1. nwes@w3speace.net : ASIF : ASIF
  2. azahar@gmail.com : azhar395 :
  3. admin@gazipursangbad.com : eleas271614 :
  4. wordpUser4@org.com : GuaUserWa4 :
মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬, ০৬:২৬ অপরাহ্ন

ভারতে মুসলিম নির্যাতন প্রতিবাদে হেফাজতে ইসলামের প্রতিবাদ -বিক্ষোভ মিছিল-গাজীপুর সংবাদ 

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেটের সময় : মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬
  • ৮ টাইম ভিউ

মোহাম্মদ মাসুদ

ভারতের উগ্রবাদী হিন্দু ও বিজেপি সরকার কর্তৃক যৌথ সমর্থন ও নানা সুকৌশলে মুসলিম নিধন পরিকল্পনায় অংশ হিসেবে দিনে রাতে শুধুমাত্র ধর্মীয় ইস্যুতে সাধারণ নিরীহ শান্তিপ্রিয় সংখ্যালঘু মুসলিম নিধনে ভয়াবহ নিপীড়ন নির্যাতনের ভয়াবহ চিত্র শীর্ষ সমালোচিত হয় দেশ বিশ্বজুড়ে। প্রতিবেশী রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশ চিন্তিত। রয়েছে নানা শঙ্কা ও ঝুঁকিতে। বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করানোর ষড়যন্ত্র চলছে। আরেকটি রোহিঙ্গা সংকট সৃষ্টির আগেই আমরা নির্বাচিত সরকারকে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানাচ্ছি। পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীর উস্কানিমূলক বক্তব্যই মুসলমানদের হামলার প্রধান কারণ। ভারত সরকারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়। বাংলাদেশের রাজনীতি ও সরকার তারাই ক্ষমতায় থাকবে, যারা বাংলাদেশ ও দেশের মানুষকে নিয়ে কথা বলবে। প্রতিবাদ ও বিক্ষোভে বক্তব্যকারীরা নানা বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

আজ( ১১ই মে) রোজ সোমবার বা’দ আসর হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ হাটহাজারী উপজেলা শাখার আহবানে
হেফাজতে ইসলামের প্রতিবাদ সভা ও বিক্ষোভ মিছিল পালিত হয়।

কর্মসূচিতে মুফতি মোহাম্মদ আলী কাসেমীর সভাপতিত্বে, উপজেলার সাধারণ সম্পাদক মাওলানা এমরান সিকদার ও মাওলানা কামরুল ইসলাম এর যৌথ সঞ্চালনায় পশ্চিমবঙ্গ ও আসামে মুসলিম নিধন ও বর্বরোচিত সাম্প্রদায়িক হামলার প্রতিবাদে আয়োজিত বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশে উপস্থিত বক্তারা ভারতের নিপীড়ন নির্যাতনের ভয়াবহ চিত্র তুলে ধরেন। যার একের পর এক লোমহর্ষক ভয়াবহ চিত্র উঠে আসে সোশ্যাল মিডিয়ার সহ ভারতজুড়ে ও দেশ-বিশ্বে। ধর্মীয় ইস্যুতে বাংলাদেশ মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ হওয়ায় বাংলাদেশেও রয়েছে না-না অশনি সংকেত ঝুঁকিতে।

প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তারা বলেন, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ভাঙচুর ধ্বংসস্তূপসহ জানমালের উপর আক্রমণ শিকার ইসলাম ধর্মের অনুসারী সাধারণ নিরীহ মুসলিম গোষ্ঠী। বর্বরোচিত সাম্প্রদায়িক হামলার প্রতিবাদে আয়োজিত বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশে আয়োজন করে চট্টগ্রামের দায়িত্বশীল মুখপাত্র নেতৃত্বাধীন হেফাজত ইসলামে নেতাকর্মী সমর্থক বৃন্দ। চলমান নির্যাতনে আনুষ্ঠানিকভাবে নিন্দা এবং কূটনৈতিক পর্যায়ে কার্যকর উদ্যোগ ভারত সরকারের কাছে সংখ্যালঘু মুসলমানদের নিরাপত্তা নিশ্চিত, হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে আগামী জুমাবার চট্টগ্রাম মহানগরে প্রতিবাদ সভা ও বিক্ষোভ মিছিলের কর্মসূচি ঘোষণা করে বাস্তবায়নের আহ্বান জানানো হয়েছে।

ভারতের বিজিবি কর্তৃক আবারও শীর্ষ ও কৌতুহল সৃষ্টি হয় মুসলিম জাহান সহ দেশ-বিশ্বে। মুসলিম সংখ্যালঘুদের কে ভোটার তালিকা থেকে বাদ দিয়ে পাতানো নির্বাচন পরবর্তী ভারতে সংগঠিত সংখ্যালঘু মুসলমানদের লক্ষ্য করে পরিচালিত সহিংস কর্মকাণ্ডকে মানবাধিকার, ধর্মীয় স্বাধীনতার লঙ্ঘন এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের পরিপন্থি বলে মনে করেন,হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ এর আমীর আল্লামা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী।

