
মোহাম্মদ মাসুদ
বাংলাদেশকে হিন্দু রাষ্ট্র গঠনে প্রকাশ্যে হুমকিতে সাম্প্রতিক সময়ে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট চৈতালীর বাষ্ট্রবিরোধী বক্তব্য মন্তব্যে ধর্মীয় ইস্যুতে বিভাজন শান্তি বিনষ্টে শীর্ষ সমালোচিত হয় সোশ্যাল মিডিয়া গণমাধ্যম সারা দেশজুড়ে। ইসলাম মুসলিম প্রিয় মানুষ ধর্মীয় সংগঠন ধর্মীয়নেতা ও সাধারণ মানুষের দাবি এটি দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র ফ্যাসিস্টদের পূর্ব পরিকল্পিত। ধর্মীয় ইস্যুতে বেআইনি রাষ্ট্রবিরতি কার্যক্রম উস্কানিমূলক ঘোষণায় রাজপথ উতপ্ত ধর্মীয় চেতনায় আঘাত। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিতে শান্তি বিনষ্টকারী। অসাম্প্রদায়িক বিরোধ বৈষম্য গুজব উস্কানি দাঙ্গা হাঙ্গামা ষড়যন্ত্রকারীর বিরুদ্ধে রাজপথ প্রতিবাদ মিছিল তীব্র আন্দোলন। দেশের সাধারণ মানুষ ও মুসলিম জনতার প্রতিবাদে উত্তপ্ত রাজপথ মিছিল আন্দোলনের প্রতিক্রিয়া জানান। বাংলাদেশ সহ দক্ষিণ এশিয়ার প্রেক্ষাপটে এই বিষয়গুলোর প্রভাব গভীর।
১৯জুন (শুক্রবার) সন্ধ্যার পর থেকে হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের পক্ষ থেকে রাজপথে হিন্দু ধর্মীয় স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ মূর্তি নির্মাণে বাঁধা ইস্যুকে কেন্দ্র করে নানা স্লোগান আন্দোলন করতে দেখা যায় সংখ্যালঘু ধর্মালম্বীদের।
অবিলম্বে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনুন।
প্রতিবাদকারীদের দাবি, উগ্র গোষ্ঠী ও বাংলাদেশ বিরোধী চক্রান্তকারীরা চৈতালীকে আথবা আন্দোলনকারীকে হত্য করে বিএনপি, জামাত, এনসিপি কিংবা বাংলাদেশের যে কারো উপর দোষ চাপিয়ে এর মাধ্যমে দাঙ্গা সংঘটিত করার নেক্কারজনক চেষ্টা হতে পারে। নিরাপত্তার কথা মাথায় নিয়ে হলেও, চৈতালীকে আথবা আন্দোলনকারীকে আইনের আওতায় আনা পুলিশি হেফাজতে নেওয়া জরূরী দরকার বলে মনে করি।
আরো বলেন, সংসদে প্রতিনিধিত্বকারী প্রতিটি দলের নেতা কর্মীদের বলছি, দোহাই লাগে ঘুম থেকে উঠুন। অন্ধের অভিনয় বন্ধ করুন। ঐক্যবদ্ধ থাকুন। হালকা ভাবে আর না নিয়ে, গুরুত্ব দিন। আপনারা চুপ থাকার সর্বোচ্চ চেষ্টা অব্যাহত রাখলেও, চক্রান্তকারীরা কিন্তু চুপ নেই।
প্রকাশ্যে বাংলাদেশের ভেতর সনাতন ধর্মাবলম্বীদের জন্য একটি ‘আলাদা প্রদেশ’ গঠনের ঘোষণা ও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। তার এই বিতর্কিত বক্তব্যকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। দেশের নাগরিক হয়ে দেশের বিরুদ্ধে অবস্থান বক্তব্য মন্তব্য আলোচনা শীর্ষ সমালোচিত হয় প্রশ্নবিদ্ধ হয় জনমনে।। ভারতের দালাল রাষ্ট্রবিরোধী নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের দোসরের হুক মুখোশ উন্মোচন মুখ খুললেন তরুণ সাহসী জুলাই বোদ্ধা প্রবাসী।৷ সাম্প্রতিক সময়ে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট চৈতালী চক্রবর্তী (যিনি চৈতালী চৌধুরী বা চৈতালী রায় নামেও পরিচিত)
