
পিরোজপুর জেলা প্রতিনিধি
পিরোজপুর জেলার ভান্ডারিয়ায় মাছ বাজারে রং মিশিয়ে মাছ বিক্রির দৃশ্য ধারণ করতে গিয়ে এক সাংবাদিক হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে। এ সময় তাকে চান্ধা নিতে আইছো চান্ধা, সবাই তোমাকে চান্ধা দিবে, এখানে আসছো কেনো, যারা বাজার ডাক নিছে তারা দেখবে এছাড়াও বিভিন্ন কথা বলে হেনস্তা করে।
আজ শনিবার (১৮ এপ্রিল) দুপুর ২:০০ ঘটিকার দিকে ভান্ডারিয়া পৌর শহরের মাছ বাজারে এ ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী ওই সাংবাদিকের নাম মেহেদী হাসান। তিনি দৈনিক অনন্ত বাংলা নিউজের উপজেলা প্রতিনিধি। তিনি জানান, মাছ বাজারে প্রাই সাদা মাছ রঙ মিশিয়ে বিক্রি করে। আমি ইতিপূর্বে তিনবার ভিডিও ধারন করেছি। তিনবারই স্থানীয় ব্যবসায়ীরা ব্যবস্থা নিয়েছেন এবং তাদের সাধারণ ক্ষমা করার রিকুয়েষ্ট করেছেন বিদায় কোনো নিউজ করেননি।

তিনি আরও বলেন, সাধারণ ক্ষমা ও সাবধানতার পরেও পরেও আজ সকাল ৯ ঘটিকার দিকে তারা এমন কাজ করতেছিলো। আমি নদীর ওপার থেকে প্রথমে ভিডিও ধারন করি, স্থানীয় মাছ বিক্রেতা আহসানউল্লাহ ডাক দিলে মাছ বাজারে যাই, তখন যেই লোক মাছে রঙ মিশাতে ছিলো তাকে দেখতে পাইনি। অন্যান্য পত্রিকার সাংবাদিক মুঠফোনে সংবাদ পেয়ে মাছ বাজারে ছুটে আসেন। স্থানীয় মাছ বিক্রেতা হেলাল ফরাজী, রাজু, শহিদুল ইসলাম ব্যবস্থা নিবেন বলে জানায় এবং তিনটি প্রতিকার সাংবাদিকদের পাঠাইয়ে দেন। পরবর্তীতে তিনি দুপুর ২ ঘটিকায় মাছ বাজারে মাছ ক্রয়ের জন্য যান এবং তখন তিনি সেই রঙ মিশানো মাছ বিক্রেতাকে দেখতে পান। মাছ বিক্রেতা মোঃ সাইফুল ইসলাম (৪০) ভান্ডারিয়া উপজেলার ভিটাবাড়িয়া ইউনিয়নের বাসিন্দা।
মাছ বিক্রেতাকে দেখতে পেয়ে সামনে আগালে দোকান রেখে ড্রামের পিছনে লুকিয়ে পরে। মুঠ ফোনে ভিডিও ধারন করার সময় সে দৌড়ে পালিয়ে যায়। কিছু সময় পরে সেই দোকানে সাইফুল ইসলাম এর ভাই পরিচয়ে একজনকে পাওয়া যায়। তার সাথে কথা বলার সময় বাজারের মাছ ব্যবসায়ীরা জমা হয় এবং অসাধু মাচ বিক্রেতা সাইফুল ইসলাম এর ভাইকে বুঝাতে থাকে। তখন হঠাৎ করে স্থানীয় মাছ বিক্রেতা দেলোয়ার হোসেন এসে বলেন রঙ কখন মিশায় যানো, এছাড়াও বিভিন্ন ধরনের কথা বলতে থাকেন। স্থানীয় মাছ বিক্রেতা হেলাল ফরাজি

ও রাজু বিষয়টি দেখবে এবং কঠিন সিদ্ধান্ত নিবেন বলে সাংবাদিক মেহেদী হাসানকে বুঝিয়ে পাঠিয়ে দেয়ার সময় দেলোয়ার হোসেন বলেন এখন সবাই কি তোমারে চান্ধা দেবে চান্ধা, চান্ধা নিতে আইছো, তোরে এগুলা দেখতে বলছে কে, বাজার যারা ডাকে নিছে তারা দেখবে, এছাড়া বিভিন্ন কথা বলে হেনস্তা করতে থাকে তার উত্তরে সাংবাদিক মেহেদী হাসান বুঝাতে থাকেন যে রঙ মিশানো মাছ খেলে ক্যান্সার হয় এর চেয়ে পচা মাছ খাওয়াও ভালো তাতে শুধু পেট খারাপ হয়।
এমন সময় স্থানীয় বাসিন্ধা নিজাম মাস্টার (৫২) এসে তর্কবিতর্ক শুনে সাংবাদিক এর পক্ষে কথা বলেন পরবর্তীতে তার সাথেও তর্কবিতর্ক হয়। স্থানীয় জনসাধারণ রঙ মিশানো মাছ বিক্রি বন্ধের দাবি জানান এবং বলেন এটা স্থানীয় মিছু অসাধু মাছ বিক্রেতার কারনে বাজারে প্রতিনিয়ত মাছে রঙ মিশিয়ে বিক্রি করে, ক্রেতাদের সাথে খারাপ ব্যবহার করে।
Leave a Reply