
স্টাফ রিপোর্টার :
জামালপুর জেলার মেলান্দহ উপজেলার ৩নং আমবাড়ীয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ইজারুল ইসলামের বিরুদ্ধে পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ুয়া এক ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে।
গত বৃহস্পতিবার (২৫ সেপ্টেম্বর ) শিক্ষকের বাসায় প্রাইভেট পড়তে গেলে ওই শিক্ষার্থীর সাথে এই ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, বিদ্যালয় বন্ধ থাকলেও শিক্ষক ইজারুল ইসলাম নিয়মিত ছাত্র-ছাত্রীদেরকে প্রাইভেট পড়াতেন। এখন ওই শিক্ষককে বাঁচাতে প্রভাবশালী মহল নানা কৌশল অবলম্বন করছে বলেও জানা গেছে। পরে বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হয়।
এদিকে ৭ অক্টোবর রাতে এই ঘটনায় নির্যাতিতা (শিক্ষার্থী) এর বাবা বাদী হয়ে ধর্ষনের অভিযোগে মেলান্দহ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মেলান্দহ উপজেলার দুরমুঠ ইউনিয়নের আমবাড়ীয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ইজারুল ইসলাম এবং মেয়েটির বাড়ি একই এলাকায় অবস্থিত। তিনি ওই মেয়েটিসহ কয়েকজন ছাত্রীকে প্রতিদিন বিকালে ইজারুলের বাড়িতে প্রাইভেট পড়ান। ঘটনার দিন ওই শিক্ষার্থীকে অতিরিক্ত পড়ানোর জন্য রেখে দেন। এবং ওকে বাদে বাকি সব শিক্ষার্থীকে চলে যেতে বলেন শিক্ষক ইজারুল ইসলাম। পরে ওই শিক্ষার্থীকে তিনি তার বাড়ি পৌঁছে দিবেন বলে অন্য একটি কক্ষে নিয়ে যান। একপর্যায়ে মেয়েটির স্পর্শকাতর স্থানে হাত দেওয়াসহ ধর্ষণ করেন। ধর্ষণের শিকার ওই শিক্ষার্থীটি বাসায় এসে কান্নাকাটি করলে বিষয়টি জানাজানি হয়। পড়ে স্থানীয় একটি চক্র ঘটনাটি ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা করে।
ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর চাচা বলেন, ধর্ষণের পর পবিত্র কোরআন ছুঁইয়ে আমার ভাতিজিকে শপথ করানো হয়, যাতে সে এ ঘটনা কাউকে না বলে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষিকা ওই শিক্ষকের উপযুক্ত শাস্তির দাবি করেন। যাতে ভবিষ্যতে অন্যরাও সাবধান হয়।
অপরদিকে, ৩নং আমবাড়ীয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গেলে ইজারুল ইসলামকে পাওয়া যায়নি এবং মুঠোফোনে যোগাযোগ করলেও তার ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।
এ বিষয়ে মেলান্দহ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, শিক্ষার্থী বাবা সোমবার রাতে একটি ধর্ষণের মামলা দায়ের করেছেন। আসামিকে গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত আছে।
Leave a Reply