
নিজস্ব প্রতিবেদক:-
দীর্ঘদিনের ত্যাগ, সংগ্রাম ও রাজপথে ধারাবাহিক সক্রিয়তার স্বীকৃতি হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল,ঢাকা মহানগর উত্তরের বিপ্লবী সহ-সাধারণ সম্পাদক হিসেবে মনোনীত হয়েছেন তরুণ ছাত্রনেতা রাকিবুল হাসান রাকিব।কেন্দ্রীয় সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের স্বাক্ষরে গত ২ মে নবগঠিত এ কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়।
রাকিবুল হাসান রাকিবের পিতা মোঃ জসিম ঢালী এবং মাতা রাহিমা বেগম। তার স্থায়ী ঠিকানা শরীয়তপুর জেলার গঙ্গানগরে এবং বর্তমানে তিনি ঢাকার বাড্ডা এলাকায় বসবাস করছেন। তিনি ১৭ এপ্রিল ২০০২ সালে জন্মগ্রহণ করেন।
শিক্ষাজীবনে তিনি ঢাকা বোর্ড থেকে ২০২১ সালে এসএসসি এবং ২০২৩ সালে এইচএসসি সম্পন্ন করেন। বর্তমানে তিনি ঢাকার বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় এআইইউবি (AIUB)-এ বিবিএ বিষয়ে অধ্যয়নরত রয়েছেন।
রাজনৈতিক জীবনের শুরু সম্পর্কে রাকিব জানান, ২০১৯ সালে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে বিএনপির রাজনীতির প্রতি তার আগ্রহ তৈরি হয়। এরপর মাধ্যমিকে অধ্যয়নকালেই তিনি সক্রিয় ছাত্ররাজনীতিতে যুক্ত হন। আন্দোলন-সংগ্রাম, মিছিল-মিটিং ও দলীয় কর্মসূচিতে সরব উপস্থিতির মাধ্যমে তিনি কর্মীদের কাছে একটি নির্ভরযোগ্য নাম হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন।
দলীয় কর্মসূচি বাস্তবায়নের পথে তিনি একাধিকবার দমন-পীড়নের শিকার হয়েছেন। তার বিরুদ্ধে বাস পোড়ানো ও বোমা হামলার অভিযোগসহ মোট চারটি মামলা দায়ের করা হয়। এছাড়াও বিভিন্ন সময়ে তাকে কারাবরণ করতে হয়েছে। তবে মামলা, কারাগারের প্রতিকূলতা কিংবা চাপ—কোনো কিছুই তাকে রাজপথ থেকে সরাতে পারেনি। বরং তিনি আরও দৃঢ়ভাবে সংগঠনের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন বলে সহকর্মীরা জানান।
সহকর্মীদের মতে, রাকিবুল হাসান রাকিব শুধুমাত্র একজন রাজনৈতিক কর্মী নন, বরং একজন “মাঠের সৈনিক”। নির্দেশনার অপেক্ষা না করে নিজ উদ্যোগে কর্মসূচি বাস্তবায়ন, কঠিন সময়ে কর্মীদের পাশে দাঁড়ানো এবং ঝুঁকি নিয়ে দায়িত্ব পালনের মানসিকতা তাকে অন্যদের থেকে আলাদা করেছে।
রাজনীতির পাশাপাশি সামাজিক কর্মকাণ্ডেও তিনি সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। শীতবস্ত্র বিতরণ, অসহায় মানুষের চিকিৎসা সহায়তা এবং বিভিন্ন মানবিক উদ্যোগে অংশগ্রহণের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের আস্থাও অর্জন করেছেন।
নবনিযুক্ত বিপ্লবী সহ-সাধারণ সম্পাদক রাকিবুল হাসান রাকিব বলেন,
“দলের জন্য ত্যাগ ও সংগ্রামই আমার রাজনীতির মূল শক্তি। কারাগার, মামলা কিংবা কোনো চাপ আমাকে থামাতে পারেনি, আগামীতেও পারবে না। সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করতে জীবনভর কাজ করে যেতে চাই।”
তার এই পদপ্রাপ্তিকে সহকর্মীরা ত্যাগের যথাযথ মূল্যায়ন হিসেবে দেখছেন এবং ভবিষ্যতে সংগঠনে আরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।
Leave a Reply