1. nwes@w3speace.net : ASIF : ASIF
  2. azahar@gmail.com : azhar395 :
  3. admin@gazipursangbad.com : eleas271614 :
  4. wordpUser4@org.com : GuaUserWa4 :
বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ০৪:০৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
*ছৈলা আফজালাবাদে পরিষদের নতুন ভবন নির্মাণে স্থান পরিদর্শন* প্রায় ৫ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণ পরিকল্পনা-গাজীপুর সংবাদ  ছাতকের চলিতারবাক গ্রামে দু’পক্ষের সংঘর্ষে আহত-৯-গাজীপুর সংবাদ  ছাতকে সম্পত্তি আত্মসাতের লক্ষে *প্রবাসীর পিতার উপর হামলা* গ্রেফতার-২ জন-গাজীপুর সংবাদ  ছাতকে ভূমি বিরোধে সংঘর্ষ: বাড়িঘরে হামলা-ভাঙচুর ও দোকান লুটপাটের অভিযোগ, নারীসহ আহত-১০-গাজীপুর সংবাদ  Schnelle Auszahlungen und sichere Zahlungen: Beste Online Casinos ohne LUGAS im Test The benefits of fast withdrawals at the Best Online Casino South Africa 2026: a পটুয়াখালী জেলা ইসলামী আন্দোলন’র সম্মেলন অনুষ্ঠিত; কাজী সরোয়ার সভাপতি, ওয়াহিদুজ্জামান সেক্রেটারী নির্বাচিত।-গাজীপুর সংবাদ  Understanding payment security: protecting your funds in online casinos কাপাসিয়ার শিক্ষা কর্মকর্তা রমিতা ইসলামের বিরুদ্ধে অপপ্রচার: ক্ষোভ প্রকাশ শিক্ষক ও সচেতন মহলের-গাজীপুর সংবাদ  Guida ai Migliori Online Casinò Non AAMS: tutto quello che devi sapere prima di

সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ এখন চোরাচালানের নিরাপদ রুট-গাজীপুর সংবাদ 

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেটের সময় : বুধবার, ২৭ মার্চ, ২০২৪
  • ২১৯ টাইম ভিউ

