1. azahar@gmail.com : azhar395 :
  2. admin@gazipursangbad.com : eleas271614 :
  3. wordpUser4@org.com : GuaUserWa4 :
শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৫৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
বড়লেখা উপজেলা ছাত্র মজলিসের সভাপতি মামনুন, সেক্রেটারি তানজিম-গাজীপুর সংবাদ  নরসিংদী ঢাকা সিলেট মহাসড়কে পূজার ছুটি শেষে ঢাকায় ফিরছে মানুষ, বাড়তি ভাড়া আদায়ের অভিযোগ-গাজীপুর সংবাদ  ছাতকে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কর্মচারীদের পারিবারিক মিলনমেলা অনুষ্ঠিত।-গাজীপুর সংবাদ  কলকাতার স্বাধীনতা দিবস উদযাপন সমিতির ‘ওয়ার্ল্ড সম্মাননা’ পেলেন সাংবাদিক আওরঙ্গজেব কামাল সাংবাদিকদের অধিকার, নিরাপত্তা ও মানবিক সেবায় অবদানের স্বীকৃতি-গাজীপুর সংবাদ  পটুয়াখালী জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মেহেদী হাসান শামিম চৌধুরী’র পিতার ইন্তেকাল: সর্বস্তরের মানুষের অংশগ্রহণে জানাজা সম্পন্ন!-গাজীপুর সংবাদ  সফল ব্যবসায়ী নাসির মিয়াকে ঘিরে অপপ্রচারের অভিযোগ, প্রতিবাদে সরব ব্যবসায়ী ও শ্রমিকরা-গাজীপুর সংবাদ  ছাতকের চাঁদনীঘাটে প্রতিমা বিসর্জ্জনের মধ্য দিয়ে শারদীয় দুর্গোৎসবের সমাপ্তি-গাজীপুর সংবাদ  যাদুকাটা নদীর দখল বুঝিয়ে দিল প্রশাসন নদীর পাড় কাটলে কঠোর ব্যবস্থা: ইউএনও-গাজীপুর সংবাদ  সাংবাদিক হত্যা ও হামলার প্রতিবাদে তাহিরপুরে মানববন্ধন, দোষীদের শাস্তি ও নিরাপত্তার দাবি-গাজীপুর সংবাদ  ছাতকে বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করলেন সুনামগঞ্জ জেলা নেতৃবৃন্দ-গাজীপুর সংবাদ 

ঠাকুরগাঁওয়ে ইকো ইউনিভার্সিটির অনুমোদন, উত্তরাঞ্চলের উচ্চশিক্ষায় নতুন দিগন্ত-গাজীপুর সংবাদ 

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেটের সময় : মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬
  • ৫৯ টাইম ভিউ

হুমায়ুন কবির, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:

উচ্চশিক্ষার জন্য আর দূরের শহরে ছুটতে হবে না—নিজের মাটিতেই বিশ্বমানের শিক্ষা, গবেষণা ও প্রযুক্তিনির্ভর দক্ষতা অর্জনের নতুন স্বপ্ন দেখছে ঠাকুরগাঁও। উত্তরাঞ্চলের শিক্ষা ব্যবস্থায় সম্ভাবনার নতুন দুয়ার খুলে ইকো ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি (ইউএসটি) প্রতিষ্ঠার সরকারি অনুমোদন মিলেছে। বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ইকো সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (ইএসডিও)-এর উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত হতে যাওয়া এ বিশ্ববিদ্যালয়টি বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, গবেষণা ও কর্মমুখী শিক্ষায় নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপনের প্রত্যাশা জাগিয়েছে।সোমবার (১৭ আগস্ট) বিকেলে সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়টির অনুমোদনের বিষয়টি জানায় ইএসডিও। সংস্থাটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, ‘শিক্ষা থেকে দক্ষতা, দক্ষতা থেকে উদ্ভাবন, আর উদ্ভাবন থেকে কর্মসংস্থান’—এই দর্শনকে

 

ভিত্তি করেই গড়ে তোলা হবে বিশ্ববিদ্যালয়টি। শুধু সনদনির্ভর উচ্চশিক্ষা নয়, জ্ঞান, প্রযুক্তিগত দক্ষতা, সৃজনশীলতা, মানবিক মূল্যবোধ ও বাস্তব জীবনের সমস্যা সমাধানের সক্ষমতাসম্পন্ন তরুণ প্রজন্ম গড়ে তোলাই হবে ইউএসটির অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। শিক্ষার্থীরা যেন পড়াশোনা শেষ করে চাকরির পেছনে ছুটতে বাধ্য না হয়ে

