1. nwes@w3speace.net : ASIF : ASIF
  2. azahar@gmail.com : azhar395 :
  3. admin@gazipursangbad.com : eleas271614 :
  4. wordpUser4@org.com : GuaUserWa4 :
শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬, ১১:২০ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
জামালপুরে লাইসেন্সবিহীন বেসরকারি হাসপাতাল-ক্লিনিকের ছড়াছড়ি প্রশাসনের নিরবতায় জনমনে প্রশ্ন-গাজীপুর সংবাদ  Palpites para a Copa do Mundo 2026: tudo sobre as odds e dicas para Pronostic gagnant : analyse des cotes pour Brésil vs Norvège à la Coupe du গণমাধ্যম যতবেশি স্বাধীন ও শক্তিশালী হবে, গণতন্ত্রও তত বেশি সুদৃঢ় হবে- মির্জা ফখরুল-গাজীপুর সংবাদ  USDT sportsbook bonuses for World Cup 2026: maximize your betting experience تحليل Tournament fixtures: فرص باراغواي وفرنسا في كأس العالم 2026 বজ্রপাত কেড়ে নিল চার সন্তানের জনকের প্রাণ, শোকে স্তব্ধ রাণীশংকৈলের জওগাঁও গ্রাম-গাজীপুর সংবাদ  কৃষিতে প্রযুক্তিনির্ভর উদ্ভাবন নতুন সম্ভাবনা তৈরি করবে: ঠাকুরগাঁওয়ে মির্জা ফখরুল-গাজীপুর সংবাদ  ¿Vale la pena el casino en Apuestas Mundial de Fútbol 2026 Argentina? Descubre la ছাতকে পৌর সভায় ১০০ কোটি টাকা ব্যয়ে আধুনিক ডিবাইডার, ফোরলেন সড়কসহ ২৬৬ কোটি টাকার উন্নয়ন কাজের পরিদর্শন করেছেন—এমপি মিলন-গাজীপুর সংবাদ 

রাণীশংকৈলে বর্ণাঢ্য আয়োজনে ৩৩তম ঐতিহ্যবাহী ১০ দিনব্যাপী বৈশাখী মেলার শুভ উদ্বোধন-গাজীপুর সংবাদ 

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেটের সময় : মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬
  • ৮৪ টাইম ভিউ

হুমায়ুন কবির, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:

