1. nwes@w3speace.net : ASIF : ASIF
  2. azahar@gmail.com : azhar395 :
  3. admin@gazipursangbad.com : eleas271614 :
  4. wordpUser4@org.com : GuaUserWa4 :
মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬, ১০:২৩ অপরাহ্ন

পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান পদত্যাগ-গাজীপুর সংবাদ 

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেটের সময় : মঙ্গলবার, ২ জুন, ২০২৬
  • ১০ টাইম ভিউ

নিজস্ব প্রতিবেদক

বর্তমান ৬৩ বছর বয়সে ১৯ বছর সরকারি চাকরি ও ২০০৫ সালে বিএনপির রাজনীতিতে সক্রিয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পার্বত্য রাঙ্গামাটি (২৯৯) আসনে জয়লাভে
পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী পদমর্যাদা লাভ করেন। মন্ত্রীত্ব লাভের তিন মাসের মধ্যে দীপেন দেওয়ান পদত্যাগ করলেন।

১জুন (সোমবার) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে তার পদত্যাগপত্র পৌঁছে গেছে।

পদত্যাগপত্রে দীপেন দেওয়ান উল্লেখ করেন,দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে তিনি শারীরিক নানা জটিলতায় ভুগছেন। অসুস্থতার কারণে মন্ত্রণালয়ের নিয়মিত দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে নানান সমস্যা হচ্ছে। বর্তমান সরকারের উন্নয়ন ও প্রশাসনিক কাজের গতিশীলতা বৃদ্ধির স্বার্থে পদ থেকে অব্যাহতি গ্রহণ করা আবশ্যক মনে করেছেন তিনি।

তবে এ খবর ছড়িয়ে পড়ার পর সাধারণ মানুষ মনে করছেন, পাহাড় একটা টাফ জায়গা। দীপেন দেওয়ানের পক্ষে পাহাড় হ্যান্ডেল করা সম্ভব না। কদিন পর পাহাড়ে বড় ধরনের গন্ডগোল যদি তৈরি হয়, সেটার দায় গিয়ে তার কাঁধে পড়বে।

১৯ বছর সরকারি চাকরি করার পর ২০০৫ সালে বিএনপির রাজনীতিতে সক্রিয় হন দীপেন দেওয়ান। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পার্বত্য রাঙ্গামাটি (২৯৯) আসনে জয়লাভের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মন্ত্রিসভায় পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পান তিনি। তার বাবা সুবিমল দেওয়ান রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের উপজাতিবিষয়ক উপদেষ্টা ছিলেন।

৬৩ বছর বয়সী দীপেন দেওয়ান এবারের নির্বাচনে পার্বত্য রাঙ্গামাটি আসনে বিএনপির প্রার্থী হয়েছিলেন। নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের মধ্যে সর্বাধিক ভোটের ব্যবধানে জয়ী হন তিনি। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীর সঙ্গে তার ভোটের ব্যবধান ছিল ১ লাখ ৭০ হাজার ৩২২টি।

দীপেন দেওয়ানের জন্ম ১৯৬৩ সালে সুবিমল দেওয়ান ও মুহিনি দেওয়ানের ঘরে, রাঙ্গামাটি পৌরসভার কলেজগেট এলাকার মন্ত্রিপাড়ায়। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগ থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি নেন। এরপর তিনি জুডিশিয়াল সার্ভিসে যোগ দেন। ২০০৫ সালে যুগ্ম জেলা জজের চাকরি ছেড়ে তিনি বিএনপিতে যোগ দেন। ২০১০ সালে রাঙ্গামাটি জেলা বিএনপির সভাপতি হন। ২০১৬ সাল থেকে তিনি কেন্দ্রীয় বিএনপির সহধর্মবিষয়ক সহসম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন।

পার্বত্যাঞ্চলের সংসদ সদস্য দীপেন দেওয়ানের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ ছিল পার্বত্য চুক্তি নিয়ে এগুনো। এই চুক্তির ফসল পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়। দীর্ঘ দুই দশকের সহিংসতার পর পাহাড়ে আপাতশান্তি এসেছিল ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বরের পার্বত্য চুক্তির পর। কিন্তু পুরোপুরি শান্তি অধরাই থেকে গেছে। এখনো সহিংসতায় রক্ত ঝরছে পাহাড়ে। ২০২৪ এবং ২০২৫ এর সেপ্টেম্বর মাসে দুইবার সহিংসতায় অন্তত ৬ জনের প্রাণহানি হয়। পার্বত্য চুক্তির পর এই মাত্রায় সহিংসতা আর দেখেনি পাহাড়।

পার্বত্য চুক্তির গুরুত্বপূর্ণ অনেক ধারাই এখনো পূরণ হয়নি বলে অসন্তোষ রয়েছে বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে ওই চুক্তি সম্পাদনকারী পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিতে (জেএসএস)।

বিএনপি তাদের এবারের নির্বাচনী ইশতেহারে বলেছে, তারা পার্বত্য চুক্তির পুনর্মূল্যায়ন করবে। এর ধরন কেমন হবে, তা এখনো স্পষ্ট নয়। আবার সেই উদ্যোগ পাহাড়ের চুক্তি সম্পাদনকারী জেএসএস কতটা গ্রহণ করবে, সেই প্রশ্নও রয়ে গেছে। পাহাড়ে বিদ্যমান পরিস্থিতিতে এ ধরনের নতুন কোনো উদ্যোগ জটিলতা বাড়াবে কি না, সেই প্রশ্নও থাকছে।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
© All rights reserved © 2025
Developer By insafIT.com.bd
https://writingbachelorthesis.com