1. nwes@w3speace.net : ASIF : ASIF
  2. azahar@gmail.com : azhar395 :
  3. admin@gazipursangbad.com : eleas271614 :
  4. wordpUser4@org.com : GuaUserWa4 :
শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ০১:০২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
গজারিয়া রাতের আধারে জোর পূর্বক জমির মাটি কেটে ক্ষতি সাধনের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন-গাজীপুর সংবাদ  নেকমরদে বিট পুলিশিং কার্যালয়ের উদ্বোধন করলেন-জেলা পুলিশ সুপার বেলাল হোসেন-গাজীপুর সংবাদ  Quali sono i miti più comuni sui casinò e la verità dietro di essi Maximize your experience at Crazy Time Bangladesh: essential payment tips and tricks রাণীশংকৈলে বীরাঙ্গনা মোজেফা খাতুনের চিরবিদায়; রাষ্ট্রীয় মর্যাদা শেষে দাফন সম্পন্ন-গাজীপুর সংবাদ  ওয়ার্ল্ড ইন্টারন্যাশনাল প্রেস ক্লাবের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সাধারণ সম্পাদক হলেন পাকিস্তান জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান মিয়ান ইশতিয়াক আলী-গাজীপুর সংবাদ Zdobądź darmowe spiny w LolaJack Casino: co musisz wiedzieć? Unlock your winning potential: an honest review of Stake Casino Argentina চট্টগ্রামে দেশের প্রথম সাইকেল ট্র্যাক! নিরাপদ স্বাচ্ছন্দ্যময় নগর জীবনের প্রত্যাশা-গাজীপুর সংবাদ  Explore Mega888’s live dealer tables: Tips for a seamless gaming experience

দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান: জুমার নামাজে মুখরিত রাণীশংকৈল মডেল মসজিদ, শুরু হলো ইবাদত ও ইসলামী জ্ঞানচর্চার নতুন অধ্যায়-গাজীপুর সংবাদ 

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেটের সময় : শুক্রবার, ৭ আগস্ট, ২০২৬
  • ৫৬ টাইম ভিউ

হুমায়ুন কবির, রাণীশংকৈল (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি:

আল্লাহর ঘরকে ঘিরে মানুষের যে অকৃত্রিম ভালোবাসা, তারই এক অনন্য প্রতিচ্ছবি দেখা গেল ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈলে। দীর্ঘদিনের প্রতীক্ষা শেষে নবনির্মিত দৃষ্টিনন্দন মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র প্রথমবারের মতো জুমার আজানে মুখরিত হলো। পবিত্র জুমার নামাজ আদায়ের মধ্য দিয়ে শুক্রবার (৭ আগস্ট) আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হলো এই আধুনিক ধর্মীয় কমপ্লেক্সের নিয়মিত পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের কার্যক্রম। উপজেলার ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের কাছে দিনটি পরিণত হয় এক স্মরণীয় ও আনন্দঘন উপলক্ষে।

দুপুর ১২টার পর থেকেই উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে দলে দলে মুসল্লিরা নতুন মসজিদে আসতে শুরু করেন। খুতবা শুরুর আগেই মসজিদের মূল নামাজের কক্ষ, বারান্দা ও চারপাশের উন্মুক্ত প্রাঙ্গণ মুসল্লিদের উপস্থিতিতে কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায়। এক হৃদয়স্পর্শী ধর্মীয় আবহে হাজারো মুসল্লি এক কাতারে দাঁড়িয়ে জুমার নামাজ আদায় করেন। নামাজ শেষে অনেকেই এই ঐতিহাসিক মুহূর্ত স্মরণীয় করে রাখতে মসজিদ প্রাঙ্গণে ছবি ও সেলফি তুলতে ব্যস্ত হয়ে পড়েন। জুমার নামাজে ইমামতি করেন মডেল মসজিদের ইমাম ও খতিব হাফেজ মাওলানা মুফতি মাহবুব আলম।

খুতবার আগে আয়োজিত সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন রাণীশংকৈল উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মজিবুর রহমান, স্থানীয় এমপির প্রতিনিধি ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান জমিরুল ইসলাম, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমানুল্লাহ আল বারী, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আল্লামা আল ওয়াদুদ বিন নূর আলিফ, জামায়াতের নায়েবে আমীর মিজানুর রহমান মাস্টার, পৌর বিএনপির সভাপতি অধ্যাপক শাহজাহান আলী এবং সাধারণ সম্পাদক মহসিন আলী।
বক্তারা বলেন, মডেল মসজিদ শুধু নামাজ আদায়ের স্থান নয়; এটি ইসলামী শিক্ষা, নৈতিকতা, মানবিক মূল্যবোধ ও সামাজিক সম্প্রীতি বিকাশের একটি সমন্বিত কেন্দ্র। এখান থেকে কোরআন-সুন্নাহর আলো সমাজের সর্বস্তরে ছড়িয়ে পড়বে এবং নতুন প্রজন্ম ইসলামের প্রকৃত আদর্শে উদ্বুদ্ধ হবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সাবেক সংসদ সদস্য ইয়াসিন আলী, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক এম. আর. বকুল মজুমদার, সাবেক মেয়র আলমগীর সরকার, উপজেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক আকতারুল ইসলাম আক্তার, পৌর যুবদলের সভাপতি ফারুক হোসেন, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ফিল্ড সুপারভাইজার ফরহাদুজ্জামান ফরহাদ, মডেল কেয়ারটেকার আমিনুল ইসলামসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও সুধীজন।

রাণীশংকৈল পৌর শহরের হ্যালিপ্যাড মাঠসংলগ্ন এলাকায় নির্মিত এই মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে নারী ও পুরুষের জন্য পৃথক অজুখানা, প্রায় এক হাজার মুসল্লির একসঙ্গে নামাজ আদায়ের সুব্যবস্থা এবং আধুনিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা হয়েছে।
এছাড়া কমপ্লেক্সটিতে রয়েছে ইসলামিক রিসার্চ সেন্টার, সমৃদ্ধ লাইব্রেরি, হজযাত্রী নিবন্ধন ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, ইমাম প্রশিক্ষণ সুবিধা, হেফজখানা, শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম, ইসলামী বই বিক্রয় কেন্দ্র, অতিথিশালা, মৃতদেহ গোসলের নির্ধারিত স্থান, প্রশাসনিক কার্যালয় এবং সুপরিসর গাড়ি পার্কিংয়ের ব্যবস্থা। সর্বাধুনিক সুযোগ-সুবিধাসম্পন্ন এই মডেল মসজিদের কার্যক্রম শুরু হওয়ায় রাণীশংকৈলবাসীর দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা বাস্তবে রূপ নিল। স্থানীয়দের প্রত্যাশা, এই মসজিদ কেবল ইবাদতের স্থান হিসেবেই নয়, বরং ইসলামী শিক্ষা, নৈতিক চরিত্র গঠন, সামাজিক সম্প্রীতি ও মানবকল্যাণে এক আলোকবর্তিকা হিসেবে আগামী প্রজন্মকে পথ দেখাবে।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
© All rights reserved © 2025
Developer By insafIT.com.bd
https://writingbachelorthesis.com