1. nwes@w3speace.net : ASIF : ASIF
  2. azahar@gmail.com : azhar395 :
  3. admin@gazipursangbad.com : eleas271614 :
  4. wordpUser4@org.com : GuaUserWa4 :
সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ০৬:১২ অপরাহ্ন

নজিরবিহীন নিরাপত্তায় ঠাকুরগাঁও-৩; রাত পোহালেই ভোটের লড়াইয়ে ১০ প্রার্থী-গাজীপুর সংবাদ 

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেটের সময় : বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ১১৪ টাইম ভিউ

হুমায়ুন কবির,রাণীশংকৈল(ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি:

দীর্ঘ রাজনৈতিক টানাপোড়েন, আন্দোলন-সংগ্রাম আর ভোটাধিকার নিয়ে বিতর্কের অধ্যায় পেরিয়ে অবশেষে ভোটের দুয়ারে ঠাকুরগাঁও-৩ (রাণীশংকৈল-পীরগঞ্জ)। রাত পোহালেই ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। প্রার্থী ও ভোটার, দু’পক্ষই এখন অপেক্ষার প্রহর গুনছেন। ইতোমধ্যে নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রগুলোতে পৌঁছে গেছেন প্রিজাইডিং অফিসার ও পোলিং কর্মকর্তারা। প্রয়োজনীয় ব্যালট, সিল, স্ট্যাম্পসহ সব নির্বাচনী সরঞ্জাম কঠোর নিরাপত্তায় কেন্দ্রে কেন্দ্রে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। প্রশাসনের দাবি, ভোট গ্রহণের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন, এখন কেবল ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের অপেক্ষা।এ আসনে জামায়াত, বিএনপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের মোট ১০ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে সবচেয়ে বেশি আলোচনায় ক্ষমতার পালাবদলের সম্ভাবনা। ভোটারদের মুখে মুখে ঘুরছে প্রশ্ন—কে পাচ্ছেন জনসমর্থনের চূড়ান্ত সীলমোহর? কোন জোট বা দল গড়বে সরকার? চায়ের দোকান থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম—সবখানেই চলছে হিসাব-নিকাশ ও বিশ্লেষণ।

রিটার্নিং কর্মকর্তার তথ্য অনুযায়ী, ঠাকুরগাঁও জেলার তিনটি সংসদীয় আসনে মোট ৪১৭টি ভোটকেন্দ্র তিনদিন ধরে সিসি ক্যামেরার আওতায় রাখা হয়েছে। এর মধ্যে ২০১টি কেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব কেন্দ্রে বাড়তি নিরাপত্তা ও নজরদারির ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় মোতায়েন থাকছেন ৯ জন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, ২২ জন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট। পাশাপাশি সেনাবাহিনীর ১১ প্লাটুন, বিজিবির ৩২ প্লাটুন, র‌্যাবের ৩ প্লাটুন, পুলিশের প্রায় ১ হাজার ২৫০ সদস্য এবং ৬ হাজারেরও বেশি আনসার সদস্য মাঠে দায়িত্ব পালন করবেন। প্রশাসনের ভাষ্য, নজিরবিহীন নিরাপত্তা বলয়ে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এবারের নির্বাচনে প্রথমবারের মতো ব্যাপকভাবে ড্রোন ও বডি-ওর্ন ক্যামেরা ব্যবহার করা হচ্ছে, যাতে ভোটকেন্দ্রের সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ ও অনিয়ম প্রতিরোধ নিশ্চিত করা যায়।

নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক ইসরাত ফারজানা বলেন, “ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। প্রশাসন নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করছে। জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে একটি সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে আমরা আশাবাদী।” এদিকে নির্বাচনকে ঘিরে ভোটের আগের রাতে পুরো এলাকায় বইছে উৎসব ও উৎকণ্ঠার মিশ্র আবহ। প্রার্থীরা শেষ মুহূর্তের প্রচারণা-পর্যালোচনা শেষ করে সমর্থকদের নিয়ে কৌশল নির্ধারণে ব্যস্ত, আর সাধারণ ভোটাররা অপেক্ষা করছেন আগামী দিনের সিদ্ধান্ত জানান দিতে। এখন দেখার পালা রাত পোহালেই ব্যালটের রায়ে কার ভাগ্যে জোটে বিজয়ের হাসি।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
© All rights reserved © 2025
Developer By insafIT.com.bd
https://writingbachelorthesis.com