেলে সুবোধ চন্দ্র দাস (৩১) এবং নরসিংদী সদর উপজেলার ভেলানগর এলাকার স্বদেশ চন্দ্র দাসের ছেলে শিমুল চন্দ্র দাস (৩৭)। এদের মধ্যে সুবোধ চন্দ্র দাস এই চক্রের মূল হোতা এবং শিমুল তার প্রধান সহযোগী।

পিবিআই নরসিংদী জেলার পুলিশ সুপার ড. এস. এম. ফরহাদ হোসেন জানান, ভিকটিম আব্দুর রউফকে ২১ লাখ ৫০ হাজার টাকার বিনিময়ে ইতালি পাঠানোর লোভ দেখিয়ে চুক্তিতে রাজি করায় চক্রটি। চুক্তি অনুযায়ী ২০২৪ সালের ১ ডিসেম্বর নন-জুডিসিয়াল স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর করা হয়। পরবর্তীতে ২০২৫ সালের ৪ জুন আসামিরা ভিকটিমকে ইতালি না পাঠিয়ে জাল কাগজপত্র ও ভুয়া ভিসার মাধ্যমে মালয়েশিয়ায় পাঠিয়ে দেয়। তবে মালয়েশিয়া বিমানবন্দরে ইমিগ্রেশন চেকিংকালে ভিসা জালিয়াতি ধরা পড়ায় সেখান থেকে তাকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠায় কর্তৃপক্ষ।

​পরবর্তীতে ভিকটিম আসামীদের কাছে বিষয়টি জানালে তারা ভুল স্বীকার করে এবং পুনরায় ইতালি পাঠানোর আশ্বাস দিয়ে অতিরিক্ত টাকা দাবি করে। রউফ ইতালি যাওয়ার আশায় দফায় দফায় মোট ২১ লাখ ৯৮ হাজার টাকা তাদের হাতে তুলে দেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ইতালি পাঠাতে ব্যর্থ হয়ে তারা টাকা ফেরত দিতে অস্বীকার করে এবং ভিকটিমকে নানাভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে।

​এ ঘটনায় ভিকটিম আব্দুর রউফ বাদী হয়ে নরসিংদী মডেল থানায় মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধ ও দমন আইনসহ পেনাল কোডের সংশ্লিষ্ট ধারায় ৬ জনের নাম উল্লেখ করে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলাটি পিবিআইয়ের সিডিউলভুক্ত হওয়ায় গত ৫ অক্টোবর পিবিআই স্ব-উদ্যোগে তদন্তভার গ্রহণ করে এবং উপ পরিদর্শক মোঃ ইয়াসিন, পিপিএম-কে তদন্তকারী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়।

​পরবর্তীতে তদন্তকারী দলের প্রধান পুলিশ পরিদর্শক আবুল খায়েরের নেতৃত্বে পিবিআইয়ের একটি চৌকস দল গাজীপুর থেকে মূল হোতা সুবোধকে গ্রেফতার করে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মঙ্গলবার ভোরে নরসিংদীর টাউয়াদী এলাকা থেকে সহযোগী শিমুলকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।

​গ্রেফতারের পর দুই আসামিকে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হলে তারা ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করে মানব পাচারের সাথে নিজেদের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করে। মামলার বাকি আসামিদের গ্রেফতারের লক্ষ্যে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে পিবিআই।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
© All rights reserved © 2025
Developer By insafIT.com.bd
https://writingbachelorthesis.com