1. nwes@w3speace.net : ASIF : ASIF
  2. azahar@gmail.com : azhar395 :
  3. admin@gazipursangbad.com : eleas271614 :
  4. wordpUser4@org.com : GuaUserWa4 :
বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ০৫:৩২ পূর্বাহ্ন

ঠাকুরগাঁওয়ে কালবৈশাখীর তাণ্ডব গাছপালা উপড়ে ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত, কৃষিতে ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা-গাজীপুর সংবাদ 

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেটের সময় : শনিবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১২৪ টাইম ভিউ

হুমায়ুন কবির, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:

উত্তরাঞ্চলের জেলা ঠাকুরগাঁও জুড়ে হঠাৎ আঘাত হানা কালবৈশাখী ঝড় ও শিলাবৃষ্টিতে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। ঝড়ের তীব্রতায় গাছপালা উপড়ে পড়ে ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে, আর কৃষিক্ষেত্রে দেখা দিয়েছে বড় ধরনের ক্ষতির আশঙ্কা। শনিবার (২৫ এপ্রিল) ভোর আনুমানিক পৌনে ৭টার দিকে হঠাৎ করেই শুরু হয় প্রবল দমকা হাওয়া, বজ্রপাত ও শিলাবৃষ্টি। মুহূর্তের মধ্যেই তা ভয়াবহ রূপ ধারণ করে। ঘন কালো মেঘে ঢেকে যায় আকাশ, আর ঝড়ের তাণ্ডবে আতঙ্কিত হয়ে পড়ে সাধারণ মানুষ।সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সদর উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নের বাকশিড়ি এলাকা। সেখানে ঝড়ের তীব্রতায় একটি বিশাল গাছ ভেঙে পড়ে স্থানীয় বাসিন্দা নিজাম উদ্দিনের বসতঘরের ওপর। এ সময় পরিবারের অন্য সদস্যরা দ্রুত ঘর থেকে বের হতে পারলেও তিনি ভেতরে আটকা পড়ে গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়দের দ্রুত তৎপরতায় তাকে উদ্ধার করে ঠাকুরগাঁও ২৫০ শয্যার জেনারেল হাসপাতাল-এ ভর্তি করা হয়। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

ঝড়ের আঘাতে নিজাম উদ্দিন ছাড়াও লালন, নাজমুল ও নুর আলমের বাড়িঘর মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অন্তত ছয়টি ঘর সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত হওয়ায় এসব পরিবারের সদস্যরা খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবনযাপন করতে বাধ্য হচ্ছেন। অনেকেই তাদের সহায়-সম্বল হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ঝড়টি ছিল অত্যন্ত আকস্মিক এবং তীব্র। মাত্র কয়েক মিনিটের মধ্যেই ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়ে যায়। অনেক স্থানে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে, গাছ পড়ে সড়ক যোগাযোগও ব্যাহত হয়।

এদিকে, কালবৈশাখীর এই তাণ্ডবে কৃষিখাতেও বড় ধরনের ক্ষতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। জেলার বিভিন্ন এলাকায় ভুট্টা, পাট ও মরিচের ক্ষেত লণ্ডভণ্ড হয়ে গেছে বলে জানিয়েছেন কৃষকরা। মৌসুমের এই গুরুত্বপূর্ণ সময়ে এমন দুর্যোগ কৃষকদের জন্য বড় ধাক্কা হিসেবে দেখা দিয়েছে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর-এর ঠাকুরগাঁও কার্যালয়ের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক আলমগীর কবীর বলেন, “হঠাৎ হওয়া ঝড় ও শিলাবৃষ্টিতে কিছু এলাকায় ফসলের ক্ষতি হয়েছে। আমরা ইতোমধ্যে ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত পরিমাণ নির্ধারণে কাজ শুরু করেছি। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সহায়তায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাবাসীর দাবি, দ্রুত সরকারি সহায়তা ও পুনর্বাসন কার্যক্রম শুরু না হলে তাদের পক্ষে স্বাভাবিক জীবনে ফেরা কঠিন হয়ে পড়বে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের পাশাপাশি প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারা। প্রকৃতির এই আকস্মিক রুদ্ররূপ আবারও স্মরণ করিয়ে দিল—দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রস্তুতি ও দ্রুত সাড়া দেওয়ার বিকল্প নেই।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
© All rights reserved © 2025
Developer By insafIT.com.bd
https://writingbachelorthesis.com