
মোহাম্মদ মাসুদ
চট্টগ্রামে যথাযোগ্য ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য, শোক, শ্রদ্ধা ও ত্যাগের মহিমায় পালিত হয়েছে পবিত্র আশুরা উপলক্ষে তাজিয়া মিছিল। আজ ইসলামিক ইতিহাসে মুসলিম উম্মাহর ঐতিহাসিক স্মৃতি বিজড়িত দিন। স্মরণীয় গভীর শোকের প্রতীক স্মরণীয় দিন। দেশজুড়ে যথাযোগ্য ধর্মীয় মর্যাদায় পবিত্র আশুরা পালিত। ফোরাত নদীর তীরে কারবালা প্রান্তরে ইমাম হোসাইন (রা.)-এর শাহাদাতের স্মরণে দিনটি মুসলিম উম্মাহর কাছে গভীর শোকের।
ইসলামি বর্ষপঞ্জির মহররম মাসের ১০ তারিখে অনুষ্ঠিত এ কর্মসূচিতে বিভিন্ন শিয়া সম্প্রদায়ের ইমামবাড়া, ধর্মীয় ও সামাজিক সংগঠনের উদ্যোগে হাজারো ধর্মপ্রাণ মানুষ অংশগ্রহণ করেন।
১০ মহররম ২৬জুন, সকালে বিভিন্ন ইমামবাড়া থেকে তাজিয়া মিছিল বের হয়ে নগরীর নির্ধারিত সড়ক প্রদক্ষিণ করে। অংশগ্রহণকারীরা কালো পোশাক পরিধান করে শোক প্রকাশ করেন এবং ইমাম হুসাইন (রা.) ও কারবালার শহীদগণ-এর আত্মত্যাগের স্মরণে বিভিন্ন ধর্মীয় কর্মসূচিতে অংশ নেন।
চট্টগ্রামে আশুরার প্রধান তাজিয়া মিছিলগুলো মূলত সদরঘাট ইমামবাড়া এবং আন্দরকিল্লা ইমামবাড়া কেন্দ্র করে অনুষ্ঠিত হয়। এসব মিছিলে নগরীর বিভিন্ন এলাকা—যেমন ঝাউতলা, রৌফাবাদ, বায়েজিদ, পাঁচলাইশ ও আশপাশের এলাকা থেকে শোকাহত ধর্মপ্রাণ মানুষ অংশ নেন।
ঝাউতলা ও রৌফাবাদ এলাকার অংশগ্রহণকারীদের কার্যক্রম সাধারণত দেখা যায়, সকাল থেকেই স্থানীয় ইমামবাড়া বা নির্ধারিত সমাবেশস্থলে জড়ো হওয়া। কালো পোশাক পরিধান, কালো পতাকা, আলম ও তাবুত বহন।
কারবালার শহীদদের স্মরণে মারসিয়া পাঠ, নওহা, বুকে মাতম এবং “হায় হুসাইন” ধ্বনি। পরে কেন্দ্রীয় তাজিয়া মিছিলে যোগদান করে নির্ধারিত সড়ক প্রদক্ষিণ। অনুষ্ঠান শেষে দোয়া, মিলাদ, কোরআনখানি ও তবারুক বিতরণ।
অনেক স্থানে পথচারীদের মাঝে বিশুদ্ধ পানি ও শরবত বিতরণ করা হয়।
মিছিলজুড়ে ছিল শোকের প্রতীক কালো পতাকা, তাজিয়া, ধর্মীয় ব্যানার ও ঐতিহ্যবাহী মাতম। বিভিন্ন স্থানে পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত, হামদ-নাত, মারসিয়া পাঠ এবং কারবালার মর্মান্তিক ঘটনার ওপর আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। বক্তারা বলেন, কারবালার শিক্ষা অন্যায়, জুলুম ও অবিচারের বিরুদ্ধে সত্য ও ন্যায়ের পথে অবিচল থাকার প্রেরণা দেয়।
এ উপলক্ষে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা মিছিলের পুরো পথে দায়িত্ব পালন করেন। পাশাপাশি স্বেচ্ছাসেবীরা শৃঙ্খলা বজায় রাখা, চিকিৎসা সহায়তা ও বিশুদ্ধ পানি বিতরণে সহযোগিতা করেন।
অনুষ্ঠানে বিভিন্ন ধর্মীয় ও সামাজিক ব্যক্তিত্ব উপস্থিত থেকে পবিত্র আশুরার তাৎপর্য তুলে ধরেন। তারা বলেন, আশুরা কেবল শোকের দিন নয়, বরং সত্য, ন্যায়, ধৈর্য, আত্মত্যাগ এবং মানবতার আদর্শ প্রতিষ্ঠার এক অনন্য শিক্ষা।
দিনব্যাপী বিভিন্ন ইমামবাড়ায় মিলাদ, দোয়া মাহফিল, কোরআনখানি এবং তবারুক বিতরণের আয়োজন করা হয়। দেশের শান্তি, সম্প্রীতি, কল্যাণ এবং মুসলিম উম্মাহর ঐক্য কামনা করে বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।
