1. nwes@w3speace.net : ASIF : ASIF
  2. azahar@gmail.com : azhar395 :
  3. admin@gazipursangbad.com : eleas271614 :
  4. wordpUser4@org.com : GuaUserWa4 :
রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ০৫:০৭ অপরাহ্ন

জমিজমা বিরোধের জেরে শিশুকে মারধর ও গৃহবধূকে কুপিয়ে জখম-গাজীপুর সংবাদ 

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেটের সময় : রবিবার, ২৮ জুন, ২০২৬
  • ৪ টাইম ভিউ

কাপাসিয়া (গাজীপুর) প্রতিনিধি:

গাজীপুরের কাপাসিয়ায় পড়ে থাকা কাটা বাঁশ থেকে কইঞ্চা (ঝিংলা) কাটাকে কেন্দ্র করে ৯ বছরের এক শিশুকে মারধর এবং তাকে বাঁচাতে গিয়ে এক গৃহবধূকে কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিশুর দাদা বাদী হয়ে ৭ জনের নাম উল্লেখ করে কাপাসিয়া থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। আজ রবিবার (২৮ জুন) সকাল সাড়ে ১০টায় কাপাসিয়া থানার (ওসি) মোহাম্মদ নাসির আহমদ লিখিত অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এর আগে গত শুক্রবার (২৬ জুন) দুপুরে কাপাসিয়া উপজেলার বরুন গ্রামের বাসিন্দা আলী হোসেনের (৬০) বাড়িতে এই হামলার ঘটনা ঘটে। মামলার এজাহারভুক্ত অভিযুক্তরা হলেন— একই গ্রামের তানিয়া (২৬), রিফাত (১৮), আনোয়ারা (৬০), সোহেল (৩৫), ছোলেমা (৩০), কারিমা (২৫) এবং পাবুর গ্রামের রতন বেপারী (৬২)। থানায় দেওয়া লিখিত অভিযোগে শিশুর দাদা আলী হোসেন উল্লেখ করেন, গত ২৬ জুন দুপুরে বসতবাড়ি সংলগ্ন নিজস্ব ক্রয়কৃত জমিতে পড়ে থাকা কাটা বাঁশ থেকে তার নাতি আরাফাত ইসলাম সিনহা (৯) বাঁশের ঝিংলা কাটতে যায়। অভিযুক্তদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে আলী হোসেনের পরিবারের জমিজমা সংক্রান্ত পূর্ব শত্রুতা চলে আসছিল। এরই জেরে রতন বেপারীর নির্দেশে অভিযুক্তরা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে আলী হোসেনের বাড়িতে অনধিকার প্রবেশ করে এবং শিশু আরাফাতকে মারধর শুরু করে। শিশুর চিৎকার শুনে তার দাদি আকলিমা (৪৭) ঘটনাস্থলে এগিয়ে গেলে অভিযুক্ত তানিয়া ধারালো দা দিয়ে তাকে কোপ মারেন। এতে আকলিমার মাথার বাম পাশে লেগে রক্তাক্ত জখম হয়। তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়লে অন্য সহযোগীরা লাঠি দিয়ে তাকে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে গুরুতর আহত করে। এ সময় শিশু আরাফাতের চিৎকারে আলী হোসেনের বড় ছেলে সিরাজুল ইসলাম এগিয়ে আসলে তাকেও মারধর করা হয়।
পরে আশপাশের লোকজন ছুটে আসলে হামলাকারীরা আলী হোসেন ও তার স্ত্রীকে হত্যা করে লাশ গুম করা এবং রাতের আঁধারে বসতবাড়িতে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে চলে যায়। ঘটনার পর স্বজনেরা গুরুতর আহত আকলিমাকে উদ্ধার করে কাপাসিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এছাড়া আহত সিরাজুল ও শিশু আরাফাতকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। এ ব্যাপারে কাপাসিয়া থানার ওসি মোহাম্মদ নাসির আহমদ জানান ,ভুক্তভোগী পরিবারের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
© All rights reserved © 2025
Developer By insafIT.com.bd
https://writingbachelorthesis.com