ঘটনা প্রবাহে ৯০ ভাগ মুসলিম প্রধান দেশে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করে বাংলাদেশকে হিন্দু রাষ্ট্র গঠনের প্রকাশ্যে হুমকি দুঃসাহস ও হুশিয়ারি ষড়যন্ত্রকারী অ্যডভোকেট চৈতালির বিরুদ্ধে বিস্ফোরক তথ্য ফাঁস। প্রকাশ্যে বাংলাদেশের ভেতর সনাতন ধর্মাবলম্বীদের জন্য একটি ‘আলাদা প্রদেশ’ গঠনের ঘোষণা ও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। তার এই বিতর্কিত বক্তব্যকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
তথ্যমতে, ধর্মীয় ইস্যুতে দেশের নাগরিক হয়ে দেশের বিরুদ্ধে অবস্থান বক্তব্য মন্তব্য আলোচনা শীর্ষ সমালোচিত হয় প্রশ্নবিদ্ধ হয় জনমনে। যারা সংখ্যালঘু ধর্মীয় স্বাধীনতা ইসুকে আন্দোলন করছে তারা ভারতের দালাল রাষ্ট্রবিরোধী নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের দোসরের হুক মুখোশ উন্মোচন মুখ খুললেন তরুণ সাহসী জুলাই বোদ্ধা প্রবাসী।৷ সাম্প্রতিক সময়ে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট চৈতালী চক্রবর্তী (যিনি চৈতালী চৌধুরী বা চৈতালী রায় নামেও পরিচিত)
অসাম্প্রদায় ধর্মীয় স্বাধীনতায় শান্তিপ্রিয় দেশে হিন্দু রাষ্ট্রের ঘোষণায় বিতর্কের মূল বিষয়বস্তু ঘটনাপ্রবাহে রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্র আওয়ামী ফ্যসিস্ট সরকারের দোসর দালাল হিসেবে আত্মগোপনে ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে বলে প্রতিবাদ জানানো হয়।
এডভোকেট মানবধিকার কর্মী হিন্দু নেতা হিসেবে চৈতালি বলেন, দেশের সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ওপর বাড়াবাড়ি করা হলে, ভবিষ্যতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সাহায্য নিয়ে বাংলাদেশের ভেতর হিন্দুদের জন্য আলাদা প্রদেশের দাবি তোলা হতে পারে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
জনমনে তীব্র মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়। তার এই বক্তব্যকে কেন্দ্র করে সোশ্যাল মিডিয়ায় তীব্র সমালোচনার ঝড় ওঠে। অনেকেই তার বক্তব্যকে রাষ্ট্রবিরোধী, বিভাজন সৃষ্টিকারী ও চরম উসকানিমূলক আখ্যা দিয়ে তাকে অবিলম্বে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।
দেশের সাধারণ মানুষ ও মুসলিম জনতার প্রতিবাদে উত্তপ্ত রাজপথ মিছিল আন্দোলনের প্রতিক্রিয়া জানান। এই ধরনের বক্তব্যের তীব্র বিরোধিতা করে বলা হয়েছে যে, আধুনিক রাষ্ট্র গঠন হয় সাংবিধানিক অধিকার, সমান নাগরিকত্ব এবং আইনের সুরক্ষার ওপর ভিত্তি করে, ধর্মের ভিত্তিতে দেশ বিভাজনের কোনো সুযোগ নেই। তার এই বক্তব্য নিয়ে বিস্তারিত খবর ও সামাজিক মাধ্যমের বিভিন্ন বিতর্কিত সমালোচিত হয়েছে।
নিজ নিজ অবস্থান থেকে বাংলাদেশের অসাম্প্রদায়িক চেতনা ও সার্বভৌমত্ব বজায় রাখার বিষয়টিও বিভিন্ন মহলে জোর দেওয়া হয়েছে। দেশপ্রেমিক নাগরিক দেশমাতৃকার প্রয়োজনে বৃহৎ জনস্বার্থে প্রত্যেক নাগরিক অধিকার ও সচেতন নাগরিক হিসেবে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিই হোক সার্বভৌম স্বাধীন রাষ্ট্র ও ধর্মের স্বাধীন নাগরিক অধিকারের নিশ্চয়তা নিরাপত্তার ধারক বাহক পরিচয়ক।
Leave a Reply