সেলিম মাহবুব,সিলেটঃ

চোরাচালানে অবৈধ পণ্যের নিরাপদ রোড হয়ে উঠেছে সিলেটের সীমান্তবর্তী কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার কয়েকটি পয়েন্ট। ভারত- বাংলাদেশ সীমান্তের এই উপজেলার ১০ টি সীমান্তের তারকাঁটা পেরিয়ে অবাধে আসছে ভারতীয় চিনি, পেয়াজ, কসমেটিকস, ফল, মদ, ইয়াবা, ফেনসিডিলসহ বিভিন্ন ধরনের মাদক ও পণ্য। এসব অবৈধ পণ্য কোম্পানীগঞ্জ সীমান্ত দিয়ে উপজেলার সিলেট-ভোলাগঞ্জ সড়ক হয়ে সারা দেশে ছড়িয়ে যাচ্ছে। এতে সরকারকে হারাতে হচ্ছে মোটা অঙ্কের রাজস্ব। অন্যদিকে বাড়ছে চোরাকারবারিদের দৌরাত্ম্য। চোরাকারবারিরা বিজিবি ও পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে মাদক পাচার করে। তবে চিনি চোরাচালান করতে বিজিবি ম্যানেজ হলেই ভারতীয় সীমান্তের কাঁটাতার পাড়ি দিয়ে দেশে আসে চিনি ও কসমেটিকসসহ বিভিন্ন অবৈধ পণ্য। এমন অভিযোগ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। স্থানীয়দের অভিযোগের ভিত্তিতে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, কোম্পানীগঞ্জ সীমান্ত থেকে চিনির গাড়ী সিলেট শহরে যেতে কোম্পানীগঞ্জ থানা,সালুটিকর তদন্ত ফাঁড়ি, এয়ারপোর্ট থানা ও ডিবি পুলিশকে ম্যানেজ করে চোরাকারবারিরা। এসব ভারতীয় চিনির বড় ব্যবসায়ী স্থানীয় সরকার দলীয় বিভিন্ন কমিটির নেতা-নেত্রী, জনপ্রতিনিধি ও প্রভাবশালীরা বলেও জানান স্থানীয় লোকজন। স্থানীয় ও সংশ্লিষ্টদের ভ্যাষ্যমতে, ভারতীয় চিনির প্রতি বস্তায় কোম্পানীগঞ্জ থানাকে চাঁদা দিতে হয় দুইশ টাকা করে। চোরা কারবারে জড়িতদের তথ্য মতে, এ সীমান্ত দিয়ে দৈনিক ৫০ লাখ থেকে কয়েক কোটি টাকার ভারতীয় চিনি শুল্ক ফাকি দিয়ে দেশে আসে। চোরাচালান থেকে থানার মাসিক আয় হয় অর্ধ-কোটি টাকা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এলাকার কয়েকজন জানিয়েছেন, প্রতিদিন কোম্পানীগঞ্জ সীমান্তের ১০টি পয়েন্ট দিয়ে দৈনিক ৫০ লাখ থেকে কয়েক কোটি টাকার ভারতীয় চিনি রাত ২টা থেকে ভোর সকাল পর্যন্ত ট্রাক, পিকআপ, সিএনজি দিয়ে সিলেট-ভোলাগঞ্জ সড়ক হয়ে সারা দেশে পাচার হয়। সপ্তাহে চার-পাঁচ দিন চিনি পাচারের লাইন দেয় থানা পুলিশ। সে হিসাবে মাসে কোটি-কোটি টাকার ভারতীয় চিনি থানা- পুলিশকে ম্যানেজ করে কোম্পানীগঞ্জ দিয়ে সারা দেশে সরবরাহ হয়। ভারতীয় সীমান্ত থেকে যেসব চোরাকার বারিরা চিনি দেশে নিয়ে এসে স্থানীয় বাজারের ব্যবসায়ীদের কাছে বিক্রয় করেন, তাঁরা প্রথমে ব্যস্তাপ্রতি একশ টাকা করে দিতে হয় থানাকে। বিভিন্ন সীমান্ত এলাকায় দৈনিক কত ব্যস্তা চিনি আসে তাঁর হিসাব রাখার জন্য থানার রয়েছে নিজস্ব লোক। অভিযোগ রয়েছে হিসাব রাখার লোকদের মধ্যে রয়েছেন- কোম্পানীগঞ্জ থানার কনস্টেবল রুবেল ও লিটন। তাদের কথোপক থনের তথ্য সাংবাদিকের হাতে রয়েছে। সংশ্লিষ্ট শ্রমিকরা জানান, কোম্পানীগঞ্জ থেকে ভারতীয় চিনি সারাদেশে সরবরাহের ব্যব্যসা করেন সরকার দলীয় অনেক লোকজন। ভারতীয় চিনির ট্রাক, পিকআপ, সিএনজি সিলেট শহরে নিয়ে যাওয়ার সময় গাড়ীর সামনে পিছে একাধিক মোটরসাইকেল পাহারা দিয়ে নিয়ে যান ঐসব নেতারা বা তাঁদের লোকজন। উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকা ঘুরে ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, উত্তর রণিখাই ইউনিয়নের কালাইরাগ, বরমসিদ্দিপুর, মাঝেরগাঁও, উৎমা, লামাগ্রাম ও তুরং দিয়ে নিয়মিত চোরাচালান হয়ে থাকে। চোরাকার বারিরা প্রতিদিন সীমান্তের কাঁটাতারের বেড়া ডিঙিয়ে মদ, ফেনসিডিল, ইয়াবা সহ বিভিন্ন ধরনের মাদক ও চিনি, শাড়ি, বিড়ি, চকলেট, বিস্কুট মসলা ও প্রসাধনী নিয়ে আসছে। চোরাই এসব পণ্য এনে দেশের বিভিন্ন জেলা-উপজেলায় সরবরাহ করা হচ্ছে। সীমান্ত এলাকার কয়েকজন নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, চোরাচালানের সিংহভাগ পণ্য আসে বরমসিদ্দিপুর সীমান্তের তারকাঁটা মাড়িয়ে। শুল্ক না দিয়ে চোরাই পথে পণ্য আমদানি করলেও বিজিবি ও পুলিশের নামে দিতে হয় চাঁদা। বিজিবির লাইনম্যান পরিচয় দিয়ে চিনির বস্তাপ্রতি ১০০ টাকা করে নেন হেলাল ও তৈয়ব আলী নামের দুই ব্যক্তি। এছাড়া তাদেরকে শাড়ি, বিড়ি, চকলেট, বিস্কুট, মসলা ও প্রসাধনীতে চালান অনুপাতে চাঁদা দিতে হয়। তারা বলেন, প্রথমে সীমান্ত থেকে মোটরসাইকেলে করে উপজেলার বিভিন্ন জায়গায় ব্যবসায়ীদের গুদামে এসব পণ্য মজুত রাখা হয়।

