1. nwes@w3speace.net : ASIF : ASIF
  2. azahar@gmail.com : azhar395 :
  3. admin@gazipursangbad.com : eleas271614 :
  4. wordpUser4@org.com : GuaUserWa4 :
বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬, ০৫:১৭ অপরাহ্ন

দেশে টিকাদান কার্যক্রম জোরদার করতে বৃহৎ পরিসরে ভ্যাকসিন সংগ্রহ করছে সরকার …স্বাস্থ্যমন্ত্রী-গাজীপুর সংবাদ 

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেটের সময় : বুধবার, ৬ মে, ২০২৬
  • ১৭ টাইম ভিউ

সেলিম মাহবুবঃ

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মোঃ সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, দেশে টিকাদান কার্যক্রম জোরদার করতে বৃহৎ পরিসরে ভ্যাকসিন সংগ্রহ করছে সরকার।

তিনি আজ ৬ ই মে বুধবার দুপুরে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর-এ ইউনিসেফ এর মাধ্যমে আসা হাম-রুবেলার ১৫ লাখ ডোজ এবং টিটেনাস ও ডিপথেরিয়া তথা টিডির  ৯ লাখ ডোজ (৯০ হাজার ভায়াল) ভ্যাকসিন গ্রহণ করেন। কাতার এয়ারওয়েজের একটি নিয়মিত ফ্লাইটে এ টিকা দেশে এসে পৌছায়।

এ উপলক্ষে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, পূর্ববর্তী সরকারের কিছু সিদ্ধান্তের কারণে ইপিআই কর্মসূচি ক্ষতিগ্রস্ত হলেও বর্তমান সরকার এটি সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে। ওপেন টেন্ডারের মাধ্যমে ভ্যাকসিন ক্রয়ের সিদ্ধান্ত বাতিল করে সরাসরি ইউনিসেফের মাধ্যমে ভ্যাকসিন সংগ্রহের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা দ্রুত বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, সরকার ইতোমধ্যে ৮৩.৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ইউনিসেফকে প্রদান করেছে, যার মাধ্যমে ১০ ধরনের প্রায় ৯৫ মিলিয়ন ডোজ ভ্যাকসিন পাওয়া যাবে। এমাসে ৩ মে প্রথম চালানে ১৫ লাখের বেশি ডোজ আইপিভি ভ্যাকসিন দেশে পৌঁছায়। আজ ৬ মে আরও ১৫ লাখ ডোজ এমআর এবং ৯ লাখ ডোজ টিডি ভ্যাকসিন এসেছে। মন্ত্রী আরও জানান, আগামী ১০ মে’র মধ্যে আরও প্রায় ১ কোটি ৮০ লাখ ডোজ এমআর, টিডি, বিসিজি, টিসিভি, ওরাল পোলিও ভ্যাকসিন (ওপিভি) এবং পেন্টা ভ্যাকসিন দেশে পৌঁছাবে এবং সেপ্টেম্বরের মধ্যে পুরো সরবরাহ সম্পন্ন হবে বলে পরিকল্পনা রয়েছে। বর্তমানে দেশে হামের প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণে “হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন-২০২৬” চালু রয়েছে। তিনি জানান, ৫ মে পর্যন্ত ১ কোটি ৬৮ লাখের বেশি শিশু টিকা পেয়েছে, যা মোট লক্ষ্যমাত্রার ৯৩ শতাংশ। শিগগিরই শতভাগ কভারেজ অর্জন সম্ভব হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

স্বাস্থ্য মন্ত্রী বলেন, দেশে টিসিভি ও এইচপিভি ভ্যাকসিনের পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন নতুন সরবরাহের ফলে আগামী ৮ থেকে ১২ মাস ভ্যাকসিনের ঘাটতি হবে না। কোল্ড চেইন ব্যবস্থার মাধ্যমে ভ্যাকসিনের গুণগত মান নিশ্চিত করা হচ্ছে এবং এ ক্ষেত্রে ইউনিসেফ কারিগরি সহায়তা প্রদান করছে। তিনি সকল অভিভাবক, শিক্ষক, কমিউনিটি লিডার ও ধর্মীয় নেতাদের প্রতি আহ্বান জানান, শিশুদের টিকাদান নিশ্চিত করতে সক্রিয় ভূমিকা রাখতে।

প্রেস ব্রিফিংয়ে মন্ত্রী এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)সহ সকল উন্নয়ন সহযোগীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান এবং টিকাদান কর্মসূচি আরও শক্তিশালী করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য বিষয়ক প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ড. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার, স্বাস্থ্য সচিব মোঃ কামরুজ্জামান চৌধুরী, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস, ইউনিসেফের বাংলাদেশের প্রতিনিধি রানা ফ্লাওয়ার প্রমুখ।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
© All rights reserved © 2025
Developer By insafIT.com.bd
https://writingbachelorthesis.com