
মোঃ সাইফুল ইসলাম মানিক।
আর,এস রেকর্ড সংশোধনী মামলায় প্রায় দুইযুগ পেড়িয়ে গেলেও কোনো সুরাহা না হওয়ায় জমি নিয়ে চমর ভোগান্তিতে আছেন গাজীপুর মহানগর দক্ষিণ সালানা নিবাসী খায়রুন নেছা ও তার ছেলে মোঃ বিল্লাল হোসেন।
সরেজমিনে খোঁজ নিয়ে এবং সহকারী কমিশনার ভুমি (সদর) বরাবর আর,এস রেকর্ড সংশোধন প্রসঙ্গে খায়রুন নেছার ছেলে মোঃবিল্লাল হোসেনের একটি আবেদনের ভিত্তিতে জানা যায়, খায়রুন নেছা বিগত ইং ১৭/০৩/১৯৬৬ সন তারিখে কালিয়াকৈর সাব রেজিঃ অফিসে ৯৩৫নং দলিল মূলে ৯৩৫নং লীজ গ্রহণ করেন।
এবং নিজ নামে নামজারী ও জমাভাগ নথি নং ২৩৫ তাং- ১৯/০৩/১৯৬৮ যার জোত নং৩২৫,ডি.সি.আর নং-২৩৬০৪৯,১৩৭৯৫১,৭৩৭৯১৩,১১৭৭৫৫,৩৩৪৯৬০ ও ৪৯০৬৬৮ এবং খাজনা রশিদের মাধ্যমে বাংলা ১৩৭৪ সন হইতে ১৪০৯ সন পর্যন্ত ইং ১৯৬৮ হইতে ২০০২ ইং পর্যন্ত খাজনাদি পরিশোধ করে আসছে।
বর্তমানে খায়রুণ নেছার নামে ১৪২২ সন পর্যন্ত খাজনাধি পরিশোধ করা আছে। সি.এস খতিয়ান ১, এস.এ খতিয়ান ২, সি.এস দাগ ও এস.এস দাগ- ৮৬৮।
তার মালিকানাধীন একটি সম্পত্তির আর.এস রেকর্ডে ভুলবশত কিছু তথ্য ভুলভাবে লিপিবদ্ধ হওয়ায় তিনি ও তার পরিবার চরম ভোগান্তিতে দিনাতিপাত করে আসছে।
সংশ্লিষ্ট জমির বিবরণ নিচে উল্লেখ করা হলো: মৌজা: বিপ্রবর্ণা, জে.এল, নম্বর: ১৩, খতিয়ান নম্বর আর.এস: ১৭৩, আর.এস দাগ নম্বর: ১৭৮৮, আর.এস খতিয়ান ১৭৩ নং এ মাঠ পর্চা অনুযায়ী ১৭৮৮ জমির পরিমাণ ৭৮ শতাংশ। যাহা ঐ ভাবে পরে আছে।
পরবর্তী তিনি ভূমি অফিসে যোগাযোগ করে পর্চা তুলে দেখতে পান খায়রুন নেছার নামে আর.এস খতিয়ানে নাম ভলিয়মভূক্ত করা হয়নি।
পরবর্তীতে তার দখলীয়তা এবং মালিকানার প্রমাণস্বরূপ কাগজপত্র মোকদ্দমার রায়, চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত দলিল মূলে মালিক হয়ে বিজ্ঞ আদালতে মামলা নং ৮৬/২০০৩, তাং- ০৬/০৪/২০০৩, বিজ্ঞ ১ম সিনিয়র সহকারী জজ কোর্ট গাজীপুর আদালতে খাজনাদি-খারিজ সংযুক্ত করেন। সেখানে নালিশী জমিনের আর.এস খতিয়ান নং ১৭৩, আর.এস দাগ নং-১৭৮৮ নং দাগে জমির পরিমাণ ৭৮ শতাংশ। যাহার উত্তরে শহিদুল্লাহ, দক্ষিণে ফরিদ আলী এবং অন্যান্য পূর্বে এছহাকের বিক্রি জমি, পশ্চিমে আনছার আলী। এ চৌহুদীর মধ্যে নালিশী ৭৮ শতাংশ জমি বিদ্যমান রয়েছ।
তবে এবিষয়ে খায়রুণ নেছার ছেলে বিল্লাল হোসেন সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, সহকারী কমিশনার (ভুমি) সদর গাজীপুর যদি রেকর্ড সংশোধনে ব্যাবস্থা গ্রহন করলে তাদের দির্ঘ দিনের ভোগান্তি দুর হবে। স্থানীয় একাধিক ব্যাক্তি জানিয়েছেন, জায়গাটির ভোগদখলদার হিসাবে খায়রুণ নেছা ও তার পরিবারই রয়েছেন তবে আর এস রেকর্ডে তাদের নাম না থাকায় নানা বিড়ম্বনার স্বীকার হচ্ছেন তারা।
Leave a Reply