বাংলার হাজার বছরের লোকজ ঐতিহ্য, গ্রামীণ সংস্কৃতি ও উৎসবের চিরচেনা আবহে প্রাণ ফিরে পেয়েছে ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলা। বর্ণিল আয়োজন, মনোমুগ্ধকর সাংস্কৃতিক পরিবেশনা এবং হাজারো মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে ঐতিহ্যবাহী ৩৩তম বৈশাখী মেলা। সোমবার (১১ মে) রাত ৯টায় পৌর শহরের ডিগ্রি কলেজ মাঠে ১০ দিনব্যাপী এ মেলার আনুষ্ঠানিক শুভ উদ্বোধন করা হয়।।পৌর বিএনপির সভাপতি ও মেলা কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক অধ্যাপক শাহাজাহান আলীর সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে মেলার মূল ফটকে ফিতা কেটে এবং মাঠের ভেতরে বর্ণিল বেলুন উড়িয়ে ঐতিহাসিক এ মেলার উদ্বোধন করেন ঠাকুরগাঁও-৩ আসনের সাবেক সাংসদ জাহিদুর রহমান। উদ্বোধনের মুহূর্তেই করতালি, উচ্ছ্বাস আর আনন্দধ্বনিতে মুখর হয়ে ওঠে পুরো মেলা প্রাঙ্গণ। উদ্বোধনের পর থেকেই দর্শনার্থীদের পদচারণায় প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে মেলা মাঠ। শিশু-কিশোর থেকে শুরু করে নারী-পুরুষ, সব বয়সী মানুষের উপস্থিতিতে পুরো এলাকা যেন পরিণত হয় এক প্রাণের মিলনমেলায়। রঙিন আলোকসজ্জা, বৈশাখী সাজসজ্জা ও লোকজ আবহ মেলাকে দিয়েছে এক অনন্য সৌন্দর্য। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি আতাউর রহমান, সাধারণ সম্পাদক আল্লামা আল ওয়াদুদ বিন নূর আলিফ, বৈশাখ উদযাপন পরিষদের সাবেক সভাপতি ও সাবেক সাংসদ ইয়াসিন আলী, বৈশাখ উদযাপন পরিষদের সাবেক সভাপতি ও জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক অধ্যাপক আনোয়ারুল ইসলাম, রাণীশংকৈল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আমানুল্লাহ আল বারী, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মহসিন আলী, উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি নূর নবী, শাহাদাত হোসেন ও মাহামুদুন নবী পান্না বিশ্বাস, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনি, মেলা কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক খলিলুর রহমান ও মুনতাসীর আল মামুন মিঠুসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিএনপি নেতা মো. ঈশা, ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ও সাবেক চেয়ারম্যান জমিরুল ইসলাম, মহিলা দলের আহ্বায়ক মনিরা বিশ্বাস, সদস্য সচিব আনার কলি, যুবদল নেতা সুমন, আক্তার হোসেন, আওলাদ হোসেন, মমিন, মুক্তারুল, ছাত্রদল নেতা পলাশ চৌধুরী, রাকিবসহ উপজেলা ও পৌর বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানকে ঘিরে ছিল মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক আয়োজন। বৈশাখের ঐতিহ্যবাহী গান, লোকসংগীত এবং আদিবাসী নৃত্যের মনোমুগ্ধকর পরিবেশনায় মুগ্ধ হন উপস্থিত দর্শনার্থীরা। ঢোল, বাঁশি ও দেশীয় বাদ্যযন্ত্রের তালে তালে শিল্পীদের প্রাণবন্ত পরিবেশনায় পুরো মাঠজুড়ে সৃষ্টি হয় এক উৎসবমুখর আবহ। অনুষ্ঠানটি সাবলীল ও প্রাণবন্তভাবে সঞ্চালনা করেন অধ্যাপক প্রশান্ত কুমার বসাক।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে সাবেক সাংসদ জাহিদুর রহমান বলেন,“বৈশাখী মেলা শুধু বিনোদনের আয়োজন নয়, এটি বাঙালির হাজার বছরের সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার প্রতীক। নতুন প্রজন্মকে দেশীয় সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচিত করতে এ ধরনের আয়োজন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।”তিনি আরও বলেন, আধুনিকতার ছোঁয়ায় আমাদের অনেক লোকজ ঐতিহ্য হারিয়ে যেতে বসেছে। তাই দেশীয় সংস্কৃতি ও গ্রামীণ ঐতিহ্য সংরক্ষণে সবাইকে সচেতন ও ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। মেলা আয়োজকরা জানান, এবারের বৈশাখী মেলায় প্রায় ২০০টি স্টল বসেছে। স্থানীয় ব্যবসায়ীদের পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আগত বিক্রেতারাও অংশ নিয়েছেন। মেলায় খেলনা, মাটির তৈরি সামগ্রী, বাঁশ ও বেতের হস্তশিল্প, দেশীয় পোশাক, কসমেটিকস, গৃহস্থালি সামগ্রী এবং বাহারি খাবারের দোকান স্থান পেয়েছে। শিশুদের বিনোদনের জন্য নাগরদোলা, ট্রেনসহ বিভিন্ন রাইডেরও ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।মেলায় ঘুরতে আসা দর্শনার্থীরা জানান, এমন আয়োজন গ্রামীণ জনপদে আনন্দের নতুন মাত্রা যোগ করে। পরিবার-পরিজন নিয়ে মেলায় এসে তারা আনন্দঘন সময় কাটাচ্ছেন।আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আগামী ১০ দিন প্রতিদিন সন্ধ্যায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, লোকজ পরিবেশনা, সংগীতানুষ্ঠান ও নানা বিনোদনমূলক আয়োজন অনুষ্ঠিত হবে। ফলে পুরো সময়জুড়ে রাণীশংকৈলের মানুষ উৎসবের আমেজে মেতে থাকবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
© All rights reserved © 2025
Developer By insafIT.com.bd
https://writingbachelorthesis.com