পবিত্র আশুরা উপলক্ষে আয়োজিত এসব কর্মসূচি শান্তিপূর্ণ পরিবেশে সম্পন্ন হয়। শোক ও শ্রদ্ধার মধ্য দিয়ে অংশগ্রহণকারীরা কারবালার মহান আত্মত্যাগের চেতনা ধারণ করে সমাজে ন্যায়, ইনসাফ, মানবতা ও ভ্রাতৃত্ববোধ প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানান।

শোক, শ্রদ্ধা ও ত্যাগের মহিমায় চট্টগ্রামে পালিত হলো পবিত্র আশুরার তাজিয়া মিছিল! বিস্তারিত অনুষ্ঠান কার্যক্রম আয়োজন লিখে দিন তথ্য বিবরণী বাস্তব চিত্রে
নিচে একটি সংবাদধর্মী, বাস্তবসম্মত ও নিরপেক্ষ তথ্যভিত্তিক প্রতিবেদন দেওয়া হলো। নির্দিষ্ট সংখ্যা বা এমন তথ্য যোগ করা হয়নি যা যাচাই ছাড়া নিশ্চিতভাবে বলা যায় না।
শোক, শ্রদ্ধা ও ত্যাগের মহিমায় চট্টগ্রামে পালিত হলো পবিত্র আশুরার তাজিয়া মিছিল
চট্টগ্রামে যথাযোগ্য ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য, শোক, শ্রদ্ধা ও ত্যাগের মহিমায় পালিত হয়েছে পবিত্র আশুরা উপলক্ষে তাজিয়া মিছিল। ইসলামি বর্ষপঞ্জির মহররম মাসের ১০ তারিখে অনুষ্ঠিত এ কর্মসূচিতে বিভিন্ন শিয়া সম্প্রদায়ের ইমামবাড়া, ধর্মীয় ও সামাজিক সংগঠনের উদ্যোগে হাজারো ধর্মপ্রাণ মানুষ অংশগ্রহণ করেন।
সকালে বিভিন্ন ইমামবাড়া থেকে তাজিয়া মিছিল বের হয়ে নগরীর নির্ধারিত সড়ক প্রদক্ষিণ করে। অংশগ্রহণকারীরা কালো পোশাক পরিধান করে শোক প্রকাশ করেন এবং ইমাম হুসাইন (রা.) ও কারবালার শহীদগণ-এর আত্মত্যাগের স্মরণে বিভিন্ন ধর্মীয় কর্মসূচিতে অংশ নেন।
মিছিলজুড়ে ছিল শোকের প্রতীক কালো পতাকা, তাজিয়া, ধর্মীয় ব্যানার ও ঐতিহ্যবাহী মাতম। বিভিন্ন স্থানে পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত, হামদ-নাত, মারসিয়া পাঠ এবং কারবালার মর্মান্তিক ঘটনার ওপর আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। বক্তারা বলেন, কারবালার শিক্ষা অন্যায়, জুলুম ও অবিচারের বিরুদ্ধে সত্য ও ন্যায়ের পথে অবিচল থাকার প্রেরণা দেয়।
এ উপলক্ষে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা মিছিলের পুরো পথে দায়িত্ব পালন করেন। পাশাপাশি স্বেচ্ছাসেবীরা শৃঙ্খলা বজায় রাখা, চিকিৎসা সহায়তা ও বিশুদ্ধ পানি বিতরণে সহযোগিতা করেন।
অনুষ্ঠানে বিভিন্ন ধর্মীয় ও সামাজিক ব্যক্তিত্ব উপস্থিত থেকে পবিত্র আশুরার তাৎপর্য তুলে ধরেন। তারা বলেন, আশুরা কেবল শোকের দিন নয়, বরং সত্য, ন্যায়, ধৈর্য, আত্মত্যাগ এবং মানবতার আদর্শ প্রতিষ্ঠার এক অনন্য শিক্ষা।
দিনব্যাপী বিভিন্ন ইমামবাড়ায় মিলাদ, দোয়া মাহফিল, কোরআনখানি এবং তবারুক বিতরণের আয়োজন করা হয়। দেশের শান্তি, সম্প্রীতি, কল্যাণ এবং মুসলিম উম্মাহর ঐক্য কামনা করে বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।
পবিত্র আশুরা উপলক্ষে আয়োজিত এসব কর্মসূচি শান্তিপূর্ণ পরিবেশে সম্পন্ন হয়। শোক ও শ্রদ্ধার মধ্য দিয়ে অংশগ্রহণকারীরা কারবালার মহান আত্মত্যাগের চেতনা ধারণ করে সমাজে ন্যায়, ইনসাফ, মানবতা ও ভ্রাতৃত্ববোধ প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানান।
উল্লেখ্য : শোক, শ্রদ্ধা ও ত্যাগের মহিমায় চট্টগ্রামে পালিত হলো পবিত্র আশুরার তাজিয়া মিছিল অনুষ্ঠান কার্যক্রম আয়োজন তথ্য বিবরণী বাস্তব চিত্রে দেখা যায়। সংবাদধর্মী, বাস্তবসম্মত ও নিরপেক্ষ তথ্যভিত্তিক প্রতিবেদনে নির্দিষ্ট সংখ্যা বা এমন তথ্য যোগ করা হয়নি যা যাচাই ছাড়া নিশ্চিতভাবে বলা যায় না।
Leave a Reply