1. nwes@w3speace.net : ASIF : ASIF
  2. azahar@gmail.com : azhar395 :
  3. admin@gazipursangbad.com : eleas271614 :
  4. wordpUser4@org.com : GuaUserWa4 :
বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:১১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
পবিপ্রবিতে ইএসডিএম ক্লাবের উদ্যোগে “Higher studies and Research in Germany”শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত।-গাজীপুর সংবাদ  Guida ai prelievi nei casinò online: tutto quello che devi sapere ইখতিয়ার উদ্দিন বায়েজিদ বোস্তামী থানার নতুন ওসি জননিরাপত্তা অপরাধ দমনে অভিযানে সকলের সহায়তা: সিএমপি-গাজীপুর সংবাদ  অ্যান্টিসিপেটরি এ্যাকশন ট্রিগার-বেইজড পাইলট-২০২৬’ প্রকল্পের আওতায় পাহাড়ধসের ঝুঁকি মোকাবিলায় ৪২০ পরিবারকে নগদ সহায়তা-গাজীপুর সংবাদ  নৌকা নিয়ে চা বিক্রি করা বাবার স্বপ্নপূরণ: ৭৫ লাখ টাকার স্কলারশিপ পেলেন গনেশপুরের রুহি-গাজীপুর সংবাদ  কেক কেটে ডাকুয়া ব্রিজ বাজারে সিটি ব্যাংক এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের যাত্রা শুরু-গাজীপুর সংবাদ  ছাতক-গোবিন্দগঞ্জ সড়কের গাছ কাটা নিয়ে জনমনে নানা উদ্বেগ দেখা দিয়েছে-গাজীপুর সংবাদ  ছাতকে পবিত্র ঈদে মিলাদুনন্নবী উপলক্ষে বর্ণাঢ্য মুবারক র্যালি অনুষ্ঠিত-গাজীপুর সংবাদ  ছাতক-সিলেট রেলপথ প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে কিন্তু কাজ শেষ হয়নি চারআনা-গাজীপুর সংবাদ  প্রতারণা মামলায় হয়রানির অভিযোগ, জমি ক্রয়ের পরও মামলায় জড়ানোর দাবি ভুক্তভোগীর-গাজীপুর সংবাদ 

অক্টোবরে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্ততি ইসির: প্রথম ধাপে ইউপি ও পৌরসভা-গাজীীপুর সংবাদ 

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেটের সময় : সোমবার, ৬ জুলাই, ২০২৬
  • ৮৭ টাইম ভিউ

ডেক্স নিউজ

অক্টোবরে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্ততি ইসির: প্রথম ধাপে ইউপি ও পৌরসভা নির্বাচন কমিশন (ইসি) আগামী অক্টোবর থেকে পর্যায়ক্রমে স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। কমিশনের পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রথম ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) ও পৌরসভা নির্বাচনের আয়োজন করা হতে পারে।
সোমবার (৬ জুলাই) সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান ইসি মাছউদ।
নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেন, সরকারের সঙ্গে প্রয়োজনীয় সমন্বয় করে এক থেকে দেড় মাসের মধ্যে স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি শেষ করা সম্ভব হবে।

রাজধানীর নির্বাচন ভবনে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে তিনি আরও বলেন, পর্যায়ক্রমে সকল স্থানীয় সরকার নির্বাচন সম্পন্ন করতে প্রায় এক বছর সময় লাগতে পারে।

রহমানেল মাছউদ বলেন, বর্তমানে স্থানীয় সরকারের প্রায় সব স্তরের নির্বাচন বাকি রয়েছে। সংবিধান ও আইনের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে এসব নির্বাচন পর্যায়ক্রমে সম্পন্ন করতে হবে। কমিশন ইতোমধ্যে অক্টোবরকে সামনে রেখে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি শুরু করেছে।

তিনি বলেন, কোন স্তরের নির্বাচন আগে হবে, সে বিষয়ে কমিশনের আনুষ্ঠানিক কোন সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে বাস্তবতা ও প্রশাসনিক প্রয়োজন বিবেচনায় প্রথমে ইউপি এবং পৌরসভা নির্বাচন হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। উপজেলা পরিষদ গঠনের ক্ষেত্রে ইউনিয়ন পরিষদ ও পৌরসভা নির্বাচনের গুরুত্ব রয়েছে। তাই এ দুটি নির্বাচন আগে সম্পন্ন করে পরবর্তী সময়ে উপজেলা পরিষদ নির্বাচন আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে বলেও জানান।