প্রতিবাদ বিক্ষোভ মিছিল সমাবেশে, প্রধান অতিথির বক্তব্যে হেফাজত আমীর আল্লামা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী আরো বলেন,বিভিন্ন গণমাধ্যম ও স্থানীয় সূত্রে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, এসব সহিংস কর্মকাণ্ডে উগ্রপন্থি বিজেপি সমর্থকদের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ উঠেছে। ধর্মীয় পরিচয়ের ভিত্তিতে সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর ওপর হামলা কোনো সভ্য, গণতান্ত্রিক ও বহুত্ববাদী রাষ্ট্রব্যবস্থায় গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।

পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীর উস্কানিমূলক বক্তব্যই মুসলমানদের হামলার প্রধান কারণ উল্লেখ করে তিনি বলেন,নির্বাচনে জেতার পর ঐ বিজেপি নেতা বলছে তাকে নাকি মুসলমানরা ভোট দেয়নি।যা মুসলিমবিরোধী মনোভাব উসকে দেওয়ার পাশাপাশি হামলাকারীদের পরোক্ষভাবে উৎসাহিত করছে। একজন দায়িত্বশীল রাজনৈতিক নেতার কাছ থেকে এমন বক্তব্য অত্যন্ত দুঃখজনক।

আমরা বাংলাদেশ সরকারের প্রতি আহ্বান জানাই,ভারতের মুসলমানদের ওপর চলমান নির্যাতনের ঘটনায় আনুষ্ঠানিকভাবে নিন্দা এবং কূটনৈতিক পর্যায়ে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে।একই সঙ্গে ভারত সরকারের কাছে সংখ্যালঘু মুসলমানদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবি জানাচ্ছি। এবং এই হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে আগামী জুমাবার চট্টগ্রাম মহানগরে প্রতিবাদ সভা ও বিক্ষোভ মিছিলের কর্মসূচি ঘোষণা করছি, বাস্তবায়নের আহ্বান জানাচ্ছি।

সভাপতির বক্তব্যে মুফতি মোহাম্মদ আলী কাসেমী বলেন,প্রতিবেশী দেশে মুসলমানদের ওপর সংঘটিত নির্যাতনের বিষয়ে নীরব থাকা উচিত নয়। দক্ষিণ এশিয়ায় শান্তি, স্থিতিশীলতা ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখতে সব ধর্মীয় সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা ও অধিকার নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা, ওআইসি এবং বিশ্ব সম্প্রদায়ের প্রতি ভারতের মুসলিম জনগোষ্ঠীর মানবাধিকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়।

প্রধান বক্তার বক্তব্যে কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব মীর মোহাম্মদ ইদ্রিস বলেন, ‘ভারতে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কিছু মুসলিমকে “বাংলাদেশি” তকমা দিয়ে ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। তাদের জোর করে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করানোর ষড়যন্ত্র চলছে। আরেকটি রোহিঙ্গা সংকট সৃষ্টির আগেই আমরা নির্বাচিত সরকারকে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানাচ্ছি।’

বাংলাদেশের রাজনীতিতে তারাই ক্ষমতায় থাকবে, যারা বাংলাদেশকে ও দেশের মানুষকে নিয়ে কথা বলবে, সীমান্ত হত্যা নিয়ে কথা বলবে এবং বিশ্বের যে প্রান্তেই মুসলিম ভাইয়েরা নির্যাতিত হোক না কেন, তাদের পক্ষে দাঁড়াবে। বাংলার মানুষ ভারতের চাপিয়ে দেওয়া কোনো রাজনীতি আর চায় না।

অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন, হেফাজতের কেন্দ্রীয় সহকারী মহাসচিব, মাওলানা জাকারিয়া নোমান ফয়েজী,
উপজেলা সহসভাপতি, মাওলানা আব্দুল্লাহ, মাওলানা মোঃ ঈসা, মাওলানা জয়নাল আবেদীন,উপজেলার যুগ্ম সম্পাদক, মাওলানা হাফেজ আব্দুল মাবুদ, মাওলানা জমির উদ্দিন,জনাব মোরশেদ আলম, মাওলানা হাফেজ মহিউদ্দিন, জনাব আবু তাহের রাজিব, জনাব রাশেদ আলম, উপজেলার প্রচার সম্পাদক, মাওলানা মাসউদ আলম চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা আসাদুল্লাহ, মাওলানা হাফেজ আমিনুল ইসলাম , মাওলানা ওবাইদুর রহমান, মাওলানা জাকারিয়া প্রমূখ।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
© All rights reserved © 2025
Developer By insafIT.com.bd
https://writingbachelorthesis.com