
মোহাম্মদ মাসুদ
চট্টগ্রাম নগরির বাকলিয়ায় নিষিদ্ধ বেআইনি কাণ্ডে রেকর্ডভুক্ত পুকুর ভরাটে সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল জড়িত অসৎ দোষীদের আইনের আওতায় আনা সহ অতি দ্রুত নির্মাণকাজ বন্ধের দাবি সচেতন মহল ও এলাকাবাসীর।
ঘটনা ও সরজমিনে জানা যায় এলাকায় হাজি মকবুল আলী সওদাগর জামে মসজিদ সংলগ্ন রেকর্ডভুক্ত একটি পুকুর ভরাট করে বহুতল ভবন নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে।
বিষয়টি নিয়ে এলাকাবাসীর অভিযোগ আপত্তি প্রতিবাদ করলেও রহস্যজনক ভূমিকায় বেআইনিভাবে কাজ চলমান আছে। রাজনৈতিক ছত্রছায়া ও অপশক্তি প্রভাবে অসৎ উদ্দেশ্যে বেআইনি কাণ্ডে জরিতদের কোনভাবেই আইনের আওতায় আনা যাচ্ছে না। যাক কোনভাবেই কাম্য নয়।
এ ঘটনায় নির্মাণকাজ বন্ধ ও পুকুর পুনঃখননের দাবিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দা, মুসল্লি ও ব্যবসায়ীরা।
অভিযোগে বলা হয়, খতিয়ান দাগ অনুযায়ী পুকুর হিসেবে রেকর্ডভুক্ত জলাধারটি দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয়দের বিভিন্ন প্রয়োজনে ব্যবহৃত হয়ে আসছিল। এলাকাবাসী এই পুকুরে গোসল করতেন, পাড়ে বসে সময় কাটাতেন এবং অগ্নিকাণ্ডের মতো জরুরি পরিস্থিতিতে পানি সংগ্রহের সহজ উৎস হিসেবে এটি ব্যবহার করা হতো।
স্থানীয়দের দাবি, বর্তমানে মসজিদের মোতোয়াল্লি হাজী মোহাম্মদ রুস্তাম আলী পুকুরটি ভরাট করে সেখানে বহুতল ভবন নির্মাণের কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। অথচ বাংলাদেশে বিদ্যমান আইন অনুযায়ী অনুমোদন ছাড়া পুকুর বা জলাধার ভরাট আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ।
এ বিষয়ে এলাকাবাসী নির্মাণকাজ দ্রুত বন্ধ, পুকুরের পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষা এবং পুনরায় পুকুর খননের ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
পুকুর ভরাট নিষিদ্ধ যেনো আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে ভবন নির্মাণের কথা বলেছেন স্টেটের দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তারা,
এ সংক্রান্ত আবেদনের অনুলিপি পরিবেশ অধিদপ্তর, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স এবং চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ)সহ স্থানীয় বাকলিয় থানায় পাঠানো হয়েছে বলে জানা গেছে।
Leave a Reply