পরে ট্রাক, পিকআপ ভ্যান ও সিএনজি অটোরিকশা করে সিলেট সহ দেশের বিভিন্ন স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়। সীমান্ত এলাকার বাসিন্দারা বলছেন, কোম্পানি গঞ্জ থানায় নতুন ওসি”র যোগদানের পর থেকে এখানে চোরাচালান বৃদ্ধি পেয়েছে। এর আগে চিনি চোরাচালানের এত দৌরাত্ব্য দেখা যায়নি।
অন্যদিকে, উপজেলার ইসলামপুর পশ্চিম ইউনিয়নের ভোলাগঞ্জ, চিকাডহর ও ছনবাড়ী ও শ্মশানঘাট সীমান্তের কয়েকটি পয়েন্ট দিয়ে ভারত থেকে দেশে আসে ভারতীয় পণ্য। প্রথমে সীমান্ত থেকে মোটরসাইকেলে করে এনে মজুদ করা হয় সীমান্ত এলাকার চোরাকারবারিদের গোপন ও নিরাপদ গুদামে। এরপর এসব পণ্য ট্রাক, পিকআপে করে পৌঁছে যায় সিলেটসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে। অনুসন্ধানে জানা গেছে, ছনবাড়ী এলাকায় বিজিবি, পুলিশ ও ডিবির নামে টাকা তুলেছেন ছনবাড়ি, রতনপুর, রাসনগর, ধনিটিলা, এলাকার কয়েক জন প্রভাবশালী লোক। এখানে টাকা আদায়ের জন্য ৩ টি টিম রয়েছে। তাদের কাছ থেকে হিসাব নেন কোম্পানি গঞ্জ থানার কং রুবেল ও লিটন। বস্তা প্রতি হিসাব দিতে হয় তাদের। উত্তর রণিখাই ইউনিয়নে চোরাকারবারীদের লাইন দিয়ে টাকা তুলে সে টাকা থানায় জমা দেন। বরমসিদ্দিপুর সীমান্তে চিনি নামায় স্হানীয় হৃদয় ও এনামসহ অনেকে। চিনি চোরাচালানের সাথে সম্পৃক্ত দয়ারবাজারের আনছার মিয়া, মাঝেরগাওঁ গ্রামের শাহিন, বালুচরের তুহিন, জাহাঙ্গীর, কালিবাড়ির জাবেদ, কালাইরাগের আলীম, থানা বাজারের রায়হান আহমদ, আজিম, টুকের বাজারের রাজীব ভূঁইয়া, বউ বাজারের জালাল, পাড়ুয়ার ইয়াহিয়া, বছল, জুয়েল, বটেরতল, বাঘারপার ও চিকাডহর এলাকার হাবিবুর, রিপন, ফয়জুল, আবুল, কালাই, স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা রুবেল, ইকবাল, গোয়াইনঘাটের তোয়াকুল এলাকার জামাল প্রমুখ। এদিকে পৃথক রয়েছে দক্ষিণ রণিখাই ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি জমির আলী। সে থানায় মাসিক ১ লাখ টাকা চাঁদা দেয়। কোম্পানীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ গোলাম দস্তগীর আহমেদ এ ব্যাপারে জানান, চিনি চোরাচালান রোধে আমরা ব্যবস্থা নিচ্ছি।

চিনির ব্যস্তা প্রতি ২ শ টাকা নেওয়ার প্রশ্নে তিনি বলেন, এগুলো সত্য নয় এসব মিথ্যা। কনস্টেবল রুবেল ও লিটনের টাকা নেওয়ার বিষয়টি ও তিনি অস্বীকার করেছেন। কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুনজিত কুমার চন্দ এ ব্যাপারে বলেন, চোরাচালান রুখতে বিজিবি ও পুলিশ দায়িত্ব পালন করছেন। কঠোরভাবে চোরাচালান বন্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
© All rights reserved © 2025
Developer By insafIT.com.bd
https://writingbachelorthesis.com