নির্বাচন কমিশনার মাছউদ বলেন, নির্বাচন অনুষ্ঠানের সময় নির্ধারণে বিভিন্ন বিষয় বিবেচনায় নেওয়া হয়। এর মধ্যে রয়েছে পাবলিক পরীক্ষা, ধর্মীয় উৎসব ও আচার-অনুষ্ঠান, বর্ষা মৌসুম এবং দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের ভৌগোলিক ও যোগাযোগ পরিস্থিতি। এসব বিষয় পর্যালোচনা করেই কমিশন চূড়ান্ত তফসিল ঘোষণা করবে।

সরকারের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক যোগাযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘এখনও এ বিষয়ে সরকারের সঙ্গে কোনো আনুষ্ঠানিক আলোচনা হয়নি এবং সরকারের পক্ষ থেকেও কমিশনের কাছে কোনো চিঠিও আসেনি। তবে কমিশন নিজস্ব উদ্যোগে সব ধরনের প্রস্তুতি এগিয়ে নিচ্ছে। সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ শুরু হলে এক থেকে দেড় মাসের মধ্যেই নির্বাচন আয়োজনের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা সম্ভব হবে বলে আমরা আশাবাদী।’

সবধরনের স্থানীয় সরকার নির্বাচন শেষ করতে কত সময় লাগতে পারে-এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা, উপজেলা পরিষদ, জেলা পরিষদ এবং সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন পর্যায়ক্রমে সম্পন্ন করতে প্রায় এক বছর সময় লাগতে পারে।

এই নির্বাচন কমিশনার জানান, স্থানীয় সরকার নির্বাচন উপলক্ষ্যে আইন, বিধিমালা ও আচরণবিধি সংশোধনের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে। আচরণবিধির খসড়া ইতোমধ্যে কমিশনের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে। রাজনৈতিক দল, সুশীল সমাজ, গণমাধ্যম এবং সাধারণ মানুষের কাছ থেকে মতামত আহ্বান করা হয়েছে। প্রাপ্ত মতামত যাচাই-বাছাই করে প্রয়োজনীয় সংযোজন ও বিয়োজন করা হবে।

তিনি আরও বলেন, সংশোধিত বিধিমালায় কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনা হচ্ছে। ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে প্রার্থীদের জামানতের পরিমাণ বাড়ানো হবে। অনলাইনে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সুযোগ থাকছে না। আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ব্যবহার করা হবে না। পোস্টাল ব্যালটের ব্যবস্থাও থাকছে না। এছাড়া জাতীয় নির্বাচনের মতো পোস্টার ব্যবহারও থাকবে না।

বর্তমানে কতটি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত রয়েছে- এমন প্রশ্নের জবাবে আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেন, প্রায় সাড়ে ৪ হাজারের বেশি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন আয়োজনের জন্য প্রস্তুত রয়েছে।

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পর্কে তিনি বলেন, প্রাথমিকভাবে পুলিশ, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এবং আনসার সদস্যদের দায়িত্বে নির্বাচন পরিচালনার পরিকল্পনা রয়েছে। স্থানীয় সরকার নির্বাচন অঞ্চলভিত্তিক পর্যায়ে অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিটি ধাপের অভিজ্ঞতা মূল্যায়ন করে পরবর্তী ধাপের নিরাপত্তা পরিকল্পনা নির্ধারণ করা হবে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে রহমানেল মাছউদ বলেন, দেশি-বিদেশি পর্যবেক্ষক এবং গণমাধ্যম নির্বাচনটিকে গ্রহণযোগ্য হিসেবে মূল্যায়ন করেছে। স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও সেই মান বজায় রাখতে কমিশন সর্বোচ্চ চেষ্টা করবে এবং এক্ষেত্রে রাজনৈতিক দল, প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, গণমাধ্যম ও ভোটারদের সহযোগিতা প্রয়োজন হবে।

তিনি আরও বলেন, অতীতে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনগুলোতে তুলনামূলক বেশি সংঘাত ও সহিংসতা দেখা গেছে। কারণ এসব নির্বাচন প্রত্যন্ত অঞ্চলে স্থানীয় প্রতিদ্বন্দ্বিতাকে কেন্দ্র করে অনুষ্ঠিত হয়। কমিশন এবার সহিংসতা কমিয়ে এনে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট গ্রহণ নিশ্চিত করতে বিশেষ ব্যবস্থা নেবে।

এদিকে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী এবং নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সম্প্রতি সংসদে বলেন, অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও অংশগ্রহণমূলক স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের লক্ষ্যে নির্বাচন কমিশন ইতোমধ্যে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি শুরু করেছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য কমিশন প্রয়োজনীয় সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করছে বলেও তিনি জানান।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
© All rights reserved © 2025
Developer By insafIT.com.bd
https://writingbachelorthesis.com