
নিজস্ব প্রতিবেদক : –
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ১১ নং ভরপাশা ইউনিয়নে নতুন এক নেতৃত্বের গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে। দীর্ঘদিনের পরিচিত মুখ, বিশিষ্ট সাংবাদিক ও সমাজসেবক এবং তরুণ উদ্যোক্তা খান মো: মেহেদী আসন্ন নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার প্রবল আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।
এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে ভোটারদের দ্বারে দ্বারে সশরীরে গণসংযোগ শুরু না করলেও,সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এবং শুভাকাঙ্ক্ষীদের মাধ্যমে তার আগাম পরিকল্পনা ও অঙ্গীকার এলাকার সচেতন মহলে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
একজন সংবাদকর্মী হিসেবে মাঠপর্যায়ের সমস্যাগুলো কাছ থেকে দেখার অভিজ্ঞতাকেই তিনি তার প্রধান শক্তি হিসেবে মনে করছেন।
ব্যতিক্রমী চিন্তা ও আধুনিক পরিকল্পনা: খান মো: মেহেদী তার নির্বাচনী ভাবনা নিয়ে বলেন, “আমি এই এলাকারই সন্তান। সাংবাদিকতার সুবাদে সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে থাকা সমস্যাগুলো আমি খুব কাছ থেকে দেখেছি। আমার বয়স কম হতে পারে, কিন্তু আমি এই এলাকার মানুষের মাঝেই সবসময় ভালোবাসা খুঁজে পাই। আমি চাই শুধু ইট-বালুর উন্নয়ন নয়, বরং সমাজকে সচেতন, শিক্ষিত ও মানবিক মূল্যবোধে সমৃদ্ধ করে একটি টেকসই অবকাঠামো গড়ে তুলতে।”
তার প্রধান লক্ষ্যসমূহ: ১. আধুনিক ও টেকসই রাস্তাঘাট নির্মাণ।
২. পরিবেশবান্ধব ও পরিকল্পিত ইউনিয়ন গঠন।
৩. যুবসমাজকে সচেতন ও কর্মমুখী করা।
৪. মাদক, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজমুক্ত ইউনিয়ন গড়া।
৫. প্রতিটি মানুষের কাছে উন্নয়নের সুফল পৌঁছে দেওয়া।
নির্বাচনী প্রেক্ষাপট: সরেজমিনে দেখা গেছে, সাংবাদিক খান মো: মেহেদী এখনো মাঠে না নামলেও তার আধুনিক ও গঠনমূলক চিন্তাধারা স্থানীয় তরুণ ভোটারদের মধ্যে আশার আলো দেখাচ্ছে। সাধারণ মানুষের মতে, একজন শিক্ষিত এবং সচেতন সংবাদকর্মী যখন জনপ্রতিনিধি হতে চান, তখন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষের অধিকার আদায় ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা সহজ হয়।
এ বিষয়ে খান মেহেদী বলেন, “১১ নং ভরপাশা ইউনিয়নের প্রতিটি মানুষ যেন উন্নয়নের সুফল সমানভাবে ভোগ করতে পারে—এই স্বপ্ন নিয়েই আমি এগিয়ে চলেছি। খুব শীঘ্রই আমি সবার দোয়া নিয়ে সরাসরি মাঠে নামব। ইনশাআল্লাহ, সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আমাদের ইউনিয়ন হবে একটি মডেল ইউনিয়ন।”
উন্নয়ন ও সচেতনার বার্তা নিয়ে সাংবাদিক খান মো: মেহেদীর এই আগাম ঘোষণা এখন ভরপাশার চায়ের দোকান থেকে শুরু করে পাড়া-মহল্লায় এক নতুন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।
Leave a Reply