নিজেরাই কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে পারে, সেই লক্ষ্যেও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক পরিকল্পনায় বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, প্রকৌশল, কৃষি, পরিবেশ ও জলবায়ু প্রযুক্তির পাশাপাশি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), তথ্যপ্রযুক্তি, ডেটা অ্যানালিটিক্স ও ডিজিটাল প্রযুক্তির মতো দ্রুত বিকাশমান এবং ভবিষ্যৎ কর্মবাজারে চাহিদাসম্পন্ন বিষয়কে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা রয়েছে।
এর পাশাপাশি আধুনিক গবেষণাগার, উদ্ভাবন ল্যাব ও সমস্যা সমাধানভিত্তিক গবেষণার সুযোগ তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে। শুধু শ্রেণিকক্ষের চার দেয়ালে সীমাবদ্ধ না রেখে শিল্পপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের সংযোগ, ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ, ইন্টার্নশিপ, কর্মজীবন সহায়তা এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরিতেও গুরুত্ব দেওয়া হবে। তরুণদের উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে স্টার্টআপ ও নতুন উদ্যোগ বিকাশে বিশেষ কার্যক্রম চালুর পরিকল্পনাও রয়েছে। ফলে শিক্ষার্থীদের মধ্যে চাকরিপ্রত্যাশী হওয়ার পাশাপাশি উদ্যোক্তা ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিকারী হিসেবে গড়ে ওঠার সম্ভাবনা তৈরি হবে। ইকো ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির প্রতিষ্ঠাতা ও ইএসডিওর নির্বাহী পরিচালক ড. মো. শহীদ উজ জামান বলেন, ঠাকুরগাঁওয়ে একটি উচ্চমানের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন তারা দীর্ঘদিন ধরে লালন করে আসছেন। রাষ্ট্রীয় অনুমোদন পাওয়ায় তারা আনন্দিত ও কৃতজ্ঞ। তিনি বলেন, “আমাদের লক্ষ্য এমন একটি বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে তোলা, যেখানে একজন শিক্ষার্থী শুধু একটি সনদ নিয়ে বের হবে না। সে বের হবে জ্ঞান, প্রযুক্তিগত দক্ষতা, মানবিক মূল্যবোধ, উদ্ভাবনী চিন্তা এবং কর্মজীবনে সফল হওয়ার সক্ষমতা নিয়ে।”তিনি আরও বলেন, “ডিগ্রি নয়, সক্ষম মানুষ তৈরি করাই হবে ইউএসটির সাফল্যের মূল লক্ষ্য।”ঠাকুরগাঁও সরকারি কলেজের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক শিক্ষাবিদ মনোতোষ কুমার দে বলেন, উত্তরাঞ্চলের অনেক মেধাবী শিক্ষার্থী উচ্চশিক্ষার জন্য রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পাড়ি জমায়। নিজ এলাকায় মানসম্মত উচ্চশিক্ষার সুযোগ তৈরি হলে শিক্ষার্থীদের সময় ও অর্থ সাশ্রয়ের পাশাপাশি স্থানীয় মেধাকে স্থানীয় উন্নয়নের কাজে লাগানোর সুযোগ সৃষ্টি হবে। সংশ্লিষ্টদের মতে, ঠাকুরগাঁও ও উত্তরাঞ্চলের কৃষি, জলবায়ু পরিবর্তন, পরিবেশ, পানি, ডিজিটাল রূপান্তর, প্রকৌশল ও স্বাস্থ্য প্রযুক্তির মতো স্থানীয় সমস্যাকে গবেষণার বিষয় হিসেবে গ্রহণ করা গেলে বিশ্ববিদ্যালয়টি শুধু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে নয়, আঞ্চলিক উন্নয়ন ও উদ্ভাবনের কেন্দ্র হিসেবেও ভূমিকা রাখতে পারে।

বিশ্ববিদ্যালয়টি মেধাবী, নারী, প্রান্তিক ও আর্থিকভাবে অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের জন্য অন্তর্ভুক্তিমূলক উচ্চশিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণেও গুরুত্ব দেবে বলে জানিয়েছে ইএসডিও। পাশাপাশি দেশ-বিদেশের বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও শিল্পপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে একাডেমিক ও গবেষণা সহযোগিতা গড়ে তোলার পরিকল্পনাও রয়েছে। শিক্ষাবিদ ও স্থানীয় সচেতন মহলের প্রত্যাশা, ইকো ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলটির যাত্রা শুধু ঠাকুরগাঁওয়ের উচ্চশিক্ষার পরিধিই বাড়াবে না; বরং গবেষণা, প্রযুক্তি উদ্ভাবন, দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি, উদ্যোক্তা বিকাশ ও স্থানীয় কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রেও নতুন সম্ভাবনার সৃষ্টি করবে। একটি বিশ্ববিদ্যালয় কখনো শুধু ভবন, শ্রেণিকক্ষ কিংবা সনদ দেওয়ার প্রতিষ্ঠান নয়—সঠিক পরিকল্পনা ও মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা গেলে এটি একটি অঞ্চলের অর্থনীতি, জ্ঞানচর্চা ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের গতিপথ বদলে দিতে পারে। ঠাকুরগাঁওয়ে ইকো ইউনিভার্সিটির অনুমোদন তাই উত্তরাঞ্চলের মানুষের কাছে কেবল একটি নতুন বিশ্ববিদ্যালয়ের খবর নয়; এটি শিক্ষা, গবেষণা ও সম্ভাবনাময় ভবিষ্যৎ নির্মাণের একটি নতুন প্রত্যাশার নাম।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
© All rights reserved © 2025
Developer By insafIT.com.bd
https://writingbachelorthesis.com