1. nwes@w3speace.net : ASIF : ASIF
  2. azahar@gmail.com : azhar395 :
  3. admin@gazipursangbad.com : eleas271614 :
  4. wordpUser4@org.com : GuaUserWa4 :
রবিবার, ২৪ মে ২০২৬, ০১:০২ পূর্বাহ্ন

ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুর সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ভারতীয় মদ উদ্ধার; মাদক চোরাচালান রোধে কঠোর নজরদারি-গাজীপুর সংবাদ 

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেটের সময় : শনিবার, ২৩ মে, ২০২৬
  • ৮ টাইম ভিউ

হুমায়ুন কবির, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:

ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুর সীমান্তে চোরাচালানবিরোধী বিশেষ অভিযান চালিয়ে ১৪ বোতল ভারতীয় মদ উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। তবে অভিযানের সময় চোরাকারবারিদের আটক করা সম্ভব হয়নি। সীমান্ত এলাকায় মাদক ও অবৈধ পণ্য প্রবেশ ঠেকাতে বিজিবির এমন তৎপরতাকে সাধুবাদ জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল।
শুক্রবার (২২ মে) দুপুরে দিনাজপুর ব্যাটালিয়ন (৪২ বিজিবি) থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে স্বাক্ষর করেন ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আব্দুল্লাহ আল মঈন হাসান। বিজিবি সূত্র জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার গভীর রাতে হরিপুর সীমান্ত এলাকায় চোরাচালানবিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। রাত প্রায় তিনটার দিকে বাশালগাঁও বিওপির একটি টহল দল সীমান্তের দক্ষিণ তোররা এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় সীমান্তের মেইন পিলার ৩৫২/১-এস থেকে প্রায় ৪০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে মালিকবিহীন অবস্থায় ১৪ বোতল ভারতীয় মদ উদ্ধার করা হয়।ধারণা করা হচ্ছে, বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে চোরাকারবারিরা দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে পালিয়ে যায়। পরে অভিযান শেষে উদ্ধারকৃত মদ জব্দ করা হয় এবং এ ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।দিনাজপুর ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আব্দুল্লাহ আল মঈন হাসান বলেন, “সীমান্ত এলাকায় মাদক ও চোরাচালান রোধে বিজিবি সর্বদা সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। উদ্ধার হওয়া মদের বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। একইসঙ্গে জড়িতদের শনাক্তে গোয়েন্দা নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে।”স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, সীমান্তবর্তী এলাকায় মাদক ও অবৈধ পণ্যের চোরাচালান শুধু আইনশৃঙ্খলার জন্যই হুমকি নয়, এটি তরুণ সমাজের নৈতিক অবক্ষয়েরও বড় কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে। বিশেষ করে ভারতীয় মদ, মাদক ও নিষিদ্ধ পণ্যের অবাধ প্রবেশ যুবসমাজকে বিপথগামী করে তুলছে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তারা।সচেতন নাগরিকরা মনে করেন, প্রশাসনের কঠোর নজরদারির পাশাপাশি সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি, পরিবারভিত্তিক মূল্যবোধ চর্চা এবং তরুণদের ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করাই পারে মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে।এদিকে সীমান্ত এলাকায় বিজিবির নিয়মিত টহল ও অভিযান অব্যাহত থাকায় চোরাকারবারিদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। প্রশাসনের এমন কঠোর অবস্থান সীমান্ত এলাকায় মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলেও আশা করছেন তারা।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
© All rights reserved © 2025
Developer By insafIT.com.bd
https://writingbachelorthesis.com