
মোহাম্মদ মাসুদ
পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে চট্টগ্রামে আয়োজিত ৫৫তম ঐতিহাসিক জশনে জুলুস। জুলুসের মূল নেতৃত্ব দিচ্ছেন পাকিস্তানের দরবারে সিরিকোটের সাজ্জাদানশীন পীর আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ সাবির শাহ (ম.জি.আ.)।
আনজুমানে রহমানিয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনায় ও গাউসিয়া কমিটির সার্বিক সহযোগিতায় এই বিশাল ধর্মীয় ও আধ্যাত্মিক সমাবেশ পরিচালিত হচ্ছে।
১২ রবিউল আউয়াল (বুধবার) ২৬ আগস্ট ২০২৬ সকাল ৮টায় ঐতিহাসিক ধারাবাহিক কার্যক্রমে নগরীর গুরুত্বপূর্ণ প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণে সমাপ্তি ও মোনাজাতে মধ্য দিয়ে সমাবেশ সমাপ্তি হবে
জুলুসে অতিথি ও উপস্থিতিতে তাঁর সঙ্গে বিশেষ অতিথি ও উপনেতা হিসেবে উপস্থিত রয়েছেন সাহেবজাদা সৈয়্যদ মুহাম্মদ কাসেম শাহ এবং শাহজাদা সৈয়্যদ মুহাম্মদ আকিব শাহ।
পরিচালনা ও সার্বিক কার্যক্রমের বিস্তারিত তথ্যেমতে, কার্যক্রম ধারাবাহিকতায় সকাল ৮টায় চট্টগ্রামের ষোলশহর জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া কামিল মাদরাসা সংলগ্ন আলমগীর খানকা-এ কাদেরিয়া সৈয়দিয়া তৈয়বিয়া থেকে জুলুসের কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়।রুট বা পথপরিক্রমা: জুলুসটি মুরাদপুর, দুই নম্বর গেট, জিইসি মোড়, ওয়াসা মোড়, দামপাড়া, লালখান বাজার এবং টাইগারপাসসহ নগরীর গুরুত্বপূর্ণ প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে।সমাপ্তি ও মোনাজাত: নির্দিষ্ট রুট ঘুরে জুলুসটি পুনরায় জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া মাদরাসা মাঠে গিয়ে শেষ হবে।

সেখানে জোহরের নামাজ আদায়, সংক্ষিপ্ত মাহফিল এবং দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে আখেরি মোনাজাত পরিচালিত হয়। জুলুস শৃঙ্খলা ও ব্যবস্থাপনা স্বেচ্ছাসেবকে জুলুসের শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আনজুমান ও গাউসিয়া কমিটির প্রায় ১০ হাজার প্রশিক্ষিত স্বেচ্ছাসেবক মাঠে দায়িত্ব পালন করছেন।
প্রশাসনিক নিরাপত্তায় চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি)-এর কঠোর নিরাপত্তা বলয়ের পাশাপাশি ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। যানজট এড়াতে নির্দিষ্ট ফ্লাইওভার ও সড়কে যানবাহন চলাচলে বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়। এবারের জনসমাগমে জুলুসে প্রায় ৫০ লাখ বা তারও বেশি আশেকে রাসূলের সমাগম ঘটবে বলে আয়োজকরা প্রত্যাশা করেছেন। দূর-দূরান্ত থেকে আসা মুসল্লিদের জন্য বিশুদ্ধ পানীয় জল, অস্থায়ী শৌচাগার ও জরুরি চিকিৎসাসেবার পর্যাপ্ত ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
